তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: স্থির বস্তু কীভাবে চলতে শুরু করে?
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ৬: বস্তুর উপর বলের প্রভাব
অধ্যায় ২: স্থির বস্তু কীভাবে চলতে শুরু করে?
আশরাফ উল আসাদ
সেদিন সকালবেলা স্কুলের মাঠে ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম একটি অদ্ভুত দৃশ্য দেখলেন। মাঠের এক পাশে একটি ফুটবল স্থির হয়ে পড়ে আছে। নুসরাত জাহান বলটির দিকে তাকিয়ে বলল, “বলটি কি ঘুমিয়ে আছে?”
সাফুয়ান বলল, “হয়তো বলটি আজ খেলতে চায় না!”
আনিশা মারজান হেসে বলল, “বল নিজে নিজে চলবে কীভাবে? কেউ না কেউ তো তাকে ধাক্কা দেবে।”
ম্যাডাম বললেন, “তোমরা আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে—স্থির বস্তু কীভাবে চলতে শুরু করে?”
মেফতাহুল জান্নাত বলল, “ম্যাডাম, বলকে চলাতে হলে কি তাকে ডাকতে হয়?”
“ডাকার দরকার নেই,” ম্যাডাম বললেন। “বল প্রয়োগ করলেই স্থির বস্তু চলতে শুরু করতে পারে।”
স্থির বস্তু কী?
ম্যাডাম মাঠের মাঝখানে একটি ছোট পাথর রাখলেন।
তিনি বললেন, “পাথরটি এখন কী করছে?”
আবাবিল আল আলিফ বলল, “পাথরটি স্থির আছে।”
“স্থির থাকা মানে কী?” ম্যাডাম জিজ্ঞেস করলেন।
আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল, “যে বস্তু নিজের অবস্থান পরিবর্তন করছে না, সেটি স্থির আছে।”
ম্যাডাম বললেন, “খুব ভালো। টেবিলের ওপর রাখা বই, মেঝেতে রাখা ব্যাগ, মাঠে পড়ে থাকা বল এবং বেঞ্চের ওপর রাখা পেন্সিল—সবই স্থির থাকতে পারে।”
তিনি পাথরটির দিকে আঙুল দিয়ে হালকা ঠেলা দিলেন। পাথরটি সামান্য এগিয়ে গেল।
মরিয়ম আক্তার বলল, “পাথরটি আগে স্থির ছিল। এখন বল প্রয়োগ করার কারণে নড়ল।”
“ঠিক,” ম্যাডাম বললেন। “স্থির বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করলে সেটি চলতে শুরু করতে পারে।”
ফুটবলের প্রথম দৌড়
ম্যাডাম একটি ফুটবল মাঠে রাখলেন। তিনি বললেন, “এবার সবাই লক্ষ্য করো।”
তিনি বলটিকে পা দিয়ে হালকা ধাক্কা দিলেন। বলটি গড়িয়ে সামনে চলে গেল।
নুসরাত বলল, “বলটি চলতে শুরু করেছে।”
ম্যাডাম বললেন, “কারণ আমি বলের ওপর ধাক্কা প্রয়োগ করেছি।”
এরপর তিনি বলটিকে আরও জোরে ধাক্কা দিলেন। বলটি আগের চেয়ে বেশি দূরে গেল।
সাফুয়ান বলল, “ম্যাডাম, এবার বলটি যেন দৌড় প্রতিযোগিতায় জিতে গেল!”
ম্যাডাম বললেন, “বল প্রয়োগের পরিমাণ বাড়লে অনেক ক্ষেত্রে বস্তুর গতির পরিবর্তনও বেশি হতে পারে। তবে সব সময় বেশি জোরে বল প্রয়োগ করা নিরাপদ বা প্রয়োজনীয় নয়।”
আবু তালহা বলল, “তাহলে ফুটবল খেলতে হলে বলকে সঠিক দিকে এবং সঠিক পরিমাণে ধাক্কা দিতে হয়।”
“অবশ্যই,” ম্যাডাম বললেন। “খেলাধুলায় দক্ষতা মানে শুধু জোরে বল প্রয়োগ করা নয়, সঠিকভাবে বল প্রয়োগ করা।”
হাতের এক ধাক্কায় খেলনা গাড়ি
ম্যাডাম শ্রেণিকক্ষে ফিরে একটি খেলনা গাড়ি বের করলেন। গাড়িটি টেবিলের ওপর স্থির ছিল।
তিনি মেফতাহুলকে বললেন, “তুমি গাড়িটিকে হালকা ঠেলা দাও।”
মেফতাহুল আঙুল দিয়ে গাড়িটিকে ঠেলে দিল। গাড়িটি সামনে এগিয়ে গেল।
মেফতাহুল বলল, “গাড়িটি আগে স্থির ছিল। আমার হাতের বল গাড়িটিকে চলতে সাহায্য করল।”
ম্যাডাম বললেন, “এখানে তোমার হাতের পেশি কাজ করেছে। শরীরের শক্তি হাতের মাধ্যমে গাড়ির ওপর বল প্রয়োগ করেছে।”
এরপর ম্যাডাম গাড়িটির সামনে একটি পেন্সিল রেখে দিলেন। গাড়িটি পেন্সিলে ধাক্কা খেয়ে থেমে গেল।
আনিশা বলল, “গাড়িটি আবার থেমে গেল।”
ম্যাডাম বললেন, “আজকের বিষয় হলো স্থির বস্তুকে চলানো। তবে এই ঘটনায় তোমরা আরও একটি বিষয় দেখতে পেলে—কোনো বাধা বা বিপরীত বলের কারণে চলন্ত বস্তু থেমেও যেতে পারে।”
বল প্রয়োগের দিক
ম্যাডাম এবার একটি কাগজের বল টেবিলের মাঝখানে রাখলেন।
তিনি বললেন, “নুসরাত, বলটিকে ডান দিকে ঠেলে দাও।”
নুসরাত বলটিকে ডান দিকে ঠেলে দিল। বলটি ডান দিকে গড়িয়ে গেল।
এরপর আনিশা বলটিকে বাঁ দিকে ঠেলে দিল। বলটি বাঁ দিকে চলে গেল।
ম্যাডাম বললেন, “বল প্রয়োগের দিক বস্তুর চলার দিককে প্রভাবিত করে।”
আবাবিল বলল, “যেদিকে ঠেলা দেব, বলটি সেদিকেই যেতে পারে।”
“সাধারণভাবে তাই,” ম্যাডাম বললেন। “তবে মেঝের ঘর্ষণ, বস্তুর আকার, ওজন এবং পথে থাকা বাধার কারণে চলার ধরন বদলাতে পারে।”
সাফুয়ান বলল, “তাহলে বলকে সামনে যেতে বললে সে পেছনে যাবে না?”
ম্যাডাম বললেন, “তুমি যদি সামনে ঠেলা দাও, সাধারণত সে সামনে যাবে। তবে কোনো বাধা থাকলে দিক পরিবর্তন হতে পারে।”
দড়ি টেনে বাক্স সরানো
ম্যাডাম একটি ছোট বাক্সের সঙ্গে দড়ি বাঁধলেন। বাক্সটি মেঝের ওপর স্থির ছিল।
তিনি বললেন, “আবু তালহা, দড়িটি টেনে বাক্সটি নিজের কাছে আনো।”
আবু তালহা দড়ি টানতেই বাক্সটি ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে এল।
মরিয়ম বলল, “এখানে ধাক্কা নয়, টান প্রয়োগ করা হয়েছে।”
ম্যাডাম বললেন, “ঠিক। বল প্রয়োগের দুটি প্রধান উপায় হলো টান ও ধাক্কা। টান দিয়েও স্থির বস্তুকে চলানো যায়।”
এরপর সাফুয়ান বাক্সটিকে সামনে ঠেলে দিল। বাক্সটি সামনে এগিয়ে গেল।
সাফুয়ান বলল, “ধাক্কা দিয়েও স্থির বাক্সকে চলানো যায়।”
“সঠিক,” ম্যাডাম বললেন। “টান বা ধাক্কা—দুইভাবেই স্থির বস্তু গতিশীল হতে পারে।”
শ্রেণিকক্ষের ছোট পরীক্ষা
ম্যাডাম সবাইকে কয়েকটি সহজ পরীক্ষা করতে দিলেন।
পরীক্ষা ১: পেন্সিল
একটি পেন্সিল টেবিলের ওপর রাখো। পেন্সিলটি স্থির অবস্থায় থাকবে। এবার আঙুল দিয়ে হালকা ঠেলা দাও। পেন্সিলটি গড়িয়ে বা সরে যেতে পারে।
পর্যবেক্ষণ: বল প্রয়োগ করলে স্থির পেন্সিল চলতে শুরু করে।
পরীক্ষা ২: রাবার
একটি রাবার টেবিলের ওপর রাখো। রাবারটিকে প্রথমে হালকা ঠেলা দাও। এরপর একটু বেশি জোরে ঠেলা দাও।
পর্যবেক্ষণ: বলের পরিমাণ পরিবর্তন করলে রাবারের চলার দূরত্বও পরিবর্তিত হতে পারে।
পরীক্ষা ৩: কাগজের বল
কাগজ দিয়ে একটি বল বানিয়ে টেবিলের ওপর রাখো। ডান দিকে ঠেলা দিলে সেটি ডান দিকে যাবে। বাঁ দিকে ঠেলা দিলে সেটি বাঁ দিকে যাবে।
পর্যবেক্ষণ: বল প্রয়োগের দিক বস্তুর চলার দিককে প্রভাবিত করে।
পরীক্ষা ৪: খেলনা গাড়ি
খেলনা গাড়িকে স্থির অবস্থায় রেখে হালকা ধাক্কা দাও। এরপর গাড়ির সামনে একটি বই রেখে আবার গাড়িটিকে ঠেলা দাও।
পর্যবেক্ষণ: ধাক্কা দিলে গাড়ি চলতে শুরু করে, আর বাধার কারণে গাড়ি থেমে যেতে পারে।
ভারী ও হালকা বস্তুর পার্থক্য
ম্যাডাম এবার একটি খালি বাক্স এবং একটি বইভর্তি বাক্স পাশাপাশি রাখলেন।
তিনি বললেন, “নুসরাত, প্রথমে খালি বাক্সটি ঠেলে দেখো।”
নুসরাত সহজেই খালি বাক্সটি সরিয়ে দিল।
এরপর সে বইভর্তি বাক্সটি ঠেলার চেষ্টা করল। বাক্সটি খুব সামান্য নড়ল।
নুসরাত বলল, “বইভর্তি বাক্সটি সরাতে বেশি বল লাগছে।”
ম্যাডাম বললেন, “হ্যাঁ। সাধারণত ভারী বস্তুকে সরাতে হালকা বস্তুর তুলনায় বেশি বল প্রয়োগ করতে হয়।”
আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল, “তাহলে ভারী আলমারি একা ঠেলা ঠিক নয়।”
“একদম ঠিক,” ম্যাডাম বললেন। “ভারী বস্তু সরানোর সময় বড়দের সাহায্য নিতে হবে। প্রয়োজনে একাধিক ব্যক্তি বা উপযুক্ত যন্ত্র ব্যবহার করতে হবে।”
বল প্রয়োগের সঙ্গে কাজের সম্পর্ক
ম্যাডাম বললেন, “তোমরা যখন দরজা খুলো, ব্যাগ সরাও, চেয়ার টানো, বল খেলো কিংবা বইয়ের পাতা উল্টাও—তখন বল প্রয়োগ করো।”
আনিশা বলল, “পাতা উল্টানোর সময়ও কি বল লাগে?”
“অবশ্যই,” ম্যাডাম বললেন। “আঙুল দিয়ে পাতায় টান দিলে পাতা আমাদের দিকে আসে। আবার কোনো পাতা উল্টে দূরে সরাতে ধাক্কাও দিতে পারি।”
মেফতাহুল বলল, “জুতা পরার সময়ও কি বল প্রয়োগ হয়?”
“হ্যাঁ,” ম্যাডাম বললেন। “জুতার ফিতা টানা, জুতা পায়ে ঢোকানো, দরজা খোলা—সব কাজেই টান বা ধাক্কার ভূমিকা আছে।”
মরিয়ম বলল, “তাহলে আমরা না বুঝেই সারাদিন বল ব্যবহার করি!”
“ঠিক তাই,” ম্যাডাম বললেন। “বিজ্ঞান আমাদের শেখায়, সাধারণ কাজের মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনা লুকিয়ে থাকে।”
নিরাপদে বল প্রয়োগ
ম্যাডাম বললেন, “বল প্রয়োগ করার সময় কয়েকটি বিষয় মনে রাখতে হবে।”
- কোনো মানুষকে লক্ষ্য করে বস্তু ছোড়া যাবে না।
- ভারী বস্তু একা ঠেলা বা টানা যাবে না।
- কাঁচ, ধারালো বস্তু বা ভঙ্গুর জিনিস জোরে সরানো যাবে না।
- দরজা খোলার সময় দরজার অন্য পাশে কেউ আছে কি না দেখতে হবে।
- খেলাধুলায় বল সঠিক নিয়মে ব্যবহার করতে হবে।
- কোনো বস্তু আটকে গেলে অতিরিক্ত জোর না দিয়ে বড়দের সাহায্য নিতে হবে।
- বৈদ্যুতিক যন্ত্র বা তারে টান দেওয়া যাবে না।
সাফুয়ান বলল, “আমি আজ থেকে সবকিছু ঠেলার আগে ভাবব—এটি নিরাপদ কি না।”
ম্যাডাম বললেন, “এটাই একজন সচেতন শিক্ষার্থীর পরিচয়।”
দিনের শেষ প্রশ্ন
ক্লাসের শেষে ম্যাডাম একটি পাথর, একটি খেলনা গাড়ি এবং একটি ফুটবল টেবিলের ওপর রাখলেন।
তিনি বললেন, “এই তিনটি বস্তু এখন স্থির। তোমরা কীভাবে এগুলোকে চলাতে পারবে?”
নুসরাত বলল, “পাথরকে ঠেলে।”
আনিশা বলল, “খেলনা গাড়িকে আঙুল দিয়ে ধাক্কা দিয়ে।”
মেফতাহুল বলল, “ফুটবলকে পা দিয়ে ধাক্কা দিয়ে।”
আবু তালহা বলল, “দড়ি বাঁধা থাকলে কোনো বস্তু টেনেও চলানো যায়।”
ম্যাডাম বললেন, “চমৎকার। মনে রেখো—বল প্রয়োগ ছাড়া স্থির বস্তু সাধারণত নিজে নিজে চলতে শুরু করে না।”
সাফুয়ান বলল, “ম্যাডাম, তাহলে আমার স্কুলব্যাগও নিজে নিজে বাড়ি যাবে না?”
ম্যাডাম বললেন, “না। তোমাকেই সেটি বহন করতে হবে।”
সাফুয়ান দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “বিজ্ঞানের সব রহস্যের মধ্যে এই রহস্যটাই সবচেয়ে কঠিন!”
সবাই হেসে উঠল।
ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম বোর্ডে শেষ বাক্যটি লিখলেন—
বল প্রয়োগ করলে স্থির বস্তু গতিশীল হতে পারে।
শিক্ষার্থীরা বুঝল, একটি ছোট ধাক্কা বা টানও কোনো স্থির বস্তুর অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারে। তাই আমাদের চারপাশের চলমান জগতের পেছনে বলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
অধ্যায়ের মূল শিক্ষা
- যে বস্তু নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে না, তাকে স্থির বস্তু বলা হয়।
- স্থির বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করলে সেটি চলতে শুরু করতে পারে।
- টান ও ধাক্কা—দুইভাবেই স্থির বস্তু গতিশীল করা যায়।
- বল প্রয়োগের দিক বস্তুর চলার দিককে প্রভাবিত করে।
- বেশি ভারী বস্তুকে সরাতে সাধারণত বেশি বল প্রয়োগ করতে হয়।
- বল প্রয়োগের পরিমাণ বাড়লে অনেক ক্ষেত্রে বস্তুর চলার দূরত্ব বা গতি পরিবর্তিত হতে পারে।
- দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে আমরা টান ও ধাক্কা ব্যবহার করি।
- বল প্রয়োগের সময় নিরাপত্তা মেনে চলতে হয়।
বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১. স্থির বস্তু বলতে কী বোঝায়?
ক. যে বস্তু নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে না
খ. যে বস্তু সব সময় উড়ে
গ. যে বস্তু শুধু শব্দ করে
ঘ. যে বস্তু আলো দেয়
২. স্থির ফুটবলকে চলাতে কী করতে হয়?
ক. বল প্রয়োগ করতে হয়
খ. শুধু তাকিয়ে থাকতে হয়
গ. গান গাইতে হয়
ঘ. পানি ঢালতে হয়
৩. স্থির বাক্সকে দড়ি দিয়ে নিজের দিকে আনতে কোন ধরনের বল প্রয়োগ করা হয়?
ক. টান
খ. ধাক্কা
গ. আলো
ঘ. তাপ
৪. খেলনা গাড়িকে আঙুল দিয়ে ঠেলা দিলে কী হয়?
ক. গাড়ি চলতে শুরু করে
খ. গাড়ি অদৃশ্য হয়
গ. গাড়ি বরফে পরিণত হয়
ঘ. গাড়ি শব্দ বন্ধ করে
৫. বল প্রয়োগের দিক কী পরিবর্তন করতে পারে?
ক. বস্তুর চলার দিক
খ. শুধু বস্তুর নাম
গ. শুধু বস্তুর গন্ধ
ঘ. শুধু বস্তুর রং
৬. ভারী বাক্স সরাতে সাধারণত কেমন বল লাগে?
ক. বেশি বল
খ. কোনো বল নয়
গ. শুধু শব্দ
ঘ. শুধু আলো
৭. নিচের কোনটি স্থির বস্তুকে চলানোর উদাহরণ?
ক. ফুটবলকে পা দিয়ে ধাক্কা দেওয়া
খ. স্থির বইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকা
গ. বাতাসের শব্দ শোনা
ঘ. সূর্যের আলো দেখা
৮. একটি কাগজের বলকে বাঁ দিকে ঠেলা দিলে কী হতে পারে?
ক. বলটি বাঁ দিকে চলতে পারে
খ. বলটি পানি হয়ে যেতে পারে
গ. বলটি মাটির নিচে ঢুকে যেতে পারে
ঘ. বলটি আলো দিতে পারে
৯. ভারী বস্তু সরানোর সময় কী করা উচিত?
ক. বড়দের সাহায্য নেওয়া
খ. একা অতিরিক্ত জোর প্রয়োগ করা
গ. চোখ বন্ধ করে ঠেলা দেওয়া
ঘ. অন্যকে ধাক্কা দেওয়া
১০. বল প্রয়োগের দুটি প্রধান উপায় কী?
ক. টান ও ধাক্কা
খ. আলো ও শব্দ
গ. তাপ ও পানি
ঘ. বাতাস ও মাটি
উত্তরমালা
১. ক
২. ক
৩. ক
৪. ক
৫. ক
৬. ক
৭. ক
৮. ক
৯. ক
১০. ক