শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
মজার সাথে শিক্ষা - ক্লাস ৩

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: পদার্থের রহস্যের শেষ দরজা

আশরাফ উল আসাদ • 10 সেপ্টেম্বর 2026, 06:44 সকাল • 193 বার পঠিত
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: পদার্থের রহস্যের শেষ দরজা

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ৪: পদার্থ


অধ্যায় ১০: পদার্থের রহস্যের শেষ দরজা


লেখক: আশরাফ উল আসাদ


সকালের আলো তখন পুরো শ্রেণিকক্ষটিকে উজ্জ্বল করে তুলেছে।

নুসরাত জাহান, আনিশা মারজান, মেফতাহুল জান্নাত, আবাবিল আল আলিফ, সাফুয়ান, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু তালহা ও মরিয়ম আক্তার সবাই আজ অস্বাভাবিক রকমের চুপচাপ।

কারণ আজ তাদের পদার্থ অধ্যায়ের শেষ অভিযান।

গত কয়েকটি ক্লাসে তারা জেনেছে—পদার্থ কী, পদার্থের ওজন ও আয়তন কী, কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থ কী এবং কীভাবে পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে পারে।

কিন্তু গত ক্লাসের শেষে ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম যে প্রশ্নটি করেছিলেন, সেটিই আজ সবার মনে ঘুরছে।

“পদার্থের পরিবর্তন কি সব সময় স্থায়ী হয়?”

মেফতাহুল বলল, “আজ এই রহস্যের সমাধান না করে আমি বাড়ি যাব না!”

সাফুয়ান বলল, “তুমি আগে টিফিন খেয়ে নিও, তারপর রহস্য সমাধান করো।”

মেফতাহুল বলল, “বিজ্ঞানীর পেটে শক্তি না থাকলে বিজ্ঞান হবে কীভাবে?”

ঠিক তখনই দরজা খুলে ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম ঢুকলেন।

তার হাতে ছিল একটি বড় বাক্স।

ম্যাডাম বাক্সটি টেবিলের ওপর রেখে বললেন, “আজ তোমাদের জন্য রয়েছে শেষ বিজ্ঞান অভিযান।”

সবাই আনন্দে চিৎকার করে উঠল।


রহস্যময় বাক্স


ম্যাডাম বললেন, “এই বাক্সের ভেতরে এমন কিছু জিনিস আছে, যেগুলো তোমাদের পুরো অধ্যায়ের জ্ঞান পরীক্ষা করবে।”

নুসরাত বলল, “আমরা কি বাক্সটি খুলতে পারি?”

“অবশ্যই,” বললেন ম্যাডাম।

তিনি বাক্স খুললেন।

ভেতরে ছিল একটি পাথর, একটি বই, একটি রাবার, একটি পানিভর্তি বোতল, একটি খালি গ্লাস, একটি বেলুন, কিছু বরফ এবং একটি ধাতব চামচ।

ম্যাডাম বললেন, “প্রথম কাজ—প্রতিটি জিনিসের অবস্থা চিহ্নিত করো।”

নুসরাত পাথর হাতে নিয়ে বলল, “কঠিন।”

আনিশা পানির বোতল দেখে বলল, “তরল।”

আবাবিল বেলুন দেখিয়ে বলল, “বেলুনের ভেতরের বাতাস বায়বীয়।”

ম্যাডাম বললেন, “চমৎকার শুরু।”


পদার্থের প্রথম রহস্য


ম্যাডাম বোর্ডে লিখলেন—

পদার্থ কী?

আবু তালহা বলল, “যে সব বস্তু জায়গা দখল করে এবং যার ভর আছে, সেগুলো পদার্থ।”

ম্যাডাম বললেন, “খুব ভালো।”

“আমাদের চারপাশে বই, কলম, চেয়ার, পানি, মাটি ও বাতাস—সবই পদার্থের উদাহরণ।”

মরিয়ম বলল, “অর্থাৎ শুধু দেখা যায় এমন জিনিসই পদার্থ নয়।”

“ঠিক,” বললেন ম্যাডাম।

“বাতাস দেখা যায় না, কিন্তু এটি জায়গা দখল করে এবং পদার্থের বৈশিষ্ট্য দেখায়।”


দ্বিতীয় রহস্য: ওজন


ম্যাডাম পাথর ও রাবার পাশাপাশি রাখলেন।

“কোনটির ওজন বেশি?”

সাফুয়ান বলল, “পাথরের।”

ম্যাডাম বললেন, “আমরা হাতে তুলে বা উপযুক্ত যন্ত্রের সাহায্যে ওজন সম্পর্কে ধারণা পেতে পারি।”

মেফতাহুল বলল, “আমার স্কুলব্যাগের ওজনও অনেক!”

ম্যাডাম বললেন, “কারণ তার মধ্যে অনেক বই ও খাতা আছে।”

মেফতাহুল বলল, “তাহলে বই পড়লে জ্ঞান বাড়ে আর ব্যাগের ওজনও বাড়ে!”

সবাই হেসে উঠল।

ম্যাডাম বললেন, “এটা তোমার সবচেয়ে মজার বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ।”


তৃতীয় রহস্য: আয়তন


ম্যাডাম একটি বড় বাক্স ও একটি ছোট বাক্স সামনে রাখলেন।

“কোনটি বেশি জায়গা দখল করে?”

আনিশা বলল, “বড় বাক্স।”

“এই জায়গা দখল করার পরিমাণের সঙ্গে কোন ধারণাটি সম্পর্কিত?”

“আয়তন,” বলল আনিশা।

ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”

তিনি একটি বল ও একটি পেন্সিল দেখালেন।

“এগুলোরও নিজ নিজ আয়তন আছে।”

আবাবিল বলল, “অর্থাৎ ছোট বস্তুরও আয়তন থাকে।”

“অবশ্যই,” বললেন ম্যাডাম।


চতুর্থ রহস্য: আকৃতি


ম্যাডাম একটি বল হাতে নিলেন।

“এর আকৃতি কী?”

“গোলাকার,” বলল সবাই।

তিনি একটি বই তুলে ধরলেন।

“আর এর আকৃতি?”

“আয়তাকার।”

ম্যাডাম বললেন, “কঠিন পদার্থের সাধারণত নির্দিষ্ট আকৃতি থাকে।”

“কিন্তু তরল ও গ্যাসীয় পদার্থের আচরণ আলাদা।”

নুসরাত বলল, “তরল পাত্রের আকৃতি ধারণ করে।”

“আর গ্যাস?”

আবাবিল বলল, “উপলব্ধ জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।”


তিন অবস্থার মহা পরীক্ষা


ম্যাডাম টেবিলে তিনটি কার্ড রাখলেন।

একটিতে লেখা কঠিন।

অন্যটিতে লেখা তরল।

তৃতীয়টিতে লেখা বায়বীয়।

তিনি একে একে বিভিন্ন বস্তুর নাম বলতে শুরু করলেন।

“পাথর!”

নুসরাত বলল, “কঠিন।”

“দুধ!”

আনিশা বলল, “তরল।”

“বাতাস!”

আবাবিল বলল, “বায়বীয়।”

“বই!”

আবু তালহা বলল, “কঠিন।”

“তেল!”

মরিয়ম বলল, “তরল।”

“জলীয় বাষ্প!”

সাফুয়ান বলল, “বায়বীয়।”

ম্যাডাম বললেন, “তোমরা প্রস্তুত।”


বরফের পরীক্ষা


ম্যাডাম এবার বরফের টুকরোটি একটি প্লেটে রাখলেন।

“এটি কোন অবস্থার?”

সবাই বলল, “কঠিন।”

কিছুক্ষণ পর বরফের চারপাশে পানি জমতে শুরু করল।

মেফতাহুল বলল, “বরফ গলছে!”

ম্যাডাম বললেন, “কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হতে পারে।”

তিনি বোর্ডে লিখলেন—

কঠিন → তরল

বরফ → পানি

নুসরাত বলল, “তাপ পাওয়ার কারণে বরফ গলতে পারে।”


পানির পরীক্ষা


ম্যাডাম একটি পাত্রে পানি নিয়ে নিরাপদভাবে গরম করার ব্যবস্থা করলেন।

শিক্ষার্থীরা দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করতে লাগল।

কিছুক্ষণ পর জলীয় বাষ্প দেখা গেল।

ম্যাডাম বললেন, “এবার কী হলো?”

আনিশা বলল, “পানি থেকে জলীয় বাষ্প তৈরি হচ্ছে।”

ম্যাডাম বোর্ডে লিখলেন—

তরল → বায়বীয়

“তাপের প্রভাবে পানির কিছু অংশ বাষ্পে পরিণত হতে পারে।”


বাষ্প থেকে পানি


ম্যাডাম একটি ঠান্ডা ধাতব ঢাকনা গরম পানির ওপরে ধরলেন।

কিছুক্ষণ পর ঢাকনার নিচে পানির ফোঁটা জমল।

মরিয়ম বলল, “জলীয় বাষ্প আবার পানিতে পরিণত হয়েছে!”

“ঠিক,” বললেন ম্যাডাম।

“অর্থাৎ বায়বীয় → তরল।”

আসাদুল্লাহ বলল, “তাহলে পরিবর্তনটি আবার উল্টো দিকেও হতে পারে।”

“হ্যাঁ,” বললেন ম্যাডাম।


পানির বরফ হওয়া


ম্যাডাম বললেন, “এখন ধরো, পানি খুব ঠান্ডা পরিবেশে রাখা হলো।”

নুসরাত বলল, “পানি বরফে পরিণত হতে পারে।”

“ঠিক।”

“এখানে তরল পদার্থ কঠিন অবস্থায় যাচ্ছে।”

ম্যাডাম বোর্ডে লিখলেন—

তরল → কঠিন

আবু তালহা বলল, “তাহলে পানি আর বরফ একই পদার্থের দুই ভিন্ন অবস্থা।”

ম্যাডাম বললেন, “সঠিক।”


রহস্যের উত্তর


ম্যাডাম এবার আগের প্রশ্নটি আবার করলেন—

“পদার্থের পরিবর্তন কি সব সময় স্থায়ী হয়?”

সবাই এবার একসঙ্গে বলল, “না!”

ম্যাডাম বললেন, “কেন?”

নুসরাত বলল, “বরফ গলে পানি হয়।”

আনিশা বলল, “পানি ঠান্ডা হলে আবার বরফ হতে পারে।”

আবাবিল বলল, “পানি বাষ্প হতে পারে।”

সাফুয়ান বলল, “জলীয় বাষ্প ঠান্ডা হলে আবার পানিতে পরিণত হতে পারে।”

ম্যাডাম বললেন, “অসাধারণ।”

“তোমরা বুঝতে পেরেছ যে কিছু পরিবর্তন আবার আগের অবস্থায় ফিরতে পারে।”


কিন্তু সব পরিবর্তন কি একই?


ম্যাডাম একটি কাগজ হাতে নিলেন।

“ধরো, এই কাগজটি ছোট ছোট টুকরো করে ফেললাম।”

তিনি বললেন, “কাগজের আকার বদলে গেল।”

মেফতাহুল বলল, “কিন্তু কাগজই তো রইল!”

ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”

“আবার কিছু পরিবর্তনে পদার্থের বৈশিষ্ট্যও বদলে যেতে পারে।”

তিনি বললেন, “তবে আজ আমরা মূলত পদার্থের তিন অবস্থা ও তাদের পরিবর্তন নিয়েই আলোচনা করছি।”

“তোমাদের মনে রাখতে হবে—বিভিন্ন পরিবর্তনের ধরন আলাদা হতে পারে।”


বিজ্ঞান অভিযান: চারটি স্টেশন


ম্যাডাম শ্রেণিকক্ষে চারটি স্টেশন তৈরি করলেন।

প্রথম স্টেশনের নাম কঠিন।

দ্বিতীয় স্টেশনের নাম তরল।

তৃতীয় স্টেশনের নাম বায়বীয়।

চতুর্থ স্টেশনের নাম পরিবর্তন।

সবাই দলবদ্ধ হয়ে একে একে স্টেশনগুলো ঘুরে দেখল।

প্রথম স্টেশনে তারা পাথর, বই ও রাবার দেখল।

দ্বিতীয় স্টেশনে পানি ও তেল দেখল।

তৃতীয় স্টেশনে বেলুন ও বাতাসের উদাহরণ দেখল।

চতুর্থ স্টেশনে বরফ গলা, পানি বাষ্প হওয়া এবং জলীয় বাষ্প ঠান্ডা হয়ে পানি হওয়ার উদাহরণ নিয়ে আলোচনা করল।


বিজ্ঞানীর চার প্রশ্ন


ম্যাডাম বললেন, “যেকোনো পদার্থ পর্যবেক্ষণ করার সময় চারটি প্রশ্ন করবে।”

তিনি বোর্ডে লিখলেন—

১. এটি কী?

২. এর অবস্থা কী?

৩. এটি কতটুকু জায়গা দখল করে?

৪. এর আকৃতি কেমন?

নুসরাত বলল, “এগুলো দিয়ে আমরা পদার্থ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারব।”

ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”


শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষা


ম্যাডাম প্রত্যেককে একটি করে বস্তু দিলেন।

নুসরাত পেল একটি পাথর।

আনিশা পেল একটি পানিভর্তি গ্লাস।

মেফতাহুল পেল একটি বেলুন।

আবাবিল পেল একটি বই।

সাফুয়ান পেল একটি রাবার।

আসাদুল্লাহ পেল একটি তেলের বোতল।

আবু তালহা পেল একটি চামচ।

মরিয়ম পেল একটি বরফের টুকরো।

প্রত্যেকে বস্তুর অবস্থা, আকৃতি এবং জায়গা দখলের বিষয় ব্যাখ্যা করল।

ম্যাডাম একে একে সবার উত্তর শুনলেন।

তার মুখে ফুটে উঠল সন্তুষ্টির হাসি।


মেফতাহুলের শেষ প্রশ্ন


মেফতাহুল হাত তুলল।

“ম্যাডাম, আমার একটা শেষ প্রশ্ন আছে।”

“বলো।”

“আমরা কি কখনো এমন কোনো পদার্থ খুঁজে পাব, যেটা একই সঙ্গে কঠিন, তরল আর গ্যাস?”

সবাই চুপ হয়ে গেল।

ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম একটু হেসে বললেন, “প্রকৃতিতে পদার্থের অবস্থা ও পরিবর্তন নিয়ে আরও অনেক কিছু শেখার আছে।”

“তোমরা বড় হলে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও পৃথিবীবিজ্ঞান পড়ে আরও গভীরভাবে জানতে পারবে।”

মেফতাহুল বলল, “তাহলে বিজ্ঞান অভিযান এখানেই শেষ নয়!”

“কখনোই নয়,” বললেন ম্যাডাম।


বিদায়ের আগে


ক্লাসের শেষ ঘণ্টা বেজে উঠল।

সবাই তাদের বই-খাতা গুছিয়ে নিল।

ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম বললেন, “আজ তোমরা শুধু একটি অধ্যায় শেষ করোনি।”

“তোমরা শিখেছ কীভাবে চারপাশের জিনিসকে প্রশ্ন করতে হয়।”

“বই, পাথর, পানি, বাতাস—সবকিছুর মধ্যেই বিজ্ঞান রয়েছে।”

নুসরাত বলল, “আজ থেকে আমরা চারপাশের জিনিসগুলোকে অন্য চোখে দেখব।”

আনিশা বলল, “শুধু দেখব না, তাদের বৈশিষ্ট্যও খুঁজব।”

আবাবিল বলল, “আর পরীক্ষা করব।”

সাফুয়ান বলল, “নিরাপদভাবে!”

ম্যাডাম বললেন, “এই কথাটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”


পদার্থের শেষ পাঠ


ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম বোর্ডে বড় করে লিখলেন—

“বিজ্ঞান আমাদের চারপাশেই আছে।”

তার নিচে লিখলেন—

“দেখো → প্রশ্ন করো → পরীক্ষা করো → শেখো”

সবাই একসঙ্গে পড়ল।

মেফতাহুল বলল, “ম্যাডাম, আজ থেকে আমি আমার ঘরের সব জিনিস পরীক্ষা করব!”

ম্যাডাম বললেন, “তবে মায়ের রান্নাঘরে অনুমতি ছাড়া কোনো পরীক্ষা করবে না!”

সবাই হেসে উঠল।

নুসরাত বলল, “আমাদের পদার্থ অভিযান শেষ হলো, কিন্তু বিজ্ঞান অভিযান চলবে।”

ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম বললেন, “এটাই একজন সত্যিকারের শিক্ষার্থীর পরিচয়।”


সবাই শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে গেল।

জানালার বাইরে বাতাস বইছিল।

টেবিলের ওপর পড়ে ছিল একটি বই, একটি পেন্সিল আর একটি গ্লাস পানি।

দেখতে সাধারণ তিনটি জিনিস।

কিন্তু আজ শিক্ষার্থীরা জানে—এই সাধারণ জিনিসগুলোর মধ্যেও লুকিয়ে আছে অসাধারণ বিজ্ঞান।


সমাপ্ত।


📝 অধ্যায় ১০: MCQ


১. পদার্থের প্রধান তিনটি অবস্থা কোনগুলো?

ক) কঠিন, তরল ও বায়বীয়

খ) ছোট, মাঝারি ও বড়

গ) গরম, ঠান্ডা ও উষ্ণ

ঘ) হালকা, ভারী ও মাঝারি


২. কোনটি কঠিন পদার্থের উদাহরণ?

ক) পানি

খ) বাতাস

গ) পাথর

ঘ) জলীয় বাষ্প


৩. কোনটি তরল পদার্থের উদাহরণ?

ক) বই

খ) পানি

গ) পাথর

ঘ) বাতাস


৪. কোনটি বায়বীয় পদার্থের উদাহরণ?

ক) দুধ

খ) রাবার

গ) বাতাস

ঘ) বরফ


৫. পদার্থ কতটুকু জায়গা দখল করে তার সঙ্গে কোন ধারণাটি সম্পর্কিত?

ক) আয়তন

খ) গন্ধ

গ) শব্দ

ঘ) রং


৬. কঠিন পদার্থের সাধারণত কী থাকে?

ক) নির্দিষ্ট আকৃতি

খ) কোনো আয়তন নেই

গ) কোনো ওজন নেই

ঘ) সব সময় পাত্রের আকৃতি


৭. তরল পদার্থ সাধারণত কী করে?

ক) নিজের নির্দিষ্ট আকৃতি ধরে রাখে

খ) যে পাত্রে থাকে তার আকৃতি ধারণ করে

গ) কোনো জায়গা দখল করে না

ঘ) সব সময় কঠিন থাকে


৮. বরফ গলে কী হয়?

ক) পানি

খ) বাতাস

গ) পাথর

ঘ) মাটি


৯. পানি তাপ পেলে কী হতে পারে?

ক) জলীয় বাষ্প

খ) পাথর

গ) রাবার

ঘ) কাঠ


১০. বিজ্ঞান শেখার সবচেয়ে ভালো উপায় কোনটি?

ক) শুধু মুখস্থ করা

খ) প্রশ্ন করা, পর্যবেক্ষণ করা ও পরীক্ষা করা

গ) কোনো কিছু না দেখা

ঘ) শুধু অন্যের কথা বিশ্বাস করা


উত্তরমালা:

১. ক | ২. গ | ৩. খ | ৪. গ | ৫. ক | ৬. ক | ৭. খ | ৮. ক | ৯. ক | ১০. খ

#শিক্ষার্থীদের পাতা #শিক্ষা