শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
মজার সাথে শিক্ষা - ক্লাস ৩

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: প্রাণীদের ঘরবাড়ির রহস্য

আশরাফ উল আসাদ • 07 সেপ্টেম্বর 2026, 10:30 রাত • 122 বার পঠিত
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: প্রাণীদের ঘরবাড়ির রহস্য

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ২: প্রাণী পরিচিতি


অধ্যায় ১০: প্রাণীদের ঘরবাড়ির রহস্য


সেদিন সকালে ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম শ্রেণিকক্ষে ঢুকেই বোর্ডে চারটি শব্দ লিখলেন।

স্থলচর — জলচর — উভচর — খেচর

শিক্ষার্থীরা আগ্রহ নিয়ে বোর্ডের দিকে তাকিয়ে রইল।

মেফতাহুল জান্নাত বলল, “ম্যাডাম, এগুলো কি নতুন কোনো প্রাণীর নাম?”

সবাই হেসে উঠল।

ফারজানা মরিয়ম বললেন, “না, এগুলো প্রাণীদের বাসস্থানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি চারটি শ্রেণি।”

নুসরাত জাহান বলল, “আজ আমরা জানব প্রাণীরা কোথায় থাকে?”

“ঠিক তাই,” বললেন ম্যাডাম।


প্রাণীর বাসস্থান কী?


ফারজানা মরিয়ম বললেন, “যে স্থান বা পরিবেশে কোনো প্রাণী বাস করে, খাবার সংগ্রহ করে, নিরাপদে থাকে এবং জীবনযাপন করে, তাকে তার বাসস্থান বলা যায়।”

আনিশা মারজান বলল, “মানুষের যেমন বাড়ি আছে, প্রাণীদেরও তেমন বাসস্থান আছে?”

“হ্যাঁ। তবে সব প্রাণীর বাসস্থান মানুষের বাড়ির মতো নয়।”

আবাবিল আল আলিফ বলল, “পাখির বাসা গাছে হতে পারে।”

“ঠিক।”

সাফুয়ান বলল, “মাছের বাসস্থান পানি।”

“ঠিক।”

আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল, “গরু ডাঙায় থাকে।”

“চমৎকার।”


স্থলচর প্রাণী


ম্যাডাম বোর্ডে লিখলেন—

স্থলচর প্রাণী

তিনি বললেন, “যেসব প্রাণী মূলত মাটি বা ডাঙায় বাস করে, তাদের স্থলচর প্রাণী বলা হয়।”

মরিয়ম আক্তার বলল, “মানুষ কি স্থলচর?”

“হ্যাঁ।”

“গরু?”

“হ্যাঁ।”

“হরিণ?”

“হ্যাঁ।”

“কুকুর?”

“হ্যাঁ।”

মেফতাহুল বলল, “তাহলে আমার পাশের বাড়ির বিড়ালও স্থলচর!”

ম্যাডাম বললেন, “হ্যাঁ, বিড়ালও স্থলচর প্রাণীর উদাহরণ।”


মাঠের অভিযান


ফারজানা মরিয়ম শিক্ষার্থীদের স্কুলের মাঠে নিয়ে গেলেন।

মাঠের এক পাশে কয়েকটি গরু ঘাস খাচ্ছিল।

নুসরাত বলল, “ওগুলো স্থলচর প্রাণী।”

ম্যাডাম বললেন, “কেন?”

“কারণ তারা ডাঙায় বাস করে এবং মাটিতে চলাফেরা করে।”

“খুব ভালো।”

আনিশা বলল, “হরিণ, ছাগল ও বাঘও স্থলচর প্রাণীর উদাহরণ হতে পারে।”

ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”


জলচর প্রাণী


স্কুলের পাশেই একটি ছোট পুকুর ছিল।

ম্যাডাম সবাইকে পুকুরের ধারে নিয়ে গেলেন।

পানির মধ্যে কয়েকটি মাছ সাঁতার কাটছিল।

আবু তালহা বলল, “এবার বুঝতে পারছি—এগুলো জলচর প্রাণী।”

ফারজানা মরিয়ম বললেন, “যেসব প্রাণী পানিতে বাস করে, তাদের জলচর প্রাণী বলা হয়।”

সাফুয়ান বলল, “মাছ জলচর।”

“ঠিক।”

ম্যাডাম বললেন, “তিমিও জলচর প্রাণী।”

মেফতাহুল অবাক হয়ে বলল, “তিমি তো এত বড়! সে কি সত্যিই মাছ?”

ম্যাডাম হাসলেন।

“না। তিমি মাছ নয়, তিমি স্তন্যপায়ী প্রাণী। কিন্তু বাসস্থানের ভিত্তিতে তিমি জলচর।”

মেফতাহুল বলল, “আবারও বিজ্ঞানের চমক!”


জলচর মানেই মাছ নয়


ফারজানা মরিয়ম বললেন, “এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে।”

“কোনো প্রাণী পানিতে থাকে বলেই সে মাছ হবে না।”

“প্রাণীকে একাধিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বিভিন্নভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা যায়।”

আসাদুল্লাহ বলল, “তিমি মেরুদণ্ডী ও স্তন্যপায়ী, আবার বাসস্থানের ভিত্তিতে জলচর।”

“একদম ঠিক।”

নুসরাত বলল, “তাহলে একই প্রাণীকে ভিন্ন ভিত্তিতে ভিন্নভাবে বর্ণনা করা যায়।”

ম্যাডাম বললেন, “তোমরা খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছ।”


উভচর প্রাণী


পুকুরের পাশে হঠাৎ একটি ব্যাঙ লাফ দিয়ে পানির কাছে চলে গেল।

মেফতাহুল চিৎকার করে বলল, “আমাদের পুরোনো বন্ধু!”

ফারজানা মরিয়ম বললেন, “ব্যাঙ হলো উভচর প্রাণী।”

আনিশা বলল, “কারণ ব্যাঙ জল ও স্থল উভয় পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত।”

“ঠিক।”

ম্যাডাম বললেন, “উভচর প্রাণীরা তাদের জীবনচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে জল ও স্থলের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে।”

মরিয়ম বলল, “ব্যাঙাচি পানিতে থাকে, আর পূর্ণাঙ্গ ব্যাঙ জল ও স্থল উভয় পরিবেশে থাকতে পারে।”

ম্যাডাম বললেন, “চমৎকার।”


খেচর প্রাণী


সবাই আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরে এল।

ম্যাডাম জানালার বাইরে আকাশের দিকে তাকালেন।

এক ঝাঁক পাখি আকাশে উড়ছিল।

তিনি বললেন, “এবার বলো, এদের কী বলা যায়?”

আবাবিল বলল, “খেচর প্রাণী!”

“ঠিক।”

“যেসব প্রাণী আকাশে উড়ে বেড়ায় এবং অনেক ক্ষেত্রে গাছেও বাস করে, তাদের খেচর প্রাণী বলা হয়।”

নুসরাত বলল, “দোয়েল, কাক আর পায়রা খেচর প্রাণীর উদাহরণ।”

“ঠিক।”


আকাশের যাত্রী


মেফতাহুল জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল, “পাখিরা তো মনে হয় আকাশের রাস্তা ব্যবহার করে!”

ম্যাডাম বললেন, “তোমার কথাটি সুন্দর। পাখি ডানার সাহায্যে উড়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে।”

আনিশা বলল, “তবে সব পাখি উড়তে পারে না।”

“ঠিক।”

“তাই শুধু উড়তে পারা দিয়ে পাখি চেনা যাবে না।”

ম্যাডাম বললেন, “তোমরা আগের অধ্যায়ের বিষয়ও মনে রেখেছ।”


চার শ্রেণির চার উদাহরণ


ফারজানা মরিয়ম বোর্ডে একটি চার্ট তৈরি করলেন।

স্থলচর — মানুষ, গরু, হরিণ

জলচর — মাছ, তিমি

উভচর — ব্যাঙ

খেচর — দোয়েল, কাক, পায়রা

তিনি বললেন, “এগুলো শুধু উদাহরণ। পৃথিবীতে আরও অনেক ধরনের প্রাণী রয়েছে।”

সাফুয়ান বলল, “প্রাণীরা তাদের পরিবেশ অনুযায়ী বিভিন্নভাবে জীবনযাপন করে।”

“ঠিক।”


প্রাণীর শরীর ও বাসস্থান


ফারজানা মরিয়ম বললেন, “প্রাণীর দেহের গঠন তার পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত।”

“মাছের পাখনা তাকে পানিতে সাঁতার কাটতে সাহায্য করে।”

“পাখির ডানা তাকে উড়তে সাহায্য করে।”

“স্থলচর প্রাণীর পা তাদের মাটিতে চলতে সাহায্য করে।”

“ব্যাঙের শক্তিশালী পেছনের পা তাকে লাফাতে সাহায্য করে।”

আবাবিল বলল, “অর্থাৎ প্রাণীর দেহ যেন তার বাসস্থানের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া।”

ম্যাডাম বললেন, “ঠিক। এটিকে পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজনের সহজ উদাহরণ হিসেবে ভাবতে পারো।”


একটি মজার পরীক্ষা


ম্যাডাম চারটি ছবি টেবিলের ওপর রাখলেন।

একটি গরু।

একটি মাছ।

একটি ব্যাঙ।

একটি পায়রা।

তিনি বললেন, “প্রতিটি প্রাণীর বাসস্থানের শ্রেণি বলো।”

নুসরাত বলল, “গরু—স্থলচর।”

আনিশা বলল, “মাছ—জলচর।”

আবাবিল বলল, “ব্যাঙ—উভচর।”

আসাদুল্লাহ বলল, “পায়রা—খেচর।”

ম্যাডাম বললেন, “সবাই ঠিক বলেছ।”


এবার কঠিন প্রশ্ন


ম্যাডাম বললেন, “এবার একটু কঠিন।”

তিনি একটি তিমির ছবি দেখালেন।

“তিমি কোন শ্রেণির?”

মেফতাহুল বলল, “জলচর!”

“ঠিক।”

“আর মেরুদণ্ডের ভিত্তিতে?”

আসাদুল্লাহ বলল, “মেরুদণ্ডী।”

“আর মেরুদণ্ডী প্রাণীদের পাঁচটি দলের মধ্যে?”

মরিয়ম বলল, “স্তন্যপায়ী।”

ম্যাডাম হাততালি দিলেন।

“অসাধারণ। একটি প্রাণী সম্পর্কে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য আলাদাভাবে চিনতে পারাই হলো আজকের বড় শিক্ষা।”


পুরো বইয়ের জ্ঞান একসঙ্গে


ফারজানা মরিয়ম বোর্ডে লিখলেন—

প্রাণী পরিচিতি

তার নিচে লিখলেন—

অমেরুদণ্ডী | মেরুদণ্ডী

তার নিচে মেরুদণ্ডীদের পাঁচটি দল লিখলেন—

মাছ | উভচর | সরীসৃপ | পাখি | স্তন্যপায়ী

সবশেষে লিখলেন—

স্থলচর | জলচর | উভচর | খেচর

তিনি বললেন, “তোমরা এই বইয়ের শুরু থেকে প্রাণীদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য শিখেছ।”

“প্রথমে শিখেছ প্রাণী কী এবং প্রাণীদের সাধারণ অঙ্গ সম্পর্কে।”

“তারপর শিখেছ মেরুদণ্ডের ভিত্তিতে প্রাণীদের অমেরুদণ্ডী ও মেরুদণ্ডী ভাগ।”

“এরপর মেরুদণ্ডী প্রাণীদের পাঁচটি প্রধান দল সম্পর্কে জেনেছ।”

“আজ শিখলে বাসস্থানের ভিত্তিতে প্রাণীদের শ্রেণিবিন্যাস।”


নুসরাতের প্রশ্ন


নুসরাত হাত তুলে বলল, “ম্যাডাম, প্রাণীদের এতভাবে ভাগ করার দরকার কী?”

ফারজানা মরিয়ম বললেন, “খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।”

“পৃথিবীতে অসংখ্য প্রাণী রয়েছে। তাদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন দলে সাজালে তাদের সম্পর্কে জানা, তুলনা করা এবং বোঝা সহজ হয়।”

আনিশা বলল, “অর্থাৎ শ্রেণিবিন্যাস আমাদের প্রাণীদের গুছিয়ে চিনতে সাহায্য করে।”

“ঠিক।”


প্রাণীদের জন্য আমাদের দায়িত্ব


ম্যাডাম বললেন, “শুধু প্রাণীদের চিনলেই আমাদের কাজ শেষ নয়।”

“তাদের বাসস্থান রক্ষা করাও আমাদের দায়িত্ব।”

আবাবিল বলল, “পুকুর নোংরা করা উচিত নয়।”

“ঠিক।”

সাফুয়ান বলল, “গাছ কেটে ফেললে পাখির বাসস্থান নষ্ট হতে পারে।”

“ঠিক।”

মরিয়ম বলল, “বন্য প্রাণীকে অযথা বিরক্ত করা উচিত নয়।”

“খুব ভালো।”

ম্যাডাম বললেন, “প্রকৃতির প্রতিটি প্রাণীরই পরিবেশে একটি ভূমিকা রয়েছে।”


শেষ বিজ্ঞান অভিযান


ক্লাসের শেষ সময়ে ফারজানা মরিয়ম সবাইকে নিয়ে স্কুলের বাগানে গেলেন।

একটি প্রজাপতি ফুলের ওপর বসেছিল।

নুসরাত বলল, “প্রজাপতি অমেরুদণ্ডী।”

ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”

একটি টিকটিকি দেয়াল বেয়ে উঠছিল।

আনিশা বলল, “টিকটিকি মেরুদণ্ডী এবং সরীসৃপ।”

“ঠিক।”

একটি কাক গাছের ডালে বসে ছিল।

আবাবিল বলল, “কাক মেরুদণ্ডী, পাখি এবং খেচর।”

“চমৎকার।”

পুকুরে একটি মাছ সাঁতার কাটছিল।

সাফুয়ান বলল, “মাছ মেরুদণ্ডী, মাছ দলের এবং জলচর।”

ম্যাডাম বললেন, “অসাধারণ।”

দূরে একটি গরু ঘাস খাচ্ছিল।

আসাদুল্লাহ বলল, “গরু মেরুদণ্ডী, স্তন্যপায়ী এবং স্থলচর।”

ম্যাডাম মৃদু হেসে বললেন, “এখন তোমরা সত্যিই ছোট ছোট বিজ্ঞানী হয়ে উঠেছ।”


শেষ প্রশ্ন


ফারজানা মরিয়ম সবাইকে গোল হয়ে দাঁড় করিয়ে বললেন, “বল তো, প্রাণীদের পৃথিবী এত সুন্দর কেন?”

কিছুক্ষণ সবাই চুপ করে রইল।

তারপর নুসরাত বলল, “কারণ পৃথিবীতে অনেক ধরনের প্রাণী আছে।”

আনিশা বলল, “প্রত্যেকের দেহের গঠন আলাদা।”

আবাবিল বলল, “কেউ পানিতে থাকে, কেউ ডাঙায়, কেউ আকাশে উড়ে।”

মরিয়ম বলল, “তবু সবাই প্রকৃতির অংশ।”

ফারজানা মরিয়ম বললেন, “এই কথাটিই আজকের সবচেয়ে বড় শিক্ষা।”


বিদায়ের ঘণ্টা


স্কুলের ঘণ্টা বেজে উঠল।

শিক্ষার্থীরা বই-খাতা গুছিয়ে নিল।

মেফতাহুল বলল, “ম্যাডাম, আজ থেকে আমি কোনো প্রাণী দেখলেই তার শ্রেণি খুঁজব!”

ফারজানা মরিয়ম বললেন, “খুব ভালো। তবে প্রাণীকে ধরতে বা বিরক্ত করতে যাবে না।”

“দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করব!”

“এটাই একজন ভালো বিজ্ঞানীর কাজ।”

সবাই হাসতে হাসতে শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে গেল।

ফারজানা মরিয়ম জানালার পাশে দাঁড়িয়ে দেখলেন, একটি পাখি আকাশে উড়ছে, পুকুরে মাছ সাঁতার কাটছে, মাঠে গরু ঘাস খাচ্ছে এবং বাগানের পাতার নিচে একটি ছোট টিকটিকি লুকিয়ে আছে।

তিনি মনে মনে বললেন, “প্রকৃতি যেন একটি বিশাল বই, আর প্রতিটি প্রাণী সেই বইয়ের একটি জীবন্ত অধ্যায়।”

শিক্ষার্থীরা আজ সেই বইয়ের আরও কয়েকটি পৃষ্ঠা পড়তে শিখেছে।

তাদের প্রাণী পরিচিতির এই অভিযান শেষ হলেও প্রকৃতিকে জানার অভিযান চলতেই থাকবে।

সমাপ্ত।


📝 অধ্যায় ১০: MCQ


১. যেসব প্রাণী মূলত ডাঙায় বাস করে তাদের কী বলা হয়?

ক) জলচর

খ) স্থলচর

গ) খেচর

ঘ) উভচর


২. নিচের কোনটি জলচর প্রাণী?

ক) গরু

খ) হরিণ

গ) মাছ

ঘ) কুকুর


৩. ব্যাঙ কোন ধরনের বাসস্থানভিত্তিক প্রাণী?

ক) শুধু স্থলচর

খ) শুধু জলচর

গ) উভচর

ঘ) খেচর


৪. নিচের কোনটি খেচর প্রাণীর উদাহরণ?

ক) কাক

খ) গরু

গ) মাছ

ঘ) কচ্ছপ


৫. তিমি বাসস্থানের ভিত্তিতে কোন শ্রেণির প্রাণী?

ক) স্থলচর

খ) জলচর

গ) খেচর

ঘ) উভচর


৬. তিমি মেরুদণ্ডী প্রাণীদের কোন দলের অন্তর্ভুক্ত?

ক) মাছ

খ) উভচর

গ) পাখি

ঘ) স্তন্যপায়ী


৭. প্রাণীদের শ্রেণিবিন্যাসের প্রধান উদ্দেশ্য কী?

ক) প্রাণীদের ভয় দেখানো

খ) প্রাণীদের গায়ের রং পরিবর্তন করা

গ) প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী গুছিয়ে বোঝা

ঘ) প্রাণীদের বাসস্থান ধ্বংস করা


৮. নিচের কোনটি প্রাণীদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ?

ক) বন্য প্রাণীকে বিরক্ত করা

খ) পাখির বাসা নষ্ট করা

গ) জলাশয়ে ময়লা ফেলা

ঘ) প্রাণীর বাসস্থান রক্ষা করা


উত্তরমালা:

১. খ | ২. গ | ৩. গ | ৪. ক | ৫. খ | ৬. ঘ | ৭. গ | ৮. ঘ


লেখক: আশরাফ উল আসাদ

#শিক্ষার্থীদের পাতা #শিক্ষা