তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ১: অধ্যায় ১: সবুজ বাগানের রহস্য
সকালটা অন্য দিনের চেয়ে একটু আলাদা।
স্কুলের ঘণ্টা বাজতেই তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা দ্রুত নিজেদের আসনে বসে পড়ল। কিন্তু আজ কারও চোখে বই খোলার তাড়া নেই। সবাই জানে, আজ বিজ্ঞান ক্লাস।
আর বিজ্ঞান ক্লাস মানেই—ফারজানা মরিয়ম ম্যাডামের নতুন কোনো চমক!
নুসরাত জাহান জানালার পাশে বসে বাইরে তাকিয়ে ছিল। স্কুলের বাগানে শিশিরভেজা ঘাস চিকচিক করছে। বড় আমগাছটির পাতাগুলো বাতাসে দুলছে। গোলাপগাছের ডালে ফুটে আছে কয়েকটি লাল ফুল।
আনিশা মারজান হঠাৎ বলল,
“নুসরাত, আজ ম্যাডাম কি আবার কোনো পরীক্ষা করাবেন?”
নুসরাত চোখ বড় করে বলল,
“জানি না! তবে আমার মনে হচ্ছে আজ কিছু একটা হবে।”
পেছন থেকে মেফতাহুল জান্নাত বলল,
“আমি কিন্তু পরীক্ষা করতে রাজি। তবে এমন পরীক্ষা যেন না হয় যেখানে আমাকে আগে থেকেই উত্তর মুখস্থ করতে হবে!”
সবাই হেসে উঠল।
আবাবিল আল আলিফ বলল,
“তাহলে তুমি নিশ্চয়ই বিজ্ঞান ভালোবাসো!”
মেফতাহুল গম্ভীর মুখে বলল,
“আমি বিজ্ঞান ভালোবাসি। কিন্তু বিজ্ঞান যদি আমাকে বেশি প্রশ্ন করে, তখন আমি বিজ্ঞানকে একটু ভয় পাই!”
আবার হাসির রোল পড়ে গেল।
ঠিক তখনই দরজা দিয়ে প্রবেশ করলেন ফারজানা মরিয়ম।
তাঁর হাতে কোনো মোটা বই নেই।
কোনো খাতা নেই।
এমনকি চকও নেই।
শুধু হাতে একটি ছোট্ট সবুজ গাছের চারা।
শিক্ষার্থীরা অবাক হয়ে গেল।
ফারজানা মরিয়ম চুপচাপ চারাটিকে টেবিলের ওপর রাখলেন।
তারপর বললেন,
“আজ আমরা শ্রেণিকক্ষে বিজ্ঞান শিখব না।”
সাফুয়ান অবাক হয়ে বলল,
“তাহলে কোথায় শিখব, ম্যাডাম?”
ফারজানা মরিয়ম জানালার বাইরে তাকিয়ে মৃদু হেসে বললেন,
“যেখানে বিজ্ঞান নিজেই আমাদের অপেক্ষা করছে।”
আসাদুল্লাহ আল গালিব সঙ্গে সঙ্গে বুঝে ফেলল।
“স্কুলের বাগানে?”
“ঠিক তাই।”
আবু তালহা হাত তুলে বলল,
“ম্যাডাম, বাগানে কি পরীক্ষা হবে?”
“পরীক্ষা হবে,” বললেন ফারজানা মরিয়ম, “তবে আজ তোমাদের খাতায় পরীক্ষা নয়। আজ পরীক্ষা হবে তোমাদের চোখের।”
মরিয়ম আক্তার অবাক হয়ে বলল,
“চোখের আবার পরীক্ষা হয় নাকি?”
“হয়,” ম্যাডাম বললেন। “যে চোখ শুধু দেখে, সে অনেক কিছুই দেখতে পায় না। কিন্তু যে চোখ মন দিয়ে পর্যবেক্ষণ করে, সে প্রকৃতির ভেতর লুকিয়ে থাকা অনেক রহস্য দেখতে পায়।”
বাগানে যাত্রা
কিছুক্ষণ পর আটজন শিক্ষার্থী ফারজানা মরিয়মকে ঘিরে স্কুলের বাগানে এসে দাঁড়াল।
বাগানটি খুব বড় নয়। কিন্তু সেখানে যেন ছোট্ট একটি সবুজ পৃথিবী।
এক পাশে আমগাছ।
তার পাশে একটি জবা গাছ।
নিচে ঘাস।
একটি কোণে মরিচগাছ।
আর একটু দূরে একটি ছোট পুকুর, যেখানে কয়েকটি শাপলা ভেসে আছে।
ফারজানা মরিয়ম বললেন,
“আজ তোমাদের প্রথম কাজ—চুপচাপ চারদিকে তাকাও। কথা বলবে না। শুধু দেখবে।”
সবাই চুপ হয়ে গেল।
কয়েক সেকেন্ড পর নুসরাত বলল,
“ম্যাডাম, এখানে তো অনেক গাছ!”
“কত রকম?” প্রশ্ন করলেন ফারজানা মরিয়ম।
নুসরাত থেমে গেল।
“অনেক রকম...”
“শুধু ‘অনেক’ বললে হবে না। ভালো করে দেখো।”
শিক্ষার্থীরা এবার চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল।
আনিশা একটি গোলাপগাছের কাছে গেল।
মেফতাহুল ঘাসের দিকে তাকিয়ে বসে পড়ল।
আবাবিল আমগাছের নিচে দাঁড়িয়ে উপরের দিকে তাকাল।
সাফুয়ান পুকুরের শাপলা দেখতে গেল।
আসাদুল্লাহ একটি মরিচগাছের পাশে দাঁড়াল।
আবু তালহা মাটিতে পড়ে থাকা একটি শুকনো পাতা তুলে নিল।
মরিয়ম জবা ফুলের দিকে তাকিয়ে রইল।
কিছুক্ষণ পর ফারজানা মরিয়ম সবাইকে আবার একত্র করলেন।
“এবার বলো, তোমরা কী দেখেছ?”
নুসরাত বলল,
“আমি গোলাপগাছ দেখেছি।”
আনিশা বলল,
“আমি জবা গাছ।”
সাফুয়ান বলল,
“আমি শাপলা দেখেছি।”
মেফতাহুল বলল,
“আমি ঘাস দেখেছি।”
ফারজানা মরিয়ম মাথা নাড়লেন।
“ভালো। কিন্তু আজ আমরা শুধু গাছের নাম শিখব না। আমরা জানব—উদ্ভিদ আসলে কী?”
গাছ কি জীবিত?
ম্যাডাম একটি প্রশ্ন করলেন,
“তোমরা কি মনে করো, উদ্ভিদ জীবিত?”
সবাই একসঙ্গে বলল,
“হ্যাঁ!”
ফারজানা মরিয়ম আবার জিজ্ঞেস করলেন,
“কেন?”
এবার সবাই চুপ।
মরিয়ম আক্তার বলল,
“কারণ গাছ বড় হয়।”
“খুব ভালো।”
আবু তালহা বলল,
“গাছেরও জন্ম হয়।”
“ঠিক।”
আসাদুল্লাহ বলল,
“গাছ মারা যায়ও।”
ফারজানা মরিয়ম হাসলেন।
“সঠিক। উদ্ভিদও জীবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তারা বৃদ্ধি পায়, বেঁচে থাকে এবং বংশবৃদ্ধি করে।”
মেফতাহুল হাত তুলল।
“ম্যাডাম, কিন্তু গাছ তো আমাদের মতো হাঁটতে পারে না!”
“হাঁটতে না পারলেই কি জীবিত হওয়া যায় না?”
মেফতাহুল একটু ভেবে বলল,
“তা হলে তো আমার স্কুলব্যাগও জীবিত হওয়ার কথা না!”
সবাই হেসে ফেলল।
ফারজানা মরিয়মও হাসলেন।
“না, স্কুলব্যাগ জীবিত নয়। কারণ তার নিজের মতো করে বৃদ্ধি, জীবনক্রিয়া ও বংশবৃদ্ধি নেই।”
তারপর তিনি একটি পাতার দিকে ইঙ্গিত করলেন।
“উদ্ভিদ সূর্যের আলো ও মাটির পানি এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান ব্যবহার করে নিজের খাদ্য তৈরি করতে পারে। এ কারণেই উদ্ভিদ জীবজগতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”
গাছের শরীর আছে?
ফারজানা মরিয়ম এবার মাটির কাছে বসে একটি ছোট্ট গাছ দেখালেন।
“এই গাছটির শরীরের অংশগুলো তোমরা বলতে পারবে?”
নুসরাত বলল,
“পাতা আছে।”
আনিশা বলল,
“ফুল আছে।”
সাফুয়ান বলল,
“কাণ্ড আছে।”
মরিয়ম বলল,
“ফলও হতে পারে।”
ফারজানা মরিয়ম বললেন,
“চমৎকার। কিন্তু তোমরা কি মাটির নিচে কিছু দেখতে পাচ্ছ?”
সবাই মাটির দিকে তাকাল।
“না!”
“কেন দেখতে পাচ্ছ না?”
আবাবিল বলল,
“কারণ সেটা মাটির নিচে!”
“ঠিক। সেখানে আছে মূল।”
ম্যাডাম মাটিতে একটি ছবি আঁকলেন।
ছবিতে একটি গাছ। মাটির ওপরে কাণ্ড, পাতা, ফুল ও ফল। আর মাটির নিচে ছড়িয়ে আছে শিকড়।
“একটি সাধারণ পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদের প্রধান অংশ হলো—মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল ও ফল।”
মেফতাহুল হাত তুলে বলল,
“ম্যাডাম, সব গাছের কি পাঁচটি অংশই থাকে?”
ফারজানা মরিয়ম বললেন,
“সব উদ্ভিদে সব অংশ একইভাবে বা একই সময়ে দেখা যায় না। তবে একটি সাধারণ পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদের প্রধান অংশ হিসেবে আমরা মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল ও ফল সম্পর্কে শিখব।”
মাটির নিচের রহস্য
ফারজানা মরিয়ম এবার বললেন,
“ধরো, প্রচণ্ড বাতাস শুরু হলো। এই ছোট্ট গাছটি কীভাবে মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকবে?”
আসাদুল্লাহ বলল,
“কাণ্ড ধরে রাখবে!”
ম্যাডাম বললেন,
“কাণ্ড গাছকে ধরে রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু মাটির সঙ্গে গাছকে শক্তভাবে আটকে রাখার বড় কাজটি করে মূল।”
তিনি বললেন,
“মূল সাধারণত মাটির নিচে থাকে। এটি গাছকে মাটিতে শক্তভাবে ধরে রাখে এবং মাটি থেকে পানি ও খনিজ উপাদান শোষণ করে।”
সাফুয়ান অবাক হয়ে বলল,
“মানে গাছ মাটির নিচ থেকে পানি খায়?”
“হ্যাঁ,” বললেন ম্যাডাম।
মেফতাহুল সঙ্গে সঙ্গে বলল,
“তাহলে গাছের গ্লাস কোথায়?”
সবাই আবার হেসে উঠল।
ফারজানা মরিয়ম বললেন,
“গাছের গ্লাস নেই। তার মূলই পানি সংগ্রহের কাজে সাহায্য করে।”
কাণ্ডের কাজ
এরপর সবাই একটি ছোট আমগাছের সামনে গেল।
ম্যাডাম কাণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করলেন।
“এটি কী?”
“কাণ্ড!”
“কাণ্ডের কাজ কী?”
আনিশা বলল,
“গাছকে দাঁড় করিয়ে রাখা।”
“ঠিক। কাণ্ড মাটির উপরে থাকে এবং গাছের শাখা-প্রশাখা ও পাতাকে ধরে রাখে।”
আবু তালহা বলল,
“ফুলও?”
“হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রে ফুল ও ফলও কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকে।”
পাতার সবুজ রহস্য
এবার ফারজানা মরিয়ম একটি সবুজ পাতা হাতে নিলেন।
“এই পাতাটিকে তোমরা প্রতিদিন দেখো। কিন্তু জানো কি, এই ছোট্ট পাতার ভেতরে অসাধারণ একটি কাজ হয়?”
সবাই কৌতূহলী হয়ে উঠল।
“কী কাজ, ম্যাডাম?”
“উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির প্রধান অঙ্গ হলো পাতা।”
নুসরাত বলল,
“পাতা তাহলে গাছের রান্নাঘর?”
ফারজানা মরিয়ম হেসে বললেন,
“চমৎকার তুলনা! পাতাকে উদ্ভিদের সবুজ খাদ্য তৈরির কারখানা বা রান্নাঘরের সঙ্গে তুলনা করা যায়।”
শিক্ষার্থীরা পাতাটির দিকে নতুন চোখে তাকাল।
যে পাতাকে তারা এতদিন শুধু সবুজ একটি অংশ বলে জানত, সেটিই যে গাছের খাদ্য তৈরির প্রধান অঙ্গ—এ কথা তাদের কাছে বেশ বিস্ময়কর মনে হলো।
ফুলের হাসি
এরপর সবাই জবা গাছের সামনে গেল।
লাল জবা ফুলটি বাতাসে দুলছে।
মরিয়ম আক্তার বলল,
“ম্যাডাম, ফুল তো শুধু সুন্দর!”
ফারজানা মরিয়ম বললেন,
“ফুল সুন্দর—এটা ঠিক। কিন্তু ফুলের কাজ শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা নয়।”
তিনি বললেন,
“ফুল উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ফল ও বীজ তৈরিতে সাহায্য করে।”
আবাবিল বলল,
“তাহলে ফুলের ভেতরে ভবিষ্যতের বীজের গল্প লুকিয়ে থাকে?”
“ঠিক তাই।”
সবাই ফুলটির দিকে আরও মনোযোগ দিয়ে তাকাল।
ফলের ভেতরে কী?
ফারজানা মরিয়ম এবার একটি পাকা টমেটো হাতে নিলেন।
“এটি কী?”
“টমেটো!”
“এটি উদ্ভিদের কোন অংশ?”
“ফল!”
ম্যাডাম টমেটোটি কেটে দেখালেন।
ভেতরে ছোট ছোট বীজ।
তিনি বললেন,
“ফুলের রূপান্তরের মাধ্যমে ফল তৈরি হয়। আর ফলের ভেতরে সাধারণত বীজ থাকে।”
সাফুয়ান বলল,
“তাহলে একটা ফলের ভেতরে ভবিষ্যতের নতুন গাছ লুকিয়ে থাকে!”
“হ্যাঁ,” বললেন ফারজানা মরিয়ম। “সেই বীজ উপযুক্ত পরিবেশ পেলে নতুন উদ্ভিদের জন্ম হতে পারে।”
প্রথম রহস্যের সমাধান
সূর্য তখন একটু পশ্চিমে হেলে পড়েছে।
ফারজানা মরিয়ম সবাইকে একসঙ্গে দাঁড় করিয়ে বললেন,
“আজ আমরা কী শিখলাম?”
নুসরাত বলল,
“উদ্ভিদ জীবজগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”
আনিশা বলল,
“উদ্ভিদের প্রধান অংশ—মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল ও ফল।”
মেফতাহুল বলল,
“মূল মাটির নিচে থাকে।”
আসাদুল্লাহ বলল,
“মূল গাছকে মাটিতে শক্ত করে ধরে এবং পানি ও খনিজ শোষণ করে।”
আবু তালহা বলল,
“কাণ্ড গাছের শাখা-প্রশাখা ও পাতাকে ধরে রাখে।”
মরিয়ম বলল,
“পাতা খাদ্য তৈরির প্রধান অঙ্গ।”
সাফুয়ান বলল,
“ফুল ফল ও বীজ তৈরিতে সাহায্য করে।”
আবাবিল যোগ করল,
“আর ফলের ভেতরে সাধারণত বীজ থাকে।”
ফারজানা মরিয়ম হাসলেন।
“আজ তোমরা শুধু একটি গাছ দেখোনি। তোমরা একটি গাছের ভেতরের গল্প দেখতে শুরু করেছ।”
মেফতাহুল বলল,
“ম্যাডাম, তাহলে কাল আমরা কি গাছের গোয়েন্দা হতে পারব?”
ফারজানা মরিয়ম রহস্যময়ভাবে বললেন,
“হয়তো।”
“হয়তো কেন?”
“কারণ পরের ক্লাসে তোমরা এমন কিছু গাছের সঙ্গে দেখা করবে, যারা একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা!”
সবাই উত্তেজিত হয়ে উঠল।
নুসরাত জিজ্ঞেস করল,
“কীভাবে আলাদা?”
ফারজানা মরিয়ম শুধু বললেন,
“কেউ খুব ছোট, কেউ ঝোপের মতো, আবার কেউ এত বড় যে তার ছায়ায় তোমাদের পুরো শ্রেণি বসতে পারে।”
মেফতাহুল চোখ বড় করে বলল,
“তাহলে কালকের ক্লাসে গাছের সঙ্গে দেখা হবে?”
ফারজানা মরিয়ম হেসে বললেন,
“কাল শুরু হবে উদ্ভিদ চেনার নতুন অভিযান।”
শিক্ষার্থীরা তখনও জানত না—এই ছোট্ট স্কুলবাগানই তাদের সামনে খুলে দিতে চলেছে উদ্ভিদজগতের এক বিশাল রহস্যের দরজা।
চলবে...
আজকের শেখা
- উদ্ভিদ জীবজগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- উদ্ভিদের প্রধান অংশ হলো মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল ও ফল।
- মূল গাছকে মাটিতে ধরে রাখে এবং পানি ও খনিজ উপাদান শোষণ করে।
- কাণ্ড শাখা-প্রশাখা ও পাতাকে ধরে রাখে।
- পাতা উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির প্রধান অঙ্গ।
- ফুল ফল ও বীজ তৈরিতে সাহায্য করে।
- ফুলের রূপান্তরের মাধ্যমে ফল তৈরি হয় এবং ফলে সাধারণত বীজ থাকে।
লেখক: আশরাফ উল আসাদ