শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
মজার সাথে শিক্ষা - ক্লাস ৩

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: চোখ, কান, নাক আর মুখের গল্প

আশরাফ উল আসাদ • 07 সেপ্টেম্বর 2026, 09:57 সকাল • 127 বার পঠিত
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: চোখ, কান, নাক আর মুখের গল্প

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ২: প্রাণী পরিচিতি


অধ্যায় ২: চোখ, কান, নাক আর মুখের গল্প


সেদিন তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান ক্লাস শুরু হওয়ার আগেই শ্রেণিকক্ষে বেশ হৈচৈ।


মেফতাহুল জান্নাত তার বন্ধুবান্ধবকে বলছিল,


“আজ আমি একটা গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেছি!”


নুসরাত জাহান অবাক হয়ে বলল,


“কী আবিষ্কার?”


মেফতাহুল নিজের চোখ দেখিয়ে বলল,


“আমার চোখ দিয়ে আমি দেখতে পাই!”


আনিশা মারজান হেসে বলল,


“এটা তো সবাই জানে!”


মেফতাহুল গম্ভীর হয়ে বলল,


“কিন্তু আমি এখন বিজ্ঞানী হয়ে সেটা আবিষ্কার করেছি।”


ঠিক তখনই দরজা দিয়ে ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম ঢুকলেন।


তিনি সব শুনে মুচকি হাসলেন।


“তাহলে আজ আমরা মেফতাহুলের আবিষ্কার থেকেই বিজ্ঞান শুরু করব।”


মেফতাহুল খুশি হয়ে নিজের আসনে বসল।


ফারজানা মরিয়ম বোর্ডে লিখলেন—


চোখ, কান, নাক, মুখ, পা, ডানা ও পাখনা


তিনি বললেন,


“আজ আমরা জানব, প্রাণীর দেহের বিভিন্ন অঙ্গ কীভাবে তাদের বেঁচে থাকা ও চলাফেরায় সাহায্য করে।”


চোখের রহস্য


ম্যাডাম প্রথমে একটি চোখের ছবি আঁকলেন।


“বল তো, এটি কী?”


সবাই বলল,


“চোখ!”


“চোখের কাজ কী?”


নুসরাত বলল,


“দেখা।”


“কী দেখা?”


আবাবিল আল আলিফ বলল,


“আমাদের চারপাশের জিনিস।”


ম্যাডাম বললেন,


“ঠিক। চোখের সাহায্যে আমরা চারপাশের বস্তু ও পরিবেশ দেখতে পারি। অনেক প্রাণীরও চোখ রয়েছে, যা তাদের পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য পেতে সাহায্য করে।”


তিনি জানালার বাইরে দেখালেন।


“ওই গাছের ডালে কী বসে আছে?”


সবাই তাকাল।


“একটা দোয়েল!”


ম্যাডাম বললেন,


“তোমরা চোখ দিয়ে সেটি দেখতে পাচ্ছ।”


প্রাণীদের চোখও কি একই?


আনিশা হাত তুলল।


“ম্যাডাম, সব প্রাণীর চোখ কি আমাদের মতো?”


“না। প্রাণীদের চোখের গঠন ও দেখার ক্ষমতায় অনেক পার্থক্য থাকতে পারে।”


সাফুয়ান বলল,


“পেঁচার চোখ কেমন?”


“পেঁচার চোখ তার জীবনযাপনের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। অনেক পাখির চোখও তাদের পরিবেশ অনুযায়ী বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বহন করে।”


মরিয়ম আক্তার বলল,


“তাহলে প্রাণীর শরীরের অঙ্গ তার জীবনযাপনের সঙ্গে সম্পর্কিত?”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“একদম ঠিক।”


কান দিয়ে শব্দের সন্ধান


এবার ম্যাডাম বোর্ডে একটি কান আঁকলেন।


“এটি কী?”


“কান!”


“কানের কাজ?”


“শোনা!”


ম্যাডাম বললেন,


“প্রাণীরা বিভিন্ন শব্দ শুনতে পারে। শব্দ তাদের আশপাশ সম্পর্কে তথ্য পেতে সাহায্য করে।”


হঠাৎ বাইরে—


কাক কা কা কা!


সবাই জানালার দিকে তাকাল।


মেফতাহুল বলল,


“ম্যাডাম, কাক আমাদের বিজ্ঞান ক্লাসে যোগ দিতে চাইছে!”


সবাই হেসে উঠল।


ম্যাডাম বললেন,


“হতে পারে! তবে কাকের ডাকও তার যোগাযোগের একটি উপায়।”


আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল,


“প্রাণীরা কি একে অন্যের সঙ্গে শব্দ করে যোগাযোগ করে?”


“হ্যাঁ। অনেক প্রাণী শব্দের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে সংকেত বা যোগাযোগ করে।”


কান বন্ধ করে পরীক্ষা


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“এবার একটা ছোট পরীক্ষা করি।”


তিনি সবাইকে দুই হাত দিয়ে কান ঢেকে রাখতে বললেন।


“এখন তোমরা আমার কথা শুনতে চেষ্টা করো।”


সবাই চেষ্টা করল।


“কী শুনতে পাচ্ছ?”


আবু তালহা বলল,


“খুব কম!”


ম্যাডাম বললেন,


“কান আমাদের শব্দ শুনতে সাহায্য করে। শব্দ শোনার ক্ষমতা প্রাণীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।”


নাকের গন্ধের রহস্য


এরপর ম্যাডাম ব্যাগ থেকে দুটি ছোট পাত্র বের করলেন।


একটিতে ছিল একটি লেবু।


অন্যটিতে ছিল একটি ফুল।


তিনি পাত্র দুটি খুলে বললেন,


“কেউ দেখবে না। শুধু গন্ধ শুঁকে বলবে কী আছে।”


প্রথমে নুসরাত চোখ বন্ধ করল।


সে গন্ধ নিয়ে বলল,


“লেবু!”


“সঠিক।”


এরপর আনিশা ফুলের গন্ধ নিয়ে বলল,


“ফুল!”


ম্যাডাম বললেন,


“আমরা নাকের সাহায্যে বিভিন্ন গন্ধ অনুভব করি।”


প্রাণীদের ঘ্রাণশক্তি


আসাদুল্লাহ বলল,


“ম্যাডাম, কুকুর কি অনেক ভালো গন্ধ পায়?”


“হ্যাঁ। কুকুরের ঘ্রাণশক্তি খুব উন্নত।”


“তাহলে তারা গন্ধ দিয়ে অনেক কিছু খুঁজে পেতে পারে?”


“হ্যাঁ। বিভিন্ন প্রাণী তাদের ঘ্রাণশক্তি ব্যবহার করে খাবার খুঁজতে, পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য পেতে বা অন্য প্রাণীর উপস্থিতি শনাক্ত করতে পারে।”


মেফতাহুল বলল,


“আমার নাকও তাহলে গোয়েন্দা!”


ম্যাডাম বললেন,


“তুমি চাইলে আজ থেকে তোমার নাককে ‘সহকারী গোয়েন্দা’ বলতে পারো।”


মুখের কাজ


এবার বোর্ডে মুখ আঁকলেন ফারজানা মরিয়ম।


“মুখের কাজ কী?”


“খাবার খাওয়া!”


“ঠিক।”


তিনি বললেন,


“প্রাণীরা খাদ্য গ্রহণের জন্য মুখ ব্যবহার করে। তবে সব প্রাণীর খাদ্য এক রকম নয়।”


তিনি কয়েকটি ছবি দেখালেন।


গরু।


বাঘ।


খরগোশ।


পাখি।


মাছ।


“কে কী খায়?”


নুসরাত বলল,


“গরু ঘাস খায়।”


আনিশা বলল,


“বাঘ মাংস খায়।”


আবাবিল বলল,


“খরগোশ ঘাস ও বিভিন্ন উদ্ভিদজাত খাবার খেতে পারে।”


সাফুয়ান বলল,


“অনেক পাখি বীজ, ফল বা পোকামাকড় খেতে পারে।”


ম্যাডাম বললেন,


“খুব ভালো। প্রাণীদের খাদ্য গ্রহণের ধরনও তাদের দেহের গঠন ও জীবনযাপনের সঙ্গে সম্পর্কিত।”


দাঁতের গল্প


ম্যাডাম বাঘ ও গরুর ছবি পাশাপাশি রাখলেন।


“দুজনের মুখ আছে। কিন্তু তাদের দাঁত কি একই রকম?”


সবাই ভালো করে ছবি দেখল।


আনিশা বলল,


“না।”


“কেন?”


“তাদের খাবার আলাদা।”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“খাদ্যের ধরন অনুযায়ী প্রাণীর মুখ ও দাঁতের গঠনে পার্থক্য থাকতে পারে।”


মেফতাহুল বলল,


“তাহলে বাঘকে ঘাস খেতে দিলে?”


আসাদুল্লাহ হেসে বলল,


“বাঘ নিশ্চয়ই তোমার ওপর খুব বিরক্ত হবে!”


পা—চলার শক্তি


ম্যাডাম এবার একটি গরুর ছবি দেখালেন।


“গরু কীভাবে চলে?”


“পা দিয়ে।”


“মানুষ?”


“পা দিয়ে।”


“হাতি?”


“পা দিয়ে।”


তিনি বললেন,


“অনেক স্থলচর প্রাণী পায়ের সাহায্যে হাঁটে, দৌড়ায় বা লাফায়।”


মরিয়ম বলল,


“ব্যাঙও পা দিয়ে লাফায়।”


“ঠিক।”


সাফুয়ান বলল,


“খরগোশও লাফায়।”


“ঠিক।”


সবার চলার পদ্ধতি এক নয়


ফারজানা মরিয়ম বোর্ডে লিখলেন—


হাঁটা — দৌড়ানো — লাফানো — সাঁতার — উড়ে চলা


তিনি বললেন,


“সব প্রাণী একইভাবে চলে?”


“না!”


“তাহলে কেন?”


আবাবিল বলল,


“তাদের দেহের গঠন আলাদা।”


“ঠিক।”


মাছের পাখনা


ম্যাডাম সবাইকে স্কুলের পুকুরের দিকে নিয়ে গেলেন।


পানির ভেতর কয়েকটি মাছ সাঁতার কাটছিল।


“মাছ কীভাবে চলে?”


“পাখনার সাহায্যে!”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“মাছের পাখনা সাঁতার কাটা ও দিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”


মেফতাহুল বলল,


“মাছের যদি পা থাকত?”


সাফুয়ান বলল,


“তাহলে হয়তো মাছ হাঁটতে যেত!”


ম্যাডাম বললেন,


“প্রকৃতিতে প্রাণীদের দেহ তাদের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে গড়ে উঠেছে। মাছ পানিতে চলার জন্য পাখনার ব্যবহার করে।”


পাখির ডানা


ঠিক তখনই আকাশ দিয়ে একটি পাখি উড়ে গেল।


নুসরাত বলল,


“পাখির ডানা আছে!”


ম্যাডাম বললেন,


“হ্যাঁ। পাখির ডানা উড্ডয়নে সাহায্য করে।”


আনিশা জিজ্ঞেস করল,


“সব পাখি কি উড়তে পারে?”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“বেশিরভাগ পাখি উড়তে পারে, তবে সব পাখির উড়ার ক্ষমতা একই নয়। কিছু পাখি উড়তে পারে না।”


আবু তালহা বলল,


“যেমন উটপাখি?”


“ঠিক।”


ব্যাঙের লাফ


পুকুরের পাড়ে হঠাৎ একটি ব্যাঙ লাফ দিল।


ছপাৎ!


সবাই চমকে উঠল।


মেফতাহুল বলল,


“ব্যাঙ আমাদের না জানিয়েই পরীক্ষা শুরু করে দিল!”


ফারজানা মরিয়ম হাসলেন।


“ব্যাঙের শক্তিশালী পেছনের পা তাকে লাফাতে সাহায্য করে।”


মরিয়ম বলল,


“ব্যাঙ তো জলেও থাকে, আবার ডাঙাতেও থাকে।”


“হ্যাঁ। এ কারণেই পরে আমরা উভচর প্রাণী সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।”


দেহের অঙ্গগুলো একসঙ্গে কাজ করে


শ্রেণিকক্ষে ফিরে ম্যাডাম বোর্ডে একটি প্রাণীর ছবি আঁকলেন।


তারপর একে একে চিহ্ন দিলেন—


চোখ

কান

নাক

মুখ

পা

ডানা

পাখনা


তিনি বললেন,


“প্রাণীর দেহের প্রতিটি অঙ্গের নির্দিষ্ট কাজ রয়েছে।”


“চোখ—দেখতে সাহায্য করে।”


“কান—শুনতে সাহায্য করে।”


“নাক—ঘ্রাণ নিতে সাহায্য করে।”


“মুখ—খাদ্য গ্রহণে সাহায্য করে।”


“পা—চলাফেরায় সাহায্য করে।”


“ডানা—অনেক পাখিকে উড়তে সাহায্য করে।”


“পাখনা—মাছকে সাঁতার কাটতে সাহায্য করে।”


আসাদুল্লাহ বলল,


“সব অঙ্গ যেন একটা দলের সদস্য!”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“খুব সুন্দর বলেছ। দেহের বিভিন্ন অংশ পরস্পরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রাণীকে তার পরিবেশে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।”


একটি মজার খেলা


ম্যাডাম বললেন,


“এবার আমরা একটি খেলা খেলব। আমি একটি প্রাণীর নাম বলব, আর তোমরা বলবে তার কোন অঙ্গটি বিশেষভাবে চলাফেরায় সাহায্য করে।”


“মাছ!”


সবাই বলল,


“পাখনা!”


“পাখি!”


“ডানা!”


“গরু!”


“পা!”


“ব্যাঙ!”


“পা!”


“প্রজাপতি!”


“ডানা!”


“শামুক!”


কিছুক্ষণ সবাই চুপ।


মেফতাহুল বলল,


“শামুক... হেলিকপ্টার?”


সবাই হেসে উঠল।


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“না, শামুক তার পেশিবহুল পায়ের সাহায্যে ধীরে ধীরে চলে।”


মেফতাহুল বলল,


“তাহলে শামুক হলো ধীরগতির বিজ্ঞানী!”


প্রাণী পর্যবেক্ষণ নোটবুক


ম্যাডাম সবাইকে একটি করে ছোট নোটবুক দিলেন।


“আজ থেকে তোমরা ‘প্রাণী পর্যবেক্ষণ নোটবুক’ রাখবে।”


নুসরাত লিখল—


প্রাণী: দোয়েল

চলন: উড়ে ও হাঁটে

বিশেষ অঙ্গ: ডানা ও পা


আবাবিল লিখল—


প্রাণী: মাছ

বাসস্থান: পানি

চলন: সাঁতার

বিশেষ অঙ্গ: পাখনা


মরিয়ম লিখল—


প্রাণী: গরু

চলন: হাঁটা

খাদ্য: উদ্ভিদজাত খাবার


আসাদুল্লাহ লিখল—


প্রাণী: কুকুর

বিশেষ ক্ষমতা: ঘ্রাণশক্তি উন্নত


ফারজানা মরিয়ম সবাইকে বললেন,


“প্রকৃত বিজ্ঞানী চারপাশের জগতকে পর্যবেক্ষণ করে। তোমরাও এখন থেকে প্রাণীদের শুধু দেখবে না—তাদের সম্পর্কে প্রশ্ন করবে এবং তথ্য লিখে রাখবে।”


নতুন প্রশ্ন


ক্লাস শেষ হওয়ার আগে নুসরাত হাত তুলল।


“ম্যাডাম, আজ আমরা প্রাণীর বাইরের অঙ্গ সম্পর্কে জানলাম। কিন্তু প্রাণীর দেহের ভেতরে কী আছে?”


আনিশা বলল,


“হাড়?”


আবু তালহা বলল,


“হৃদপিণ্ড?”


মেফতাহুল বলল,


“আমার মনে হয় ভেতরে একটা ছোট্ট বিজ্ঞানী আছে!”


সবাই হেসে উঠল।


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“ভেতরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ রয়েছে। আর প্রাণীদের দেহের ভেতরের কাঠামোর মধ্যে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—মেরুদণ্ড।”


সবাই চুপ হয়ে গেল।


ম্যাডাম বোর্ডে লিখলেন—


মেরুদণ্ড আছে কি?


তিনি বললেন,


“পরের অধ্যায়ে আমরা খুঁজে বের করব—কেন কিছু প্রাণীর দেহে মেরুদণ্ড আছে, আর কিছু প্রাণীর নেই।”


মেফতাহুল বলল,


“তাহলে পরের রহস্য আরও বড়!”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“বিজ্ঞানের রহস্য যত গভীরে যাবে, অভিযানও তত আকর্ষণীয় হবে।”


জানালার বাইরে তখন একটি পাখি ডানা মেলে উড়ে গেল।


পুকুরে মাছ সাঁতার কাটল।


ঘাসের ওপর একটি পিঁপড়া এগিয়ে চলল।


আর তৃতীয় শ্রেণির ছোট্ট বিজ্ঞানীরা অপেক্ষা করতে লাগল পরের রহস্যের জন্য।


চলবে...


📝 অধ্যায় ২: MCQ


১. প্রাণী কোন অঙ্গের সাহায্যে দেখতে পারে?

ক) কান

খ) চোখ

গ) নাক

ঘ) মুখ


২. নাকের প্রধান কাজ কী?

ক) শোনা

খ) দেখা

গ) ঘ্রাণ নেওয়া

ঘ) হাঁটা


৩. মাছ চলাফেরার জন্য কোন অঙ্গ ব্যবহার করে?

ক) ডানা

খ) পা

গ) পাখনা

ঘ) কান


৪. পাখির উড্ডয়নে কোন অঙ্গ সাহায্য করে?

ক) ডানা

খ) নাক

গ) মুখ

ঘ) কান


৫. প্রাণীর দেহের বিভিন্ন অঙ্গ—

ক) কোনো কাজ করে না

খ) একই কাজ করে

গ) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সাহায্য করে

ঘ) শুধু দেখতে সুন্দর


উত্তরমালা:

১. খ | ২. গ | ৩. গ | ৪. ক | ৫. গ


লেখক: আশরাফ উল আসাদ

#শিক্ষার্থীদের পাতা #শিক্ষা