শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
মজার সাথে শিক্ষা - ক্লাস ৩

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প : অমেরুদণ্ডীদের আশ্চর্য জগৎ

আশরাফ উল আসাদ • 07 সেপ্টেম্বর 2026, 10:50 দুপুর • 115 বার পঠিত
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প : অমেরুদণ্ডীদের আশ্চর্য জগৎ

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ২: প্রাণী পরিচিতি


অধ্যায় ৪: অমেরুদণ্ডীদের আশ্চর্য জগৎ


সকাল থেকেই তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে কৌতূহল।


কারণ আগের দিন ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম বলেছিলেন,


“পরের ক্লাসে আমরা এমন কিছু প্রাণীকে কাছ থেকে চিনব, যাদের দেহে মেরুদণ্ড নেই।”


মেফতাহুল জান্নাত তখন থেকেই চিন্তায় পড়েছে।


সে নুসরাত জাহানকে জিজ্ঞেস করল,


“মেরুদণ্ড না থাকলে প্রাণীরা কীভাবে চলে?”


নুসরাত বলল,


“সব প্রাণী তো একইভাবে চলে না।”


আনিশা মারজান বলল,


“আজ ম্যাডাম নিশ্চয়ই সেটা বুঝিয়ে দেবেন।”


ঠিক তখনই শ্রেণিকক্ষের দরজা খুলে গেল।


ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম ঢুকলেন।


তাঁর হাতে আজও একটি বড় বাক্স।


মেফতাহুল বাক্সটির দিকে তাকিয়ে বলল,


“ম্যাডাম, আজ কি আবার কোনো রহস্য?”


ম্যাডাম বললেন,


“আজকের রহস্যের নাম—অমেরুদণ্ডী প্রাণী।”


অমেরুদণ্ডী কারা?


ফারজানা মরিয়ম বোর্ডে লিখলেন—


অমেরুদণ্ডী প্রাণী


তিনি বললেন,


“যেসব প্রাণীর দেহে মেরুদণ্ড বা কশেরুকা নেই, তাদের অমেরুদণ্ডী প্রাণী বলা হয়।”


আবাবিল আল আলিফ হাত তুলল।


“ম্যাডাম, এদের শরীর কি সব সময় নরম?”


“অনেক অমেরুদণ্ডী প্রাণীর দেহ নরম হতে পারে, আবার কিছু প্রাণীর দেহের বাইরে শক্ত আবরণও থাকতে পারে। তাই শুধু দেহ নরম না শক্ত—এটা দেখে তাদের শ্রেণিবিন্যাস করা ঠিক নয়।”


আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল,


“তাহলে মূল বিষয় হলো মেরুদণ্ড আছে কি না?”


“ঠিক।”


ম্যাডাম বোর্ডে লিখলেন—


মেরুদণ্ড নেই → অমেরুদণ্ডী


রহস্যের প্রথম অতিথি—কেঁচো


ফারজানা মরিয়ম বাক্স থেকে একটি স্বচ্ছ পর্যবেক্ষণ পাত্র বের করলেন।


ভেতরে মাটি।


মাটির মধ্যে একটি কেঁচো নড়ছে।


মেফতাহুল একটু পিছিয়ে গেল।


“ম্যাডাম, ও কি সত্যিই আমাদের ক্লাসে থাকবে?”


“কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করব।”


নুসরাত আগ্রহ নিয়ে পাত্রটির দিকে তাকাল।


“কেঁচোর পা কোথায়?”


ম্যাডাম বললেন,


“কেঁচোর মানুষের মতো পা নেই। এর দেহের পেশি ও অন্যান্য গঠন ব্যবহার করে এটি মাটির মধ্যে চলাচল করে।”


আনিশা বলল,


“আর এর মেরুদণ্ডও নেই।”


“ঠিক।”


ম্যাডাম বললেন,


“তাই কেঁচো অমেরুদণ্ডী প্রাণী।”


কেঁচো কেন গুরুত্বপূর্ণ?


মরিয়ম আক্তার জিজ্ঞেস করল,


“ম্যাডাম, কেঁচো কি শুধু মাটিতে ঘুরে বেড়ায়?”


“না। মাটির জন্য কেঁচো গুরুত্বপূর্ণ। মাটির মধ্যে চলাফেরা করার সময় কেঁচো মাটিকে নাড়াচাড়া করে এবং মাটির গঠন ও বায়ু চলাচলে ভূমিকা রাখতে পারে।”


আবু তালহা বলল,


“তাহলে কেঁচো মাটির বন্ধু!”


ফারজানা মরিয়ম হাসলেন।


“খুব সুন্দরভাবে বলেছ।”


মেফতাহুল বলল,


“তাহলে আজ থেকে কেঁচোকে দেখে আমি আর এত ভয় পাব না।”


সে একটু থেমে যোগ করল,


“তবে খুব কাছে যাব না!”


দ্বিতীয় অতিথি—প্রজাপতি


এবার ম্যাডাম একটি সুন্দর প্রজাপতির ছবি বের করলেন।


ছবিতে তার দুটি বড় ডানা।


আনিশা মুগ্ধ হয়ে বলল,


“কী সুন্দর!”


ম্যাডাম বললেন,


“প্রজাপতিও অমেরুদণ্ডী প্রাণী।”


নুসরাত বলল,


“এর তো ডানা আছে। তাই বলে মেরুদণ্ড নেই?”


“হ্যাঁ। ডানা থাকা আর মেরুদণ্ড থাকা এক বিষয় নয়।”


আবাবিল জিজ্ঞেস করল,


“প্রজাপতি কীভাবে উড়ে?”


“এর ডানা ব্যবহার করে।”


“আর কয়টি পা?”


আনিশা বলল,


“ছয়টি।”


ম্যাডাম বললেন,


“ঠিক। প্রজাপতি কীটপতঙ্গের একটি উদাহরণ।”


প্রজাপতির রঙের রহস্য


সাফুয়ান বলল,


“ম্যাডাম, প্রজাপতির ডানায় এত রং কেন?”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“বিভিন্ন প্রজাতির প্রজাপতির ডানার রং ও নকশা আলাদা হতে পারে। প্রকৃতির বৈচিত্র্যের এটি একটি সুন্দর উদাহরণ।”


মেফতাহুল বলল,


“প্রজাপতিরও কি স্কুল আছে?”


ম্যাডাম হেসে বললেন,


“প্রকৃতিতে তাদের নিজের মতো জীবনচক্র আছে। সেটি আমরা অন্য সময় বিস্তারিত জানব।”


তৃতীয় অতিথি—মশা


ম্যাডাম এবার মশার একটি ছবি দেখালেন।


মেফতাহুল সঙ্গে সঙ্গে বলল,


“এই প্রাণীটাকে আমি চিনি!”


“কীভাবে?”


“রাতে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসে।”


সবাই হেসে উঠল।


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“মশাও অমেরুদণ্ডী প্রাণী।”


আসাদুল্লাহ বলল,


“মশার কি ছয়টি পা?”


“হ্যাঁ। মশা কীটপতঙ্গের অন্তর্ভুক্ত।”


ম্যাডাম বললেন,


“তবে মনে রাখবে, কিছু মশা মানুষের ও প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর রোগ ছড়াতে পারে। তাই মশার বংশবৃদ্ধির স্থান পরিষ্কার রাখা এবং মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করা জরুরি।”


মেফতাহুল বলল,


“তাহলে মশার সঙ্গে বন্ধুত্ব না করাই ভালো!”


ম্যাডাম বললেন,


“বিজ্ঞানসম্মত সিদ্ধান্ত!”


চতুর্থ অতিথি—মাছি


এরপর এল মাছির ছবি।


আবাবিল বলল,


“মাছিও অমেরুদণ্ডী?”


“হ্যাঁ।”


“মশার মতো এটিও কীটপতঙ্গ?”


“হ্যাঁ।”


ম্যাডাম বললেন,


“মাছি নানা স্থানে বসতে পারে এবং জীবাণু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যেতে পারে। তাই খাবার ঢেকে রাখা ও পরিবেশ পরিষ্কার রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ।”


নুসরাত বলল,


“পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকাও তাহলে বিজ্ঞান শেখার অংশ!”


“অবশ্যই।”


পঞ্চম অতিথি—চিংড়ি


ফারজানা মরিয়ম এবার একটি চিংড়ির ছবি দেখালেন।


সাফুয়ান বলল,


“চিংড়ি তো আমরা খাবার হিসেবে দেখি।”


ম্যাডাম বললেন,


“চিংড়িও একটি প্রাণী এবং এটি অমেরুদণ্ডী।”


আবু তালহা অবাক হয়ে বলল,


“কিন্তু এর দেহের বাইরে তো শক্ত আবরণ আছে!”


“ঠিক। চিংড়ির দেহের বাইরে শক্ত আবরণ রয়েছে। কিন্তু এর মেরুদণ্ড নেই। তাই এটি অমেরুদণ্ডী।”


মেফতাহুল বলল,


“শক্ত আবরণ থাকলেই মেরুদণ্ড থাকতে হবে—এমন নয়?”


“একদম ঠিক।”


ষষ্ঠ অতিথি—কাঁকড়া


এবার ম্যাডাম কাঁকড়ার ছবি দেখালেন।


কাঁকড়ার দুটি বড় দাঁড়া।


মেফতাহুল বলল,


“ওর দাঁড়া দেখে মনে হচ্ছে ও খুব রাগী!”


ম্যাডাম হাসলেন।


“কাঁকড়ার শক্ত আবরণ এবং দাঁড়া রয়েছে। এটি পানিতে বা পানির কাছাকাছি পরিবেশে থাকতে পারে। কিন্তু এর দেহে মেরুদণ্ড নেই।”


আনিশা বলল,


“তাহলে কাঁকড়াও অমেরুদণ্ডী।”


“ঠিক।”


সপ্তম অতিথি—শামুক


সবশেষে এল শামুকের ছবি।


মরিয়ম বলল,


“শামুক খুব ধীরে চলে।”


“হ্যাঁ।”


“এর খোলস আছে।”


“ঠিক।”


“তাহলে শামুকের মেরুদণ্ড আছে?”


“না।”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“শামুকের শক্ত খোলস থাকলেও তার মেরুদণ্ড নেই। তাই এটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী।”


মেফতাহুল বলল,


“আজ বুঝলাম, খোলস আর মেরুদণ্ড এক জিনিস নয়!”


অমেরুদণ্ডীদের নিয়ে বিজ্ঞান মেলা


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“আজ আমরা একটি ছোট বিজ্ঞান মেলা করব।”


তিনি শ্রেণিকক্ষের সামনে সাতটি ছবি সাজিয়ে দিলেন—


কেঁচো — প্রজাপতি — মশা — মাছি — চিংড়ি — কাঁকড়া — শামুক


তিনি শিক্ষার্থীদের সাতটি দলে ভাগ করলেন।


নুসরাত পেল কেঁচোর ছবি।


আনিশা পেল প্রজাপতি।


মেফতাহুল পেল মশা।


আবাবিল পেল মাছি।


সাফুয়ান পেল চিংড়ি।


আসাদুল্লাহ পেল কাঁকড়া।


আবু তালহা ও মরিয়ম পেল শামুক।


প্রত্যেককে তিনটি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে—


১. প্রাণীটির নাম কী?

২. এটি মেরুদণ্ডী নাকি অমেরুদণ্ডী?

৩. এর কোনো বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী?


নুসরাতের কেঁচো


নুসরাত লিখল—


নাম: কেঁচো

শ্রেণি: অমেরুদণ্ডী

বৈশিষ্ট্য: নরম দেহ, মাটিতে চলাফেরা করে।


আনিশার প্রজাপতি


আনিশা লিখল—


নাম: প্রজাপতি

শ্রেণি: অমেরুদণ্ডী

বৈশিষ্ট্য: ছয়টি পা ও ডানা আছে।


মেফতাহুলের মশা


মেফতাহুল লিখল—


নাম: মশা

শ্রেণি: অমেরুদণ্ডী

বৈশিষ্ট্য: কীটপতঙ্গ; কিছু মশা রোগ ছড়াতে পারে।


তারপর সে নিচে ছোট করে লিখল—


“এদের থেকে দূরে থাকব।”


ম্যাডাম দেখে হেসে ফেললেন।


আবাবিলের মাছি


আবাবিল লিখল—


নাম: মাছি

শ্রেণি: অমেরুদণ্ডী

বৈশিষ্ট্য: কীটপতঙ্গ; খাবার ও পরিবেশ পরিষ্কার রাখা জরুরি।


সাফুয়ানের চিংড়ি


সাফুয়ান লিখল—


নাম: চিংড়ি

শ্রেণি: অমেরুদণ্ডী

বৈশিষ্ট্য: শক্ত বাহ্যিক আবরণ আছে, কিন্তু মেরুদণ্ড নেই।


আসাদুল্লাহর কাঁকড়া


আসাদুল্লাহ লিখল—


নাম: কাঁকড়া

শ্রেণি: অমেরুদণ্ডী

বৈশিষ্ট্য: শক্ত বাহ্যিক আবরণ ও দাঁড়া আছে।


আবু তালহা ও মরিয়মের শামুক


তারা লিখল—


নাম: শামুক

শ্রেণি: অমেরুদণ্ডী

বৈশিষ্ট্য: খোলস আছে এবং ধীরে চলে।


বড় শিক্ষা


সব উপস্থাপনা শেষ হলে ফারজানা মরিয়ম বোর্ডে একটি বড় বৃত্ত আঁকলেন।


তার মধ্যে লিখলেন—


অমেরুদণ্ডী প্রাণী


তার চারপাশে লিখলেন—


কেঁচো

প্রজাপতি

মশা

মাছি

চিংড়ি

কাঁকড়া

শামুক


তিনি বললেন,


“দেখো, এদের আকার, গঠন, চলন ও বাসস্থান এক নয়। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তাদের একই দলে এনেছে।”


সবাই একসঙ্গে বলল,


“তাদের মেরুদণ্ড নেই!”


“ঠিক।”


একটি চ্যালেঞ্জ


ম্যাডাম হঠাৎ বললেন,


“এখন তোমাদের জন্য একটি প্রশ্ন।”


তিনি বোর্ডে লিখলেন—


একটি প্রাণীর দেহের বাইরে শক্ত আবরণ আছে। সেটি কি অবশ্যই মেরুদণ্ডী?


সবাই চিন্তা করতে লাগল।


মেফতাহুল এবার খুব আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলল,


“না! কাঁকড়া ও চিংড়ির দেহের বাইরে শক্ত আবরণ আছে, কিন্তু তারা অমেরুদণ্ডী।”


ফারজানা মরিয়ম হাততালি দিলেন।


“চমৎকার!”


বিজ্ঞানীদের মতো চিন্তা


ম্যাডাম বললেন,


“আজ তোমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখলে। প্রাণীকে শ্রেণিবিন্যাস করতে শুধু তার আকার, রং বা বাহ্যিক চেহারা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করতে হয়।”


নুসরাত বলল,


“আর মেরুদণ্ডী ও অমেরুদণ্ডী প্রাণী চেনার জন্য মেরুদণ্ডের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ।”


“ঠিক।”


ফারজানা মরিয়ম এবার বোর্ডে লিখলেন—


অমেরুদণ্ডী প্রাণী = মেরুদণ্ড নেই


পরের রহস্য


ক্লাস শেষ হওয়ার ঠিক আগে ম্যাডাম আবার পাঁচটি ছবি বোর্ডে লাগালেন।


একটি মাছ।


একটি ব্যাঙ।


একটি সাপ।


একটি পাখি।


একটি গরু।


তিনি বললেন,


“এরা সবাই মেরুদণ্ডী প্রাণী। কিন্তু এদের জীবনযাপন এক নয়।”


আনিশা বলল,


“মাছ পানিতে থাকে।”


আবাবিল বলল,


“ব্যাঙ জল ও স্থল—দুই জায়গাতেই থাকতে পারে।”


সাফুয়ান বলল,


“সাপ ডাঙায় চলে।”


মরিয়ম বলল,


“পাখি আকাশে উড়ে।”


আবু তালহা বলল,


“গরু ডাঙায় থাকে।”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“খুব ভালো। এবার আমাদের নতুন অভিযান শুরু হবে—মেরুদণ্ডী প্রাণীদের পাঁচটি প্রধান দল নিয়ে।”


মেফতাহুল বলল,


“মানে আবার পাঁচটা রহস্য?”


ম্যাডাম হাসলেন।


“হ্যাঁ। আর প্রথম রহস্য—পানির রাজ্যের প্রাণী: মাছ।”


সবাই আনন্দে চিৎকার করে উঠল।


শ্রেণিকক্ষের জানালা দিয়ে বাইরে তখন পাখির ডাক শোনা যাচ্ছিল।


আর দূরের পুকুরের পানিতে মাছগুলো নীরবে সাঁতার কাটছিল।


তৃতীয় শ্রেণির ছোট্ট বিজ্ঞানীদের পরবর্তী অভিযান যেন তাদের অপেক্ষাতেই ছিল।


চলবে...


📝 অধ্যায় ৪: MCQ


১. অমেরুদণ্ডী প্রাণীর দেহে কী থাকে না?

ক) চোখ

খ) মেরুদণ্ড

গ) মুখ

ঘ) নাক


২. নিচের কোনটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী?

ক) মাছ

খ) ব্যাঙ

গ) কেঁচো

ঘ) গরু


৩. কোন প্রাণীটির দেহের বাইরে শক্ত আবরণ থাকতে পারে?

ক) চিংড়ি

খ) মানুষ

গ) গরু

ঘ) পাখি


৪. নিচের কোনটি কীটপতঙ্গের উদাহরণ?

ক) কাঁকড়া

খ) শামুক

গ) প্রজাপতি

ঘ) মাছ


৫. নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক?

ক) শক্ত আবরণ থাকলেই প্রাণী মেরুদণ্ডী

খ) বড় প্রাণী সব সময় মেরুদণ্ডী

গ) মেরুদণ্ড না থাকলে প্রাণী অমেরুদণ্ডী

ঘ) পানিতে থাকা সব প্রাণী মেরুদণ্ডী


উত্তরমালা:

১. খ | ২. গ | ৩. ক | ৪. গ | ৫. গ


লেখক: আশরাফ উল আসাদ

#শিক্ষার্থীদের পাতা #শিক্ষা