শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
মজার সাথে শিক্ষা - ক্লাস ৩

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ১: অধ্যায় ৮: উদ্ভিদের বাড়ি কোথায়?

আশরাফ উল আসাদ • 05 সেপ্টেম্বর 2026, 03:48 রাত • 167 বার পঠিত
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ১: অধ্যায় ৮: উদ্ভিদের বাড়ি কোথায়?

“উদ্ভিদেরও কি বাড়ি আছে?”


আবাবিল আল আলিফের প্রশ্ন শুনে পুরো শ্রেণিকক্ষ হাসিতে ভরে গেল।


ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম বোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি হাসলেন, কিন্তু প্রশ্নটি উড়িয়ে দিলেন না।


“অবশ্যই। তবে মানুষের বাড়ির মতো নয়। উদ্ভিদ যে পরিবেশে জন্মায়, বেড়ে ওঠে এবং বেঁচে থাকে, সেই পরিবেশকে আমরা তার বাসস্থান বলতে পারি।”


নুসরাত জাহান বলল,


“মানে কোনো উদ্ভিদের বাড়ি মাটিতে, কোনো উদ্ভিদের বাড়ি পানিতে?”


“ঠিক।”


আনিশা মারজান বলল,


“তাহলে আজ আমরা উদ্ভিদের বাড়ি খুঁজব!”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“আজকের বিজ্ঞান অভিযান শুরু হচ্ছে এখান থেকেই।”


তিনি বোর্ডে চারটি শব্দ লিখলেন—


স্থলজ — জলজ — মরুজ — পরজীবী ও পরাশ্রয়ী


মেফতাহুল জান্নাত শব্দগুলো পড়ে বলল,


“এগুলো তো চারটা গোপন রাজ্যের নামের মতো!”


“তাহলে আজ তোমরাই হবে চার রাজ্যের বিজ্ঞান গোয়েন্দা,” বললেন ম্যাডাম।


প্রথম রাজ্য—মাটির দেশ


ফারজানা মরিয়ম সবাইকে স্কুলের বাগানে নিয়ে গেলেন।


চারদিকে নানা রকম গাছ।


আমগাছ।


জবাগাছ।


মেহেদি।


ঘাস।


ধানের চারার ছোট্ট অংশ।


ম্যাডাম বললেন,


“এখন বলো, এদের বেশির ভাগ কোথায় জন্মেছে?”


সবাই বলল,


“মাটিতে!”


“তাহলে এদের কী বলা হবে?”


আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল,


“স্থলজ উদ্ভিদ!”


“ঠিক। যেসব উদ্ভিদ মাটি বা ডাঙায় জন্মায় ও বেড়ে ওঠে, তাদের স্থলজ উদ্ভিদ বলা হয়।”


নুসরাত চারপাশে তাকিয়ে বলল,


“আমগাছ স্থলজ।”


আনিশা বলল,


“মেহেদিও স্থলজ।”


সাফুয়ান ঘাসের দিকে তাকিয়ে বলল,


“ঘাসও স্থলজ।”


ফারজানা মরিয়ম মাথা নাড়লেন।


“ঠিক।”


মাটির নিচে কী আছে?


ম্যাডাম একটি ছোট গাছের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন,


“স্থলজ উদ্ভিদ মাটির ওপর দেখা গেলেও তাদের মূল কোথায় থাকে?”


“মাটির নিচে!”


“কেন?”


মরিয়ম আক্তার বলল,


“গাছকে মাটিতে ধরে রাখে।”


আবু তালহা বলল,


“আর পানি ও খনিজ উপাদান গ্রহণ করে।”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“খুব ভালো। তাই মাটি শুধু উদ্ভিদের দাঁড়ানোর জায়গা নয়; মাটি থেকে উদ্ভিদ পানি ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও পায়।”


মেফতাহুল মাটির দিকে তাকিয়ে বলল,


“তাহলে মাটি হলো গাছের বিছানা, খাবারের দোকান আর বাড়ি—সব একসঙ্গে!”


ম্যাডাম হেসে বললেন,


“তোমার তুলনা বেশ মজার!”


দ্বিতীয় রাজ্য—পানির দেশ


এবার সবাই স্কুলের পাশের পুকুরের দিকে গেল।


পুকুরের পানিতে ভাসছে শাপলা।


কোথাও কচুরিপানা।


পানির ধারে কলমিশাক।


ফারজানা মরিয়ম জিজ্ঞেস করলেন,


“এবার বলো, এই উদ্ভিদগুলো কোথায় জন্মে?”


“পানিতে!”


“তাহলে এদের কী বলা হবে?”


সবাই একসঙ্গে বলল,


“জলজ উদ্ভিদ!”


ম্যাডাম বললেন,


“যেসব উদ্ভিদ পানিতে জন্মায় ও বৃদ্ধি পায়, তাদের জলজ উদ্ভিদ বলা হয়।”


নুসরাত শাপলার দিকে তাকিয়ে বলল,


“শাপলা তো পানির ওপর ভাসছে!”


“হ্যাঁ। শাপলা জলজ উদ্ভিদের একটি পরিচিত উদাহরণ।”


আনিশা বলল,


“কচুরিপানাও পানিতে ভাসে।”


“ঠিক।”


সাফুয়ান বলল,


“কলমিও জলজ?”


“হ্যাঁ, কলমি জলাভূমি ও পানিযুক্ত স্থানে জন্মাতে পারে।”


পানিতে থাকলেই কি সব উদ্ভিদ ভাসে?


আবাবিল জিজ্ঞেস করল,


“ম্যাডাম, জলজ উদ্ভিদ মানেই কি পানির ওপর ভাসতে হবে?”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“না। জলজ উদ্ভিদের সবগুলো একইভাবে থাকে না। কোনোটি পানিতে ভাসে, কোনোটি পানির নিচে থাকে, আবার কোনোটি পানির কাছাকাছি বা কাদামাটিতে জন্মায়।”


মেফতাহুল বলল,


“মানে জলজ উদ্ভিদেরও আলাদা আলাদা ঘর আছে!”


“ঠিক। পানির পরিবেশে থেকেও তাদের অবস্থান ভিন্ন হতে পারে।”


শাপলার সঙ্গে দেখা


ম্যাডাম শাপলার দিকে তাকিয়ে বললেন,


“শাপলার পাতাগুলো পানির ওপর ভাসে। কিন্তু উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের অবস্থান এক নয়।”


নুসরাত বলল,


“ফুলটাও তো পানির ওপর!”


“হ্যাঁ।”


আসাদুল্লাহ বলল,


“তাহলে শাপলা পানির সঙ্গে খুব ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে।”


“এটাই গুরুত্বপূর্ণ কথা,” বললেন ফারজানা মরিয়ম।


“উদ্ভিদ যে পরিবেশে থাকে, সেই পরিবেশের সঙ্গে তার গঠন ও জীবনযাপন অনেকাংশে মানিয়ে যায়।”


তৃতীয় রাজ্য—শুষ্ক মরুভূমি


ফারজানা মরিয়ম এবার একটি ছবি বের করলেন।


ছবিতে বিশাল মরুভূমি।


বালু।


তীব্র রোদ।


আর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে কাঁটায় ভরা একটি ক্যাকটাস।


মেফতাহুল বলল,


“ওই গাছটা দেখে মনে হচ্ছে ও কাউকে কাছে আসতে দিতে চায় না!”


সবাই হাসল।


ম্যাডাম বললেন,


“ক্যাকটাস শুষ্ক ও রুক্ষ পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে।”


তিনি বোর্ডে লিখলেন—


মরুজ বা রুক্ষ অঞ্চলের উদ্ভিদ


“যেসব উদ্ভিদ খুব কম পানির শুষ্ক পরিবেশে জন্মায় ও বেঁচে থাকে, তাদের মরুজ বা রুক্ষ অঞ্চলের উদ্ভিদ বলা হয়।”


আবু তালহা বলল,


“কিন্তু পানি ছাড়া গাছ বাঁচবে কীভাবে?”


“পানি একেবারেই না থাকলে কোনো উদ্ভিদের বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। কিন্তু কিছু উদ্ভিদ খুব কম পানিতেও টিকে থাকার মতো বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে।”


ক্যাকটাসের কাঁটা কেন?


সাফুয়ান জিজ্ঞেস করল,


“ক্যাকটাসের এত কাঁটা কেন?”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“ক্যাকটাসের কাঁটা আসলে পরিবর্তিত পাতার রূপ। এর কাঁটা গাছকে কিছু প্রাণীর খাওয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং পাতার আকার ছোট হওয়ায় পানি হারানোর পরিমাণ কমাতে সহায়তা করে।”


মেফতাহুল বলল,


“মানে ক্যাকটাসের কাঁটা হলো পাহারাদার!”


“এক অর্থে বলতে পারো।”


নুসরাত বলল,


“আর এর মোটা অংশে পানি জমা থাকতে পারে?”


“হ্যাঁ। ক্যাকটাসের মতো কিছু উদ্ভিদের দেহে পানি সঞ্চয়ের বিশেষ ক্ষমতা থাকে।”


মরুভূমির বিজ্ঞান


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“ভাবো, একটি গাছ যদি এমন জায়গায় থাকে যেখানে বৃষ্টি খুব কম হয়, তাহলে তাকে কী করতে হবে?”


আনিশা বলল,


“পানি বাঁচিয়ে ব্যবহার করতে হবে।”


“ঠিক।”


আসাদুল্লাহ বলল,


“শরীরে পানি ধরে রাখতে হবে।”


“ঠিক।”


“আর অতিরিক্ত পানি যেন নষ্ট না হয়, সে ব্যবস্থাও থাকতে হবে।”


“অসাধারণ।”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“এটাই উদ্ভিদের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার একটি উদাহরণ।”


চতুর্থ রাজ্য—অন্যের ওপর নির্ভরতা


সবাই ভাবছিল আজকের অভিযান শেষ।


কিন্তু ফারজানা মরিয়ম এবার একটি গাছের ডাল দেখালেন, যার ওপর অন্য একটি লতানো উদ্ভিদ জড়িয়ে আছে।


তিনি বললেন,


“এবার এই উদ্ভিদটির দিকে তাকাও।”


মেফতাহুল বলল,


“এটা তো অন্য গাছকে জড়িয়ে ধরেছে!”


“হ্যাঁ। কিছু উদ্ভিদ অন্য উদ্ভিদের ওপর নির্ভর করে জীবনযাপন করে।”


নুসরাত বলল,


“এদের কী বলা হয়?”


“পাঠ্যবইয়ের আলোচনায় আমরা পরজীবী ও পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ সম্পর্কে জানতে পারি।”


ম্যাডাম বললেন,


“কিছু উদ্ভিদ অন্য উদ্ভিদের ওপর নির্ভর করে পানি, পুষ্টি বা আশ্রয় পেতে পারে।”


স্বর্ণলতার রহস্য


ফারজানা মরিয়ম একটি স্বর্ণলতার ছবি দেখালেন।


পাতলা হলুদাভ লতা অন্য গাছকে ঘিরে আছে।


আবাবিল বলল,


“এটা তো গাছের ওপর সোনার দড়ির মতো!”


“এই কারণেই এর নাম স্বর্ণলতা।”


ম্যাডাম বললেন,


“স্বর্ণলতা অন্য উদ্ভিদের ওপর নির্ভর করে বেড়ে ওঠে। এটি একটি পরজীবী উদ্ভিদের পরিচিত উদাহরণ।”


মরিয়ম জিজ্ঞেস করল,


“তাহলে স্বর্ণলতা নিজের খাবার নিজে বানাতে পারে না?”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“স্বর্ণলতা পরজীবী উদ্ভিদ হিসেবে আশ্রয়দাতা উদ্ভিদের ওপর নির্ভর করে পুষ্টি সংগ্রহ করে। তাই একে সাধারণ স্বনির্ভর সবুজ উদ্ভিদের মতো ভাবা ঠিক নয়।”


পরাশ্রয়ী আর পরজীবী—একই?


মেফতাহুল হাত তুলল।


“ম্যাডাম, পরাশ্রয়ী আর পরজীবী কি একই?”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“সব সময় নয়। ‘পরাশ্রয়ী’ শব্দটি সাধারণভাবে অন্য উদ্ভিদের ওপর আশ্রয় নেওয়া বোঝাতে ব্যবহার করা হতে পারে। কিন্তু পরজীবী উদ্ভিদ আশ্রয়দাতা উদ্ভিদ থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে এবং তার ক্ষতি করতে পারে।”


আসাদুল্লাহ বলল,


“মানে শুধু আশ্রয় নেওয়া আর অন্যের খাবার নিয়ে বেঁচে থাকা এক জিনিস নয়।”


“একদম ঠিক।”


চার পরিবেশের মানচিত্র


ক্লাসে ফিরে ফারজানা মরিয়ম বোর্ডে একটি বড় মানচিত্র আঁকলেন।


এক পাশে মাটি।


এক পাশে পানি।


এক পাশে মরুভূমি।


আরেক পাশে একটি বড় গাছের ওপর জড়িয়ে থাকা লতা।


তিনি বললেন,


“এখন তোমরা বলো—কোন পরিবেশে কোন উদ্ভিদ?”


নুসরাত:


“মাটিতে—আম, কাঁঠাল, মেহেদি।”


আনিশা:


“পানিতে—শাপলা, কচুরিপানা, কলমি।”


সাফুয়ান:


“শুষ্ক অঞ্চলে—ক্যাকটাস।”


আবাবিল:


“অন্য উদ্ভিদের ওপর—স্বর্ণলতা।”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“অসাধারণ!”


বিজ্ঞান গোয়েন্দা প্রতিযোগিতা


ম্যাডাম ঘোষণা করলেন,


“এবার শেষ প্রতিযোগিতা।”


সবাই প্রস্তুত।


“আমি উদ্ভিদের নাম বলব, তোমরা তার বাসস্থান বলবে।”


“আম!”


সবাই—


“স্থলজ!”


“শাপলা!”


“জলজ!”


“ক্যাকটাস!”


“মরুজ!”


“স্বর্ণলতা!”


“পরজীবী!”


ফারজানা মরিয়ম এবার বললেন,


“ধান?”


“স্থলজ!”


“কচুরিপানা?”


“জলজ!”


“মেহেদি?”


“স্থলজ!”


“ক্যাকটাস?”


“মরুজ!”


সবাই আনন্দে হাততালি দিল।


একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা


ক্লাসের শেষে ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“আজ আমরা একটা বড় বিষয় শিখলাম।”


সবাই মনোযোগ দিল।


“উদ্ভিদ শুধু নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে না। তারা তাদের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে বেঁচে থাকে।”


তিনি বললেন,


“তাই কোনো গাছকে দেখলে শুধু তার নাম জানলেই হবে না। আমাদের ভাবতে হবে—সে কোথায় থাকে? তার পরিবেশ কেমন? সে কীভাবে সেই পরিবেশে বেঁচে থাকে?”


নুসরাত বলল,


“তাহলে গাছের বাসস্থান জানলে গাছকে আরও ভালোভাবে বোঝা যায়।”


“ঠিক।”


রহস্যের নতুন প্রশ্ন


সবাই ব্যাগ গুছিয়ে নিচ্ছে।


হঠাৎ মেফতাহুল জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,


“ম্যাডাম, আমরা আজ মাটি, পানি, মরুভূমি আর অন্য গাছ—সব জায়গা ঘুরলাম।”


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“হ্যাঁ।”


“কিন্তু একটা প্রশ্ন আছে।”


“কী?”


“সব উদ্ভিদ কি শুধু নিজের জন্যই বেঁচে থাকে?”


ক্লাসে নীরবতা।


ফারজানা মরিয়ম কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন।


তারপর বললেন,


“না।”


“উদ্ভিদ আমাদেরও অনেক কিছু দেয়।”


আসাদুল্লাহ বলল,


“ফল?”


“হ্যাঁ।”


“সবজি?”


“হ্যাঁ।”


“কাঠ?”


“হ্যাঁ।”


নুসরাত বলল,


“আর অক্সিজেন?”


ফারজানা মরিয়ম হাসলেন।


“ঠিক। উদ্ভিদ আমাদের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।”


ম্যাডাম বোর্ডে লিখলেন—


“উদ্ভিদ শুধু প্রকৃতির অংশ নয়—উদ্ভিদ আমাদের জীবনের অংশ।”


শিক্ষার্থীরা চুপ করে সেই বাক্যটির দিকে তাকিয়ে রইল।


ফারজানা মরিয়ম বললেন,


“পরের অধ্যায়ে আমরা খুঁজে দেখব—উদ্ভিদ আমাদের কী কী উপকার করে এবং কেন আমাদের উদ্ভিদকে ভালোবাসা ও রক্ষা করা উচিত।”


মেফতাহুল বলল,


“তাহলে পরের ক্লাসে গাছ আমাদের জন্য কী করে—সেটার গোয়েন্দাগিরি!”


ম্যাডাম হেসে বললেন,


“ঠিক তাই।”


চলবে...


আজকের শেখা


- উদ্ভিদ যে পরিবেশে জন্মায় ও বেড়ে ওঠে, তাকে তার বাসস্থান বলা যায়।

- স্থলজ উদ্ভিদ মাটি বা ডাঙায় জন্মায়। যেমন—আম, কাঁঠাল, মেহেদি, ধান।

- জলজ উদ্ভিদ পানিতে জন্মায় ও বেড়ে ওঠে। যেমন—শাপলা, কচুরিপানা, কলমি।

- মরুজ বা রুক্ষ অঞ্চলের উদ্ভিদ শুষ্ক ও কম পানির পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে। যেমন—ক্যাকটাস।

- কিছু পরজীবী উদ্ভিদ অন্য উদ্ভিদের ওপর নির্ভর করে পুষ্টি সংগ্রহ করে। যেমন—স্বর্ণলতা।

- উদ্ভিদের গঠন ও জীবনযাপন তাদের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।

- উদ্ভিদের বাসস্থান ও বৈশিষ্ট্য জানলে তাদের জীবন সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বোঝা যায়।


লেখক: আশরাফ উল আসাদ

#শিক্ষার্থীদের পাতা #শিক্ষা