শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
মজার সাথে শিক্ষা - ক্লাস ৩

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বলের প্রভাব

আশরাফ উল আসাদ • 14 সেপ্টেম্বর 2026, 06:45 সকাল • 67 বার পঠিত
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বলের প্রভাব

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ৬: বস্তুর উপর বলের প্রভাব


অধ্যায় ৯: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বলের প্রভাব


লেখক: আশরাফ উল আসাদ


সেদিন ফারজানা মরিয়ম শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষে এসে বললেন, “আজ আমরা এমন একটি বিষয় শিখব, যা তোমরা প্রতিদিন করো, কিন্তু সব সময় খেয়াল করো না।”

নুসরাত জাহান বলল, “খাওয়া?”

আনিশা মারজান বলল, “খেলা?”

মেফতাহুল জান্নাত বলল, “স্কুলে আসা?”

শিক্ষিকা হেসে বললেন, “এসব কাজের প্রতিটিতেই বলের প্রভাব আছে।”

সাফুয়ান অবাক হয়ে বলল, “আমরা কি সারাদিন বল প্রয়োগ করি?”

“হ্যাঁ,” বললেন ফারজানা মরিয়ম। “হাঁটা, দরজা খোলা, ব্যাগ তোলা, লেখা, খেলা, সাইকেল চালানো—সব কাজেই কোনো না কোনোভাবে বল কাজ করে।”


সকালে ঘুম থেকে ওঠা


সকালে ঘুম থেকে উঠে নুসরাত বিছানা থেকে নামতে গেল।

সে প্রথমে হাত দিয়ে বিছানার পাশে রাখা টেবিলটি ধরল।

তারপর পা মেঝেতে রেখে শরীরকে ওপরে তুলল।

ফারজানা মরিয়ম বললেন, “এখানেও বল কাজ করছে।”

আবাবিল আল আলিফ বলল, “পা দিয়ে মেঝেতে চাপ দিই বলেই তো শরীর ওপরে ওঠে!”

শিক্ষিকা বললেন, “ঠিক তাই। পা মেঝের ওপর বল প্রয়োগ করে। মেঝেও আমাদের পায়ের ওপর বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে। ফলে আমরা দাঁড়াতে ও হাঁটতে পারি।”


দরজা খোলা ও বন্ধ করা


স্কুলে ঢোকার সময় আনিশা একটি দরজা ঠেলে খুলল।

দরজাটি ঘুরে খুলে গেল।

শিক্ষিকা বললেন, “দরজা খোলার সময় আমরা ধাক্কা বা ঠেলা দিই।”

এরপর তিনি দরজাটি নিজের দিকে টেনে বন্ধ করলেন।

মরিয়ম আক্তার বলল, “দরজা বন্ধ করার সময় টানও ব্যবহার করা যায়!”

শিক্ষিকা বললেন, “হ্যাঁ। দরজার হাতল নিজের দিকে টানলে দরজা কাছে আসে। আবার দরজাকে দূরে সরাতে ধাক্কা দিতে হয়।”


তিনি বোর্ডে লিখলেন:


দরজা নিজের থেকে দূরে সরানো — ধাক্কা


দরজা নিজের দিকে আনা — টান


ব্যাগ তোলা ও বহন করা


আবু তালহা স্কুলব্যাগটি মেঝে থেকে তুলতে গেল।

সে হাতল ধরে ব্যাগটি ওপরে তুলল।

আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল, “ব্যাগ তুলতে তো ওপরের দিকে টান দিতে হয়!”

শিক্ষিকা বললেন, “ঠিক বলেছ। হাত দিয়ে ব্যাগকে ওপরে টানলে ব্যাগ মেঝে থেকে উঠে আসে।”

তিনি বললেন, “ব্যাগ যত ভারী হবে, সেটি তুলতে তত বেশি বল প্রয়োগ করতে হতে পারে।”

মেফতাহুল নিজের ব্যাগ তুলে বলল, “আমার ব্যাগে অনেক বই থাকলে তুলতে কষ্ট হয়।”

শিক্ষিকা বললেন, “কারণ বইয়ের সংখ্যা বাড়লে ব্যাগের ওজন বাড়ে। তাই ভারী ব্যাগ বহন করার সময় সঠিকভাবে ধরতে হবে এবং প্রয়োজনে বড়দের সাহায্য নিতে হবে।”


হাঁটা ও দৌড়ানো


ফারজানা মরিয়ম শিক্ষিকা সবাইকে মাঠে নিয়ে গেলেন।

তিনি বললেন, “এবার হাঁটা ও দৌড়ানোর সময় বলের কাজ লক্ষ করো।”

শিক্ষার্থীরা হাঁটতে শুরু করল।

নুসরাত বলল, “পা মেঝের ওপর চাপ দিচ্ছে।”

শিক্ষিকা বললেন, “হ্যাঁ। পা মেঝেকে পেছনের দিকে চাপ দেয়, আর মেঝে আমাদের সামনে এগোতে সাহায্য করে।”

এরপর সবাই দৌড়াতে শুরু করল।

সাফুয়ান বলল, “দৌড়ানোর সময় পা দিয়ে আরও দ্রুত বল প্রয়োগ করতে হয়!”

শিক্ষিকা বললেন, “সাধারণভাবে দ্রুত চলার জন্য পা ও মেঝের মধ্যে বল ও ঘর্ষণ গুরুত্বপূর্ণ।”


তিনি বললেন, “যদি মেঝে খুব পিচ্ছিল হয়, তাহলে হাঁটা কঠিন হয়। কারণ পা ও মেঝের মধ্যে যথেষ্ট ঘর্ষণ থাকে না।”


সিঁড়ি দিয়ে ওঠা


স্কুলের একটি সিঁড়ির কাছে গিয়ে শিক্ষিকা বললেন, “সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় কী হয়?”

আনিশা বলল, “আমরা পা দিয়ে ধাপের ওপর চাপ দিই।”

শিক্ষিকা বললেন, “ঠিক তাই। পা দিয়ে ধাপের ওপর বল প্রয়োগ করে শরীরকে ওপরে তোলা হয়।”

মরিয়ম বলল, “সিঁড়ি দিয়ে নামার সময়ও বলের প্রভাব আছে?”

শিক্ষিকা বললেন, “অবশ্যই। নামার সময় শরীরের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। পা ও ধাপের মধ্যে ঘর্ষণ আমাদের পিছলে পড়া থেকে রক্ষা করে।”


চেয়ারে বসা ও ওঠা


শ্রেণিকক্ষে ফিরে সবাই চেয়ারে বসতে গেল।

ফারজানা মরিয়ম বললেন, “চেয়ারে বসার সময়ও বল কাজ করে।”

তিনি বোঝালেন:


- শরীরের ওজন চেয়ারের ওপর নিচের দিকে বল প্রয়োগ করে।

- চেয়ার শরীরকে ওপরের দিকে সমর্থন দেয়।

- চেয়ার থেকে ওঠার সময় পা মেঝের ওপর চাপ দেয়।

- মেঝের বল আমাদের শরীরকে ওপরে উঠতে সাহায্য করে।


আবাবিল বলল, “চেয়ার যদি দুর্বল হয়, তাহলে বেশি ওজন সহ্য করতে নাও পারে।”

শিক্ষিকা বললেন, “ঠিক বলেছ। কোনো বস্তু ব্যবহারের আগে তার শক্তি ও ক্ষমতা সম্পর্কে জানা দরকার।”


খাবার খাওয়ার সময় বল


দুপুরের খাবারের সময় ফারজানা মরিয়ম বললেন, “খাওয়ার সময়ও বলের প্রভাব দেখা যায়।”

তিনি উদাহরণ দিলেন:


- চামচ দিয়ে খাবার তুলে মুখের কাছে আনা হয়।

- হাত দিয়ে রুটি ছিঁড়তে টান প্রয়োগ করা হয়।

- দাঁত দিয়ে খাবার চিবানোর সময় চাপ দেওয়া হয়।

- বোতলের ঢাকনা খুলতে টান বা ঘোরানোর বল প্রয়োগ করা হয়।

- গ্লাস ধরতে হাত দিয়ে চাপ দেওয়া হয়।


মেফতাহুল বলল, “রুটি ছিঁড়তে টান দিই, আবার খাবার চিবাতে চাপ দিই!”

শিক্ষিকা বললেন, “ঠিক তাই। খাবার খাওয়ার মতো সাধারণ কাজেও বিভিন্ন ধরনের বল কাজ করে।”


কলের হাতল ঘোরানো


শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষের পাশের পানির কল দেখিয়ে বললেন, “কলের হাতল ঘোরালে পানি বের হয়।”

নুসরাত হাতলটি ঘুরিয়ে দেখল।

শিক্ষিকা বললেন, “হাতল ঘোরানোর সময় হাত দিয়ে বল প্রয়োগ করা হয়। সেই বলের কারণে হাতল ঘুরে যায় এবং কলের ভেতরের ব্যবস্থা পরিবর্তিত হয়।”

আবু তালহা বলল, “কল বন্ধ করতেও আবার বিপরীত দিকে বল দিতে হয়!”

শিক্ষিকা বললেন, “ঠিক বলেছ। অনেক যন্ত্র চালাতে, বন্ধ করতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে বল প্রয়োগ করতে হয়।”


সাইকেল চালানো


সাফুয়ান সাইকেল চালাতে ভালোবাসে।

শিক্ষিকা বললেন, “সাইকেল চালানোর সময় বলের অনেক উদাহরণ দেখা যায়।”

তিনি বললেন:


- প্যাডেলে পা দিয়ে চাপ দিলে চাকা ঘুরতে শুরু করে।

- চাকা ও রাস্তার মধ্যে ঘর্ষণ থাকায় সাইকেল এগোতে পারে।

- হ্যান্ডেল ঘোরালে সাইকেলের চলার দিক পরিবর্তিত হয়।

- ব্রেক চাপলে চাকার গতি কমে যায় বা সাইকেল থেমে যায়।

- প্যাডেল চালানো বন্ধ করলে ঘর্ষণের কারণে সাইকেল ধীরে ধীরে থেমে যায়।


আনিশা বলল, “সাইকেলের হ্যান্ডেল ঘোরানো মানে গতির দিক পরিবর্তন করা।”

শিক্ষিকা বললেন, “খুব ভালো। আর ব্রেক হলো চলন্ত বস্তুর গতি কমানোর একটি উপায়।”


খেলনা গাড়ি ও ঘর্ষণ


শিক্ষিকা একটি খেলনা গাড়ি মেঝেতে চালালেন।

গাড়িটি কিছু দূর যাওয়ার পর থেমে গেল।

তিনি বললেন, “গাড়িটিকে আমি ধাক্কা দিয়েছিলাম। ধাক্কার কারণে এটি চলতে শুরু করে।”

মরিয়ম বলল, “তারপর ঘর্ষণের কারণে গাড়িটি থেমে গেল।”

শিক্ষিকা বললেন, “ঠিক তাই।”

তিনি গাড়িটি এবার একটি মসৃণ টেবিলের ওপর চালালেন।

গাড়িটি আগের চেয়ে কিছুটা দূর গেল।

এরপর তিনি গাড়িটি একটি রুক্ষ কাপড়ের ওপর চালালেন।

গাড়িটি দ্রুত থেমে গেল।

আবাবিল বলল, “পৃষ্ঠ যত রুক্ষ, ঘর্ষণ তত বেশি হতে পারে।”

শিক্ষিকা বললেন, “সাধারণভাবে তাই। ঘর্ষণ বস্তুর গতি কমাতে সাহায্য করে।”


বাজারে কেনাকাটা


একদিন ফারজানা মরিয়ম শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি দোকানে গেলেন।

দোকানে একটি পণ্যভর্তি ট্রলি ছিল।

নুসরাত ট্রলিটি ঠেলল।

ট্রলিটি সামনে এগিয়ে গেল।

আনিশা ট্রলিটি নিজের দিকে টেনে আনল।

ট্রলিটি আবার তার দিকে এল।

শিক্ষিকা বললেন, “এখানে ঠেলা ও টান—দুই ধরনের বলই দেখা গেল।”

মেফতাহুল বলল, “ট্রলি ভারী হলে ঠেলতে বেশি শক্তি লাগবে।”

শিক্ষিকা বললেন, “ঠিক বলেছ।”

তিনি আরও বললেন, “ট্রলির চাকা থাকায় অনেক সময় ভারী জিনিস সরানো সহজ হয়।”


বলের কারণে বস্তুর আকার পরিবর্তন


শিক্ষিকা দোকান থেকে একটি স্পঞ্জ ও একটি প্লাস্টিকের বোতল দেখালেন।

তিনি স্পঞ্জটি চেপে ধরলেন।

স্পঞ্জটি ছোট হয়ে গেল।

এরপর বোতলটিতে চাপ দিলেন।

বোতলটির আকার পরিবর্তিত হলো।

মরিয়ম বলল, “আকার পরিবর্তনের উদাহরণও আমরা প্রতিদিন দেখি!”

শিক্ষিকা বললেন, “হ্যাঁ। রুটি বানানো, কাপড় ভাঁজ করা, কাগজ মুচড়ানো, মাটি দিয়ে খেলনা তৈরি করা—সব ক্ষেত্রেই বলের কারণে আকার বদলায়।”


দৈনন্দিন জীবনে বলের চারটি প্রধান প্রভাব


ফারজানা মরিয়ম বোর্ডে লিখলেন:


১. স্থির বস্তুকে চলতে শুরু করানো

উদাহরণ: স্থির বলকে লাথি দিলে বল চলতে শুরু করে।


২. চলন্ত বস্তুকে থামানো

উদাহরণ: ব্রেক চাপলে সাইকেল থেমে যায়।


৩. গতির দিক পরিবর্তন করা

উদাহরণ: সাইকেলের হ্যান্ডেল ঘোরালে সাইকেলের দিক বদলে যায়।


৪. বস্তুর আকার পরিবর্তন করা

উদাহরণ: স্পঞ্জ চেপে ধরলে তার আকার বদলে যায়।


শিক্ষিকা বললেন, “এই চারটি প্রভাব আমরা প্রতিদিনের অসংখ্য কাজে দেখতে পাই।”


শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণ


শিক্ষিকা সবাইকে বললেন, “আজ বাড়ি ফিরে তোমরা পাঁচটি কাজ লক্ষ করবে এবং লিখবে, সেখানে কীভাবে বল প্রয়োগ হচ্ছে।”

শিক্ষার্থীরা সম্ভাব্য উদাহরণ লিখল:


- দরজা খোলা

- ব্যাগ তোলা

- কলের হাতল ঘোরানো

- কলম দিয়ে লেখা

- বল খেলা

- চেয়ারে বসা

- সাইকেল চালানো

- খাবার চিবানো

- খেলনা গাড়ি ঠেলা

- কাপড় ভাঁজ করা


আসাদুল্লাহ গালিব বলল, “আগে এসব কাজকে শুধু কাজ মনে হতো। এখন বুঝতে পারছি, প্রতিটি কাজের ভেতরে বিজ্ঞান আছে।”

শিক্ষিকা বললেন, “বিজ্ঞানকে বুঝতে হলে চারপাশের কাজগুলো মন দিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে হয়।”


নিরাপদে বল প্রয়োগ


ফারজানা মরিয়ম বললেন, “বল প্রয়োগ সব সময় উপকারী হলেও ভুলভাবে করলে বিপদ হতে পারে।”

তিনি নিয়মগুলো বললেন:


- ভারী বস্তু একা তুলবে না।

- দরজা জোরে ধাক্কা দিয়ে বন্ধ করবে না।

- পিচ্ছিল মেঝেতে দৌড়াবে না।

- সাইকেল চালানোর সময় ব্রেক ঠিক আছে কি না দেখবে।

- ধারালো বস্তুতে জোরে চাপ দেবে না।

- কারও দিকে জোরে বল ছুড়বে না।

- চেয়ার বা টেবিলের ওপর অতিরিক্ত ওজন দেবে না।

- কোনো যন্ত্র ব্যবহারের আগে বড়দের পরামর্শ নেবে।


আজকের শিক্ষণীয় কথা


আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি কাজেই বলের প্রভাব রয়েছে।

দরজা খোলা, ব্যাগ তোলা, হাঁটা, দৌড়ানো, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা, খাবার খাওয়া ও সাইকেল চালানোর সময় বল কাজ করে।

বল প্রয়য়োগ করে বস্তুকে চালানো, থামানো, দিক পরিবর্তন করা এবং আকার বদলানো যায়।

ঘর্ষণ হাঁটা, লেখা, সাইকেল চালানো ও বস্তু থামানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

বস্তুর ওজন ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বলের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

বল প্রয়োগের সময় নিরাপত্তা মেনে চলতে হবে।


অধ্যায় শেষে বহুনির্বাচনী প্রশ্ন


১. দরজা নিজের থেকে দূরে সরাতে কী করা হয়?

ক. ধাক্কা দেওয়া

খ. শুধু তাকিয়ে থাকা

গ. গান গাওয়া

ঘ. পানি ঢালা


২. ব্যাগ মেঝে থেকে তুলতে কোন বল প্রয়োগ করা হয়?

ক. ওপরের দিকে টান

খ. নিচের দিকে ধাক্কা

গ. শুধু আলো

ঘ. শুধু শব্দ


৩. হাঁটার সময় কোনটি গুরুত্বপূর্ণ?

ক. পা ও মেঝের মধ্যে ঘর্ষণ

খ. শুধু বাতাস

গ. শুধু আলো

ঘ. শুধু শব্দ


৪. সাইকেলের ব্রেক চাপলে কী হয়?

ক. সাইকেলের গতি কমে বা থেমে যায়

খ. সাইকেল সব সময় দ্রুত চলে

গ. সাইকেল উড়ে যায়

ঘ. সাইকেলের রং বদলে যায়


৫. সাইকেলের হ্যান্ডেল ঘোরালে কী পরিবর্তিত হয়?

ক. চলার দিক

খ. শুধু ওজন

গ. শুধু গন্ধ

ঘ. শুধু রং


৬. স্পঞ্জ চেপে ধরলে কী হয়?

ক. আকার পরিবর্তিত হয়

খ. স্পঞ্জ অদৃশ্য হয়

গ. স্পঞ্জ আলো দেয়

ঘ. স্পঞ্জ শব্দ করে


৭. কলের হাতল ঘোরাতে কী দরকার?

ক. হাতের বল

খ. শুধু পানি

গ. শুধু বাতাস

ঘ. কোনো শক্তি নয়


৮. ট্রলি ভারী হলে কী হতে পারে?

ক. ঠেলতে বেশি বল লাগতে পারে

খ. কোনো বল লাগবে না

গ. ট্রলি নিজে উড়বে

ঘ. ট্রলি অদৃশ্য হবে


৯. ঘর্ষণ আমাদের কোন কাজে সাহায্য করে?

ক. হাঁটতে

খ. অদৃশ্য হতে

গ. আলো দিতে

ঘ. শব্দ বন্ধ করতে


১০. দৈনন্দিন জীবনে বল প্রয়োগের একটি প্রভাব কোনটি?

ক. বস্তুর গতি বা আকার পরিবর্তন

খ. শুধু বস্তুর নাম পরিবর্তন

গ. শুধু গন্ধ পরিবর্তন

ঘ. শুধু রং পরিবর্তন


উত্তরমালা


১. ক

২. ক

৩. ক

৪. ক

৫. ক

৬. ক

৭. ক

৮. ক

৯. ক

১০. ক

#শিক্ষা