তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: শক্তির মহা অভিযান
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ৫: শক্তি
অধ্যায় ১০: শক্তির মহা অভিযান
আশরাফ উল আসাদ
সেদিন ফারজানা মরিয়ম ম্যাডামের বিজ্ঞান ক্লাসে ঢোকার আগেই নুসরাত জাহান, আনিশা মারজান, মেফতাহুল জান্নাত, আবাবিল আল আলিফ, সাফুয়ান, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু তালহা ও মরিয়ম আক্তার শ্রেণিকক্ষে গোল হয়ে বসে ছিল। সবার চোখে উত্তেজনা। মনে হচ্ছিল, আজ ক্লাসে শুধু বই পড়া হবে না—কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে।
ম্যাডাম দরজা দিয়ে ঢুকে বললেন, “আজ তোমাদের জন্য একটি বিশেষ অভিযান আছে।”
সাফুয়ান সঙ্গে সঙ্গে হাত তুলল, “ম্যাডাম, অভিযান মানে কি আমরা জঙ্গলে যাব?”
আবু তালহা বলল, “নাকি পাহাড়ে উঠব?”
আসাদুল্লাহ আল গালিব একটু গম্ভীর হয়ে বলল, “হয়তো আমরা বিদ্যুৎকেন্দ্র খুঁজতে যাব!”
ম্যাডাম হেসে বললেন, “তোমাদের অভিযান হবে আমাদের নিজেদের স্কুলেই। তবে এই অভিযানে চোখ খোলা রাখতে হবে, কান খোলা রাখতে হবে, আর মাথাও খাটাতে হবে।”
মরিয়ম আক্তার বলল, “ম্যাডাম, আমরা কি শক্তির রহস্য খুঁজব?”
“ঠিক তাই,” ম্যাডাম বললেন। “আজ আমরা দেখব, আমাদের চারপাশে শক্তি কোথায় আছে, কীভাবে কাজ করে, কীভাবে এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয় এবং কীভাবে শক্তি সাশ্রয় করা যায়।”
তিনি বোর্ডে বড় করে লিখলেন—
শক্তির মহা অভিযান
প্রথম অভিযান: শক্তি খোঁজা
ম্যাডাম সবাইকে তিনটি দলে ভাগ করলেন।
প্রথম দলের সদস্য নুসরাত, আনিশা ও মেফতাহুল। তাদের কাজ হলো শ্রেণিকক্ষে শক্তির ব্যবহার খুঁজে বের করা।
দ্বিতীয় দলের সদস্য আবাবিল, সাফুয়ান ও আসাদুল্লাহ আল গালিব। তাদের কাজ হলো স্কুলের মাঠ ও করিডোরে শক্তির ব্যবহার খুঁজে দেখা।
তৃতীয় দলের সদস্য আবু তালহা ও মরিয়ম আক্তার। তাদের কাজ হলো শক্তি সাশ্রয়ের উপায় খুঁজে বের করা।
নুসরাত চারদিকে তাকিয়ে বলল, “ম্যাডাম, আমাদের শ্রেণিকক্ষে ফ্যান চলছে। এটি বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করছে।”
আনিশা বলল, “বাতিও জ্বলছে। বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে পরিবর্তিত হচ্ছে।”
মেফতাহুল টেবিলের ওপর রাখা কম্পিউটার দেখিয়ে বলল, “কম্পিউটারও বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করছে। বিদ্যুৎ শক্তি দিয়ে কম্পিউটার কাজ করছে এবং স্ক্রিনে আলো দেখা যাচ্ছে।”
ম্যাডাম বললেন, “খুব ভালো। মনে রেখো, বিদ্যুৎ শক্তি শুধু আলো তৈরি করে না। এটি যন্ত্র চালায়, শব্দ তৈরি করে, তাপ উৎপন্ন করে এবং নানা কাজ সম্পন্ন করে।”
এবার দ্বিতীয় দল মাঠ থেকে ফিরে এল।
আবাবিল বলল, “ম্যাডাম, মাঠে আমরা সূর্যের আলো ও তাপ পেয়েছি।”
সাফুয়ান বলল, “আমি দৌড়েছি। আমার শরীরের শক্তি ব্যবহার হয়েছে।”
আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল, “একটি ছেলে বল ছুড়ছিল। তার শরীরের শক্তি বলকে চলতে সাহায্য করেছে।”
ম্যাডাম বললেন, “চমৎকার। মানুষের শরীর খাদ্য থেকে শক্তি পায়। সেই শক্তি দিয়ে আমরা হাঁটি, দৌড়াই, খেলি, পড়াশোনা করি এবং কাজ করি।”
মরিয়ম আক্তার বলল, “তাহলে আমাদের শরীরও যেন একটি ছোট শক্তিকেন্দ্র!”
“একদম ঠিক,” ম্যাডাম বললেন। “তবে তোমাদের শক্তিকেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে লাগে খাবার।”
দ্বিতীয় অভিযান: শক্তির রূপান্তর
ম্যাডাম এবার টেবিলের ওপর কয়েকটি জিনিস রাখলেন—একটি টর্চ, একটি ছোট বৈদ্যুতিক বাতি, একটি ঘণ্টা, একটি খেলনা গাড়ি, একটি সৌর প্যানেলের মডেল এবং একটি খাবারের বাক্স।
তিনি টর্চটি জ্বালিয়ে বললেন, “এখানে কী ঘটছে?”
আনিশা বলল, “ব্যাটারির শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিবর্তিত হচ্ছে। তারপর বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে।”
ম্যাডাম বললেন, “খুব ভালো। ব্যাটারিতে সঞ্চিত শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে টর্চের বাতিকে জ্বালায়।”
এরপর তিনি ছোট বৈদ্যুতিক বাতিটি জ্বালালেন।
নুসরাত বলল, “বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে পরিবর্তিত হচ্ছে।”
মেফতাহুল বলল, “বাতি কিছুটা তাপও তৈরি করছে।”
“সঠিক,” ম্যাডাম বললেন। “অনেক যন্ত্রে শক্তি এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয়।”
তিনি ঘণ্টাটি বাজালেন।
টিং টিং টিং!
সাফুয়ান কান চেপে ধরে বলল, “ম্যাডাম, শব্দ শক্তি তো বেশ জোরালো!”
সবাই হেসে উঠল।
ম্যাডাম বললেন, “ঘণ্টায় কোনো বস্তু কাঁপে। সেই কম্পন থেকে শব্দ তৈরি হয়। তাই এখানে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে পরিবর্তিত হচ্ছে।”
এরপর তিনি খেলনা গাড়িটি ঠেলে দিলেন। গাড়িটি মেঝের ওপর দিয়ে এগিয়ে গেল।
আবু তালহা বলল, “আমাদের হাতের শক্তি গাড়িকে চলতে সাহায্য করল।”
“হ্যাঁ,” ম্যাডাম বললেন। “এখানে শরীরের শক্তি গাড়ির গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে।”
তৃতীয় অভিযান: সূর্যের শক্তি
ম্যাডাম সবাইকে স্কুলের ছাদে নিয়ে গেলেন। সেখানে একটি ছোট সৌর প্যানেল রাখা ছিল।
আকাশে তখন উজ্জ্বল সূর্য। সূর্যের আলো সৌর প্যানেলের ওপর পড়ছিল।
ম্যাডাম বললেন, “সূর্যকে আমরা শক্তির মহারাজা বলি কেন?”
আবাবিল হাত তুলে বলল, “সূর্য আমাদের আলো দেয়।”
মরিয়ম আক্তার বলল, “সূর্য তাপ দেয়।”
নুসরাত বলল, “উদ্ভিদ সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজেদের খাবার তৈরি করে।”
আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল, “সৌর প্যানেল সূর্যের আলো ব্যবহার করে বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে।”
ম্যাডাম বললেন, “ঠিক বলেছ। পৃথিবীর অনেক শক্তির মূল উৎস সূর্য। সূর্য ছাড়া পৃথিবীর জীবন কল্পনা করা কঠিন।”
সাফুয়ান আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল, “তাহলে সূর্য হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শক্তির বাতি!”
“বাতি, চুলা, শুকানোর যন্ত্র এবং জীবনের সহায়ক—সব একসঙ্গে,” ম্যাডাম বললেন। “তবে সূর্যের দিকে সরাসরি দীর্ঘ সময় তাকানো উচিত নয়। তীব্র রোদে ছায়ায় থাকতে হবে, পানি পান করতে হবে এবং প্রয়োজনে টুপি ব্যবহার করতে হবে।”
চতুর্থ অভিযান: খাবারই শরীরের জ্বালানি
ছাদ থেকে ফিরে সবাই আবার শ্রেণিকক্ষে এল। ম্যাডাম খাবারের বাক্সটি খুললেন। সেখানে ভাত, ডাল, ডিম, সবজি, ফল ও দুধের ছবি ছিল।
তিনি বললেন, “এগুলো কী?”
মেফতাহুল বলল, “খাবার।”
“খাবার আমাদের কী দেয়?”
সবাই একসঙ্গে বলল, “শক্তি!”
ম্যাডাম বললেন, “খাবার খাওয়ার পর আমাদের শরীর খাবার হজম করে। সেখান থেকে শরীর শক্তি পায়। সেই শক্তি দিয়ে আমরা হাঁটি, দৌড়াই, খেলি, পড়ি এবং কাজ করি।”
সাফুয়ান বলল, “আমি সকালে নাশতা না করলে খেলতে গিয়ে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ি।”
“কারণ তোমার শরীর পর্যাপ্ত শক্তি পায় না,” ম্যাডাম বললেন। “তাই নিয়মিত ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। ভাত, রুটি, ডাল, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, শাকসবজি ও ফল শরীরকে শক্তি ও পুষ্টি দেয়।”
মরিয়ম আক্তার বলল, “শুধু মিষ্টি খেলেই কি বেশি শক্তি পাওয়া যায়?”
ম্যাডাম বললেন, “মিষ্টি বা অতিরিক্ত চিনি সাময়িকভাবে শক্তি দিতে পারে, কিন্তু শরীর সুস্থ রাখতে সুষম খাবার দরকার। শুধু একটি ধরনের খাবার খেলে শরীর সব প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না।”
পঞ্চম অভিযান: জ্বালানির শক্তি
এরপর ম্যাডাম বোর্ডে লিখলেন—
জ্বালানি → শক্তি → কাজ
তিনি বললেন, “কাঠ, গ্যাস, তেল, কয়লা ইত্যাদি জ্বালানি থেকে আমরা শক্তি পেতে পারি।”
আনিশা বলল, “গ্যাসের চুলায় রান্না করলে জ্বালানি থেকে তাপ শক্তি পাওয়া যায়।”
নুসরাত বলল, “পেট্রোল ও ডিজেল গাড়ি চালাতে সাহায্য করে।”
আবু তালহা বলল, “কয়লা থেকেও শক্তি পাওয়া যায়।”
ম্যাডাম বললেন, “ঠিক। তবে জ্বালানি পোড়ানোর ফলে অনেক সময় ধোঁয়া ও ক্ষতিকর গ্যাস তৈরি হয়। তাই জ্বালানি অপচয় করা যাবে না এবং পরিবেশ রক্ষার কথা ভাবতে হবে।”
আবাবিল বলল, “বাতাস থেকেও কি শক্তি পাওয়া যায়?”
“অবশ্যই,” ম্যাডাম বললেন। “বাতাসের শক্তি দিয়ে পাখা ঘোরানো যায়, নৌকা চালানো যায় এবং বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা যায়।”
সাফুয়ান বলল, “তাহলে বাতাসও লুকিয়ে থাকা শক্তির বাক্স!”
ম্যাডাম বললেন, “তোমাদের কল্পনা বেশ শক্তিশালী!”
ষষ্ঠ অভিযান: শক্তি সাশ্রয় প্রতিযোগিতা
এবার ম্যাডাম বললেন, “শেষ অভিযানে তোমাদের কাজ হলো শক্তি সাশ্রয়ের উপায় খুঁজে বের করা।”
আবু তালহা বলল, “প্রয়োজন না হলে বাতি বন্ধ করতে হবে।”
মরিয়ম আক্তার বলল, “কেউ শ্রেণিকক্ষে না থাকলে ফ্যান বন্ধ করতে হবে।”
নুসরাত বলল, “দিনের বেলা সূর্যের আলো ব্যবহার করা যায়।”
আনিশা বলল, “মোবাইল বা কম্পিউটারের চার্জার ব্যবহার শেষে খুলে রাখতে হবে।”
মেফতাহুল বলল, “গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রেখে অন্য কাজে যাওয়া যাবে না।”
আবাবিল বলল, “অল্প দূরত্বে হাঁটা বা সাইকেল চালানো যায়।”
আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল, “পানির পাম্প অপ্রয়োজনে চালু রাখা যাবে না। পানি অপচয় করলে পানি তুলতে আরও শক্তি লাগে।”
ম্যাডাম খুশি হয়ে বললেন, “তোমরা সবাই খুব ভালোভাবে শিখেছ। শক্তি সাশ্রয় মানে শুধু বিদ্যুৎ বাঁচানো নয়। শক্তি বাঁচানো মানে অর্থ বাঁচানো, জ্বালানি বাঁচানো এবং পরিবেশ রক্ষা করা।”
শক্তির মহা শপথ
ম্যাডাম সবাইকে দাঁড়াতে বললেন। তারপর বললেন, “আজ আমরা একটি শক্তির শপথ নেব।”
সবাই হাত তুলল।
নুসরাত পড়ল, “আমরা প্রয়োজন ছাড়া বাতি, ফ্যান ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালু রাখব না।”
আনিশা বলল, “আমরা আগুন, গ্যাস, পেট্রোল ও বিদ্যুতের কাছে অসতর্ক আচরণ করব না।”
মেফতাহুল বলল, “আমরা খাবার অপচয় করব না, কারণ খাবার থেকেই আমাদের শরীর শক্তি পায়।”
আবাবিল বলল, “আমরা সূর্য, বাতাস ও পানির মতো প্রাকৃতিক শক্তির গুরুত্ব বুঝব।”
সাফুয়ান বলল, “আমরা শক্তি ব্যবহার করব বুদ্ধি দিয়ে, অপচয় করব না।”
আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল, “আমরা অন্যদেরও শক্তি সাশ্রয় করতে উৎসাহিত করব।”
আবু তালহা বলল, “আমরা পরিবেশ পরিষ্কার রাখব এবং ধোঁয়া কমানোর চেষ্টা করব।”
মরিয়ম আক্তার বলল, “আমরা মনে রাখব—শক্তি আমাদের বন্ধু, কিন্তু অসতর্ক ব্যবহার বিপদ ডেকে আনতে পারে।”
সবাই একসঙ্গে বলল, “আমরা শক্তির সঠিক ব্যবহার করব!”
ম্যাডাম বললেন, “আজকের অভিযান এখানেই শেষ। কিন্তু শক্তির অভিযান আসলে প্রতিদিনের। তোমরা যখন বাতি বন্ধ করবে, খাবার খাবে, সূর্যের আলো ব্যবহার করবে, গাড়িতে জ্বালানি ব্যবহার করবে কিংবা শব্দ তৈরি করবে—তখনই শক্তির গল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।”
সাফুয়ান বলল, “ম্যাডাম, আজ থেকে আমি নিজেকে শক্তি গোয়েন্দা ভাবব!”
আবু তালহা বলল, “তাহলে তোমার প্রথম তদন্ত হবে—কে ফ্যান বন্ধ না করে ক্লাস থেকে বের হয়েছে?”
সাফুয়ান সঙ্গে সঙ্গে বলল, “আমি তদন্ত করব, তবে অভিযুক্ত যদি আমি নিজেই হই, তাহলে?”
সবাই হেসে উঠল।
ফারজানা মরিয়ম ম্যাডামও হাসলেন। তারপর বোর্ডে শেষবারের মতো লিখলেন—
শক্তি ছাড়া কাজ হয় না। শক্তির সঠিক ব্যবহার ছাড়া সুন্দর ভবিষ্যৎও হয় না।
শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারল, শক্তি শুধু বইয়ের একটি অধ্যায় নয়। শক্তি আছে সূর্যের আলোতে, বাতাসে, খাবারে, জ্বালানিতে, বিদ্যুতে, তাপে, শব্দে এবং মানুষের পরিশ্রমে। শক্তি আমাদের জীবনকে সচল রাখে। তাই শক্তিকে সম্মান করা, নিরাপদে ব্যবহার করা এবং অপচয় না করাই হলো প্রকৃত জ্ঞান।
অধ্যায়ের মূল শিক্ষা
- শক্তি হলো কাজ করার সামর্থ্য।
- শক্তির বিভিন্ন রূপ হলো আলোক শক্তি, বিদ্যুৎ শক্তি, তাপ শক্তি ও শব্দ শক্তি।
- সূর্য পৃথিবীর শক্তির প্রধান উৎস।
- খাবার থেকে মানুষ শরীরের শক্তি পায়।
- কাঠ, গ্যাস, তেল ও কয়লা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- শক্তি এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হতে পারে।
- বিদ্যুৎ, আগুন, গ্যাস ও জ্বালানি ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হয়।
- শক্তি সাশ্রয় করলে অর্থ, জ্বালানি ও পরিবেশ—সবই রক্ষা করা যায়।
বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১. শক্তি কী?
ক. কোনো কাজ করার সামর্থ্য
খ. শুধু আলো
গ. শুধু শব্দ
ঘ. শুধু তাপ
২. সূর্য আমাদের কী দেয়?
ক. আলো ও তাপ
খ. শুধু শব্দ
গ. শুধু পানি
ঘ. শুধু বাতাস
৩. টর্চের ব্যাটারির শক্তি শেষ পর্যন্ত কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
ক. আলোক শক্তি
খ. খাদ্য শক্তি
গ. শব্দ শক্তি
ঘ. বায়ু শক্তি
৪. মানুষের শরীর কোন উৎস থেকে শক্তি পায়?
ক. খাবার
খ. পাথর
গ. কাগজ
ঘ. মাটি
৫. গ্যাসের চুলায় জ্বালানি থেকে প্রধানত কোন শক্তি পাওয়া যায়?
ক. তাপ শক্তি
খ. শব্দ শক্তি
গ. আলোক শক্তি
ঘ. চৌম্বক শক্তি
৬. ঘণ্টা বাজালে কোন শক্তি তৈরি হয়?
ক. শব্দ শক্তি
খ. খাদ্য শক্তি
গ. সৌর শক্তি
ঘ. রাসায়নিক শক্তি
৭. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সঠিক উপায় কোনটি?
ক. প্রয়োজন না হলেও ফ্যান চালু রাখা
খ. ঘর ছাড়ার সময় বাতি বন্ধ করা
গ. চার্জার সারাদিন লাগিয়ে রাখা
ঘ. দিনের বেলা সব বাতি জ্বালানো
৮. বাতাসের শক্তি কী কাজে ব্যবহার করা যায়?
ক. নৌকা চালানো ও বিদ্যুৎ উৎপাদন
খ. খাবার খাওয়া
গ. বই লেখা
ঘ. পানি পান করা
৯. জ্বালানি পোড়ালে কী হতে পারে?
ক. তাপ ও ধোঁয়া উৎপন্ন হতে পারে
খ. সব সময় বরফ তৈরি হয়
গ. কোনো শক্তি পাওয়া যায় না
ঘ. আলো সব সময় বন্ধ হয়ে যায়
১০. শক্তির সঠিক ব্যবহার কেন জরুরি?
ক. শক্তি অপচয় ও পরিবেশের ক্ষতি কমাতে
খ. সব যন্ত্র সারাদিন চালাতে
গ. বেশি ধোঁয়া তৈরি করতে
ঘ. খাবার নষ্ট করতে
উত্তরমালা
১. ক
২. ক
৩. ক
৪. ক
৫. ক
৬. ক
৭. খ
৮. ক
৯. ক
১০. ক