তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: আমাদের চারপাশে পদার্থের খোঁজে
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ৪: পদার্থ
অধ্যায় ৮: আমাদের চারপাশে পদার্থের খোঁজে
লেখক: আশরাফ উল আসাদ
সেদিন বিজ্ঞান ক্লাসে ঢুকেই নুসরাত জাহান বুঝতে পারল, আজকের ক্লাসটি অন্য দিনের মতো নয়।
ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম শ্রেণিকক্ষের এক পাশে বড় একটি ঝুড়ি রেখেছেন।
ঝুড়ির ভেতরে ছিল বই, পেন্সিল, রাবার, পাথর, প্লাস্টিকের বোতল, পানিভর্তি গ্লাস, একটি চামচ, একটি বেলুন এবং আরও অনেক ছোট ছোট জিনিস।
আনিশা মারজান অবাক হয়ে বলল, “ম্যাডাম, আজ কি আমাদের বাজারে পাঠানো হবে?”
ম্যাডাম হেসে বললেন, “বাজারে নয়, আজ আমরা আমাদের শ্রেণিকক্ষেই বিজ্ঞানীদের মতো অনুসন্ধান করব।”
মেফতাহুল জান্নাত ঝুড়ির দিকে তাকিয়ে বলল, “এত জিনিস দেখে মনে হচ্ছে আজ টিফিনের বদলে বিজ্ঞান খাব!”
সবাই হেসে উঠল।
আবাবিল আল আলিফ বলল, “বিজ্ঞান খাওয়া যায় না।”
মেফতাহুল বলল, “কিন্তু বিজ্ঞান দিয়ে জ্ঞান খাওয়া যায়!”
ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম বললেন, “ঠিক আছে, আজ তোমরা জ্ঞানই খাবে।”
সবাই হাসতে হাসতে নিজেদের জায়গায় বসে পড়ল।
বিজ্ঞান অনুসন্ধানের ঘোষণা
ম্যাডাম বোর্ডে লিখলেন—
“আমাদের চারপাশের পদার্থ”
তিনি বললেন, “এতদিন আমরা পদার্থের বৈশিষ্ট্য ও তিনটি অবস্থা সম্পর্কে শিখেছি।”
“আজ তোমরা নিজেরাই অনুসন্ধান করে দেখবে, আমাদের চারপাশে কোথায় কোথায় কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থ রয়েছে।”
নুসরাত বলল, “মানে আজ আমাদের গোয়েন্দা হতে হবে?”
“বিজ্ঞানী-গোয়েন্দা,” বললেন ম্যাডাম।
মেফতাহুল সঙ্গে সঙ্গে বলল, “আমি প্রধান গোয়েন্দা!”
আনিশা বলল, “তাহলে তুমি সবচেয়ে বেশি ভুল উত্তরও দেবে!”
আবারও হাসির রোল পড়ল।
প্রথম রহস্য: বই
ম্যাডাম ঝুড়ি থেকে একটি বই বের করলেন।
“এটি কোন অবস্থার পদার্থ?”
সবাই বলল, “কঠিন!”
“কেন?”
আবু তালহা বলল, “এর নির্দিষ্ট আকার আছে।”
আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল, “এর নির্দিষ্ট আয়তনও আছে।”
ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”
তিনি বইটি একটি ব্যাগে রাখলেন।
“ব্যাগে রাখার পর বইয়ের আকার কি ব্যাগের মতো হয়ে গেল?”
সবাই বলল, “না।”
ম্যাডাম বললেন, “তাই বই একটি কঠিন পদার্থ।”
দ্বিতীয় রহস্য: পাথর
ম্যাডাম একটি ছোট পাথর বের করলেন।
“এটি কী?”
সাফুয়ান বলল, “পাথর।”
“এটি কোন অবস্থার?”
“কঠিন।”
ম্যাডাম পাথরটি একটি গ্লাসে রাখলেন।
পাথরের আকার বদলাল না।
তারপর তিনি সেটি একটি ছোট বাক্সে রাখলেন।
তবুও পাথরের আকার একই রইল।
মরিয়ম আক্তার বলল, “পাথর পাত্রের আকার ধারণ করছে না।”
ম্যাডাম বললেন, “এই কারণেই এটি কঠিন পদার্থের একটি ভালো উদাহরণ।”
তৃতীয় রহস্য: পানি
এবার ম্যাডাম একটি গ্লাসে পানি ঢাললেন।
“পানি কোন অবস্থার?”
“তরল!”
তিনি পানি গ্লাস থেকে একটি বাটিতে ঢাললেন।
“এখন পানির আকার কী?”
নুসরাত বলল, “বাটির মতো।”
ম্যাডাম আবার পানি একটি বোতলে ঢাললেন।
“এবার?”
আনিশা বলল, “বোতলের ভেতরের আকৃতি নিয়েছে।”
ম্যাডাম বললেন, “তরল পদার্থের নিজস্ব নির্দিষ্ট আকৃতি নেই।”
“তবে এর নির্দিষ্ট আয়তন থাকতে পারে।”
চতুর্থ রহস্য: দুধ
ম্যাডাম এবার একটি দুধের প্যাকেটের ছবি দেখালেন।
“দুধ কোন অবস্থার পদার্থ?”
মরিয়ম বলল, “তরল।”
“দুধ কি নিজের নির্দিষ্ট আকার ধরে রাখে?”
“না।”
“দুধ যে পাত্রে থাকে, সেই পাত্রের আকৃতি ধারণ করে।”
ম্যাডাম বললেন, “তাই দুধও তরল পদার্থ।”
পঞ্চম রহস্য: তেল
ম্যাডাম তেলের একটি বোতল দেখালেন।
“এটি কী?”
আবাবিল বলল, “তেল।”
“তেল কি কঠিন?”
“না।”
“তরল?”
“হ্যাঁ।”
ম্যাডাম বললেন, “তেলও তরল পদার্থের উদাহরণ।”
সাফুয়ান বলল, “পানি আর তেল দেখতে আলাদা হলেও দুটিই তরল।”
“খুব ভালো,” বললেন ম্যাডাম।
“পদার্থের রং বা চেহারা দেখে নয়, তার বৈশিষ্ট্য দেখে তার অবস্থা বোঝা উচিত।”
ষষ্ঠ রহস্য: বাতাস
ম্যাডাম এবার একটি খালি গ্লাস তুলে ধরলেন।
“এতে কী আছে?”
মেফতাহুল বলল, “কিছুই নেই!”
ম্যাডাম হাসলেন।
“সত্যিই কি কিছু নেই?”
আবাবিল বলল, “বাতাস আছে!”
ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”
তিনি গ্লাসটি উল্টো করে পানির মধ্যে ঢুকিয়ে দেখালেন যে পানি সহজে গ্লাসের ভেতর ঢুকতে পারছে না।
তারপর গ্লাসটি একটু কাত করতেই বুদবুদ বের হতে লাগল এবং পানি ঢুকল।
নুসরাত বলল, “বাতাস গ্লাসের ভেতরের জায়গা দখল করে রেখেছিল!”
ম্যাডাম বললেন, “এটাই প্রমাণ করে যে বাতাসও পদার্থ এবং এটি জায়গা দখল করে।”
বাতাসের অদৃশ্য শক্তি
ম্যাডাম একটি বেলুন নিলেন।
তিনি সেটিতে বাতাস ঢুকিয়ে দিলেন।
বেলুনটি ফুলে উঠল।
“কী হলো?”
আসাদুল্লাহ বলল, “বেলুনের ভেতরে বাতাস ঢুকেছে।”
“বাতাস কি জায়গা দখল করছে?”
“হ্যাঁ।”
ম্যাডাম বললেন, “যদিও বাতাসকে সাধারণত দেখা যায় না, তার উপস্থিতি আমরা বিভিন্নভাবে বুঝতে পারি।”
মেফতাহুলের বেলুন অভিযান
মেফতাহুল বলল, “ম্যাডাম, আমি কি বেলুনটা একটু চাপ দিতে পারি?”
“হ্যাঁ, তবে সাবধানে।”
মেফতাহুল বেলুনটি চেপে ধরল।
বেলুনের আকৃতি পরিবর্তিত হলো।
ম্যাডাম বললেন, “বেলুনের ভেতরের বাতাস এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরে যাচ্ছে।”
মেফতাহুল বলল, “তাহলে বাতাসও নড়াচড়া করতে পারে!”
“হ্যাঁ,” বললেন ম্যাডাম।
“গ্যাসীয় পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং পাত্রের ভেতরের জায়গা পূরণ করতে পারে।”
শ্রেণিকক্ষের পদার্থ অভিযান
ম্যাডাম সবাইকে চারটি দলে ভাগ করলেন।
প্রত্যেক দলকে একটি করে কাজ দেওয়া হলো।
“তোমরা শ্রেণিকক্ষ থেকে যত বেশি সম্ভব পদার্থ খুঁজে বের করবে এবং তাদের কঠিন, তরল ও বায়বীয়—এই তিন ভাগে সাজাবে।”
সবাই কাজে লেগে গেল।
নুসরাত বলল, “চেয়ার—কঠিন।”
আনিশা বলল, “পানি—তরল।”
আবাবিল বলল, “বাতাস—বায়বীয়।”
সাফুয়ান বলল, “পেন্সিল—কঠিন।”
মরিয়ম বলল, “কালির তরল অংশ—তরল।”
আবু তালহা বলল, “রাবার—কঠিন।”
আসাদুল্লাহ বলল, “বেলুনের ভেতরের বাতাস—বায়বীয়।”
ম্যাডাম বললেন, “চমৎকার অনুসন্ধান!”
পদার্থের বৈশিষ্ট্য পরীক্ষা
ম্যাডাম বললেন, “এবার শুধু নাম বললেই হবে না। প্রতিটি পদার্থের একটি বৈশিষ্ট্য বলবে।”
নুসরাত বলল, “বই কঠিন এবং নিজের আকার ধরে রাখে।”
আনিশা বলল, “পানি তরল এবং পাত্রের আকৃতি ধারণ করে।”
আবাবিল বলল, “বাতাস গ্যাসীয় এবং ছড়িয়ে পড়তে পারে।”
ম্যাডাম বললেন, “এবার তোমরা শুধু মুখস্থ করছ না, কারণসহ উত্তর দিচ্ছ।”
তিনটি বাক্সের খেলা
ম্যাডাম তিনটি বাক্সের গায়ে লিখলেন—
কঠিন
তরল
বায়বীয়
তিনি ঝুড়ি থেকে বিভিন্ন বস্তুর ছবি বের করতে লাগলেন।
প্রথম ছবিতে ছিল একটি পাথর।
নুসরাত সেটি কঠিন বাক্সে রাখল।
দ্বিতীয় ছবিতে ছিল দুধ।
আনিশা সেটি তরল বাক্সে রাখল।
তৃতীয় ছবিতে ছিল বাতাসভর্তি বেলুন।
আবাবিল সেটি বায়বীয় বাক্সে রাখল।
ম্যাডাম বললেন, “সবাই খুব ভালো করেছ।”
একটি কঠিন প্রশ্ন
ম্যাডাম একটি গ্লাস দেখিয়ে বললেন, “এই গ্লাসটি কঠিন, কিন্তু এর ভেতরের বাতাস কী?”
সাফুয়ান বলল, “বায়বীয়।”
“আর যদি গ্লাসে পানি থাকে?”
মরিয়ম বলল, “পানি তরল।”
ম্যাডাম বললেন, “একটি পাত্রের মধ্যে একই সময়ে ভিন্ন অবস্থার পদার্থ থাকতে পারে।”
মেফতাহুল বলল, “এক গ্লাসে তিন বিজ্ঞানী!”
ম্যাডাম বললেন, “তুমি চাইলে এভাবেও মনে রাখতে পারো।”
কোথায় কোন পদার্থ?
ম্যাডাম প্রশ্ন করতে শুরু করলেন।
“রান্নাঘরে কঠিন পদার্থের উদাহরণ?”
আবু তালহা বলল, “হাঁড়ি।”
“তরল?”
আনিশা বলল, “পানি বা তেল।”
“বায়বীয়?”
আবাবিল বলল, “বাতাস।”
“বাথরুমে?”
নুসরাত বলল, “সাবান কঠিন হতে পারে, পানি তরল এবং বাতাস বায়বীয়।”
ম্যাডাম বললেন, “খুব ভালো।”
“অর্থাৎ আমাদের জীবনের প্রতিটি জায়গাতেই বিভিন্ন অবস্থার পদার্থ রয়েছে।”
প্রকৃতির পদার্থ
ম্যাডাম জানালার বাইরে তাকিয়ে বললেন, “শুধু ঘর বা স্কুলেই নয়, প্রকৃতিতেও পদার্থের বিভিন্ন অবস্থা রয়েছে।”
“মাটি, পাথর, গাছের কাঠ—কঠিন।”
“নদীর পানি—তরল।”
“বাতাস—বায়বীয়।”
“মেঘে থাকা ক্ষুদ্র জলকণা ও জলীয় বাষ্প পানির চক্রের বিভিন্ন পর্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।”
মরিয়ম বলল, “প্রকৃতি যেন পদার্থের বিশাল একটা বিজ্ঞানঘর!”
ম্যাডাম বললেন, “একদম ঠিক।”
বিজ্ঞানী হতে হলে
ম্যাডাম বললেন, “একজন ভালো বিজ্ঞানী কী করেন?”
নুসরাত বলল, “প্রশ্ন করেন।”
আনিশা বলল, “পর্যবেক্ষণ করেন।”
আবাবিল বলল, “পরীক্ষা করেন।”
সাফুয়ান বলল, “ফলাফল থেকে সিদ্ধান্ত নেন।”
ম্যাডাম বললেন, “অসাধারণ।”
“তোমরা আজ এই চারটি কাজই করেছ।”
আজকের বড় আবিষ্কার
ম্যাডাম বোর্ডে তিনটি শব্দ লিখলেন—
দেখি
পরীক্ষা করি
বুঝি
তিনি বললেন, “বিজ্ঞান শেখার সময় এই তিনটি ধাপ মনে রাখবে।”
মেফতাহুল বলল, “আর চতুর্থ ধাপ?”
“কী?”
“বিজ্ঞান শেখার পর টিফিন খাই!”
সবাই হেসে উঠল।
ম্যাডাম বললেন, “টিফিনও দরকার, তবে বিজ্ঞান শেখার পরে!”
বিজ্ঞান ডায়েরি
ক্লাস শেষ হওয়ার আগে সবাই খাতা বের করল।
নুসরাত লিখল, “বই, পাথর, পেন্সিল ও চেয়ার কঠিন পদার্থের উদাহরণ।”
আনিশা লিখল, “পানি, দুধ ও তেল তরল পদার্থের উদাহরণ।”
আবাবিল লিখল, “বাতাস গ্যাসীয় পদার্থের উদাহরণ।”
সাফুয়ান লিখল, “কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার থাকে।”
মরিয়ম লিখল, “তরল পদার্থ পাত্রের আকৃতি ধারণ করে।”
আসাদুল্লাহ লিখল, “গ্যাসীয় পদার্থ পাত্রের ভেতরের জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।”
ম্যাডাম বললেন, “আজকের বিজ্ঞান অভিযান সফল।”
শেষ প্রশ্ন
সবাই যখন বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম আবার বোর্ডে লিখলেন—
“পদার্থকে কি এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তন করা যায়?”
নুসরাত বলল, “হ্যাঁ, বরফ গলে পানি হয়।”
আনিশা বলল, “পানি গরম হলে জলীয় বাষ্প হতে পারে।”
ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”
“কিন্তু সব পদার্থ কি একইভাবে পরিবর্তিত হয়?”
এবার সবাই চুপ।
মেফতাহুল ধীরে ধীরে বলল, “এই রহস্যটা তাহলে এখনো বাকি!”
ম্যাডাম বললেন, “বিজ্ঞান অভিযানের সবচেয়ে মজার বিষয় হলো—একটি রহস্য সমাধান করলে আরেকটি রহস্য সামনে আসে।”
শিক্ষার্থীরা হাসিমুখে শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে গেল।
বোর্ডে রয়ে গেল সেই প্রশ্ন—
“পদার্থকে কি এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তন করা যায়?”
চলবে...
📝 অধ্যায় ৮: MCQ
১. বই কোন অবস্থার পদার্থ?
ক) কঠিন
খ) তরল
গ) বায়বীয়
ঘ) কোনোটি নয়
২. পানি কোন অবস্থার পদার্থ?
ক) কঠিন
খ) তরল
গ) বায়বীয়
ঘ) গ্যাস নয়
৩. বাতাস কোন অবস্থার পদার্থ?
ক) কঠিন
খ) তরল
গ) বায়বীয়
ঘ) বরফ
৪. কঠিন পদার্থের সাধারণ বৈশিষ্ট্য কী?
ক) নির্দিষ্ট আকার থাকে
খ) পাত্রের আকৃতি ধারণ করে
গ) সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে
ঘ) কোনো আয়তন নেই
৫. তরল পদার্থ সাধারণত কী করে?
ক) নিজের নির্দিষ্ট আকৃতি ধরে রাখে
খ) পাত্রের আকৃতি ধারণ করে
গ) সব সময় শক্ত থাকে
ঘ) অদৃশ্য হয়ে যায়
৬. বেলুনে বাতাস ঢোকালে কী হয়?
ক) বেলুন ফুলে ওঠে
খ) বেলুন শক্ত পাথর হয়
গ) পানি তৈরি হয়
ঘ) বেলুনের আয়তন কমে যায়
৭. গ্লাসের ভেতরে বাতাস থাকার প্রমাণ কীভাবে পাওয়া যায়?
ক) গ্লাস পানিতে কাত করলে বুদবুদ বের হতে পারে
খ) গ্লাসের রং বদলে যায়
গ) গ্লাস ভারী হয়ে যায়
ঘ) গ্লাস গলে যায়
৮. নিচের কোনটি তরল পদার্থের উদাহরণ?
ক) পাথর
খ) পেন্সিল
গ) দুধ
ঘ) বাতাস
৯. কোনটি গ্যাসীয় পদার্থের উদাহরণ?
ক) তেল
খ) পানি
গ) বাতাস
ঘ) বই
১০. বিজ্ঞান শেখার ক্ষেত্রে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ?
ক) শুধু মুখস্থ করা
খ) প্রশ্ন, পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা করা
গ) কোনো প্রশ্ন না করা
ঘ) শুধু অনুমান করা
উত্তরমালা:
১. ক | ২. খ | ৩. গ | ৪. ক | ৫. খ | ৬. ক | ৭. ক | ৮. গ | ৯. গ | ১০. খ