পিকে হালদার ১০ দিনের রিমান্ডে
প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদারকে জ্ঞিাসাবাদরে জন্য আরো ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। সিবিআই স্পেশাল কোর্টের বিচারক মাসুক হোসেইন খান ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।
ইডি আজ মঙ্গলবার পিকে হালদারকে প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের অধীনে কলকাতা নগর দায়রা আদালতে হাজির করে। আদালতে সরকারি আইনজীবী ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন।
সরকারি পক্ষের আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী পরে জানান, তারা ১৪ দিনের আবেদন করলেও আদালত পিকে হালদারের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
দেশ থেকে কয়েক হাজার টাকা আত্মসাত করে ২০১৯ সালে পালিয়ে যান পিকে হালদার। মনে করা হতো তিনি কানাডায় বসবাস করছেন। কিন্তু পরে জানা যায় নাম বদলে ভারতে অবস্থান করছেন। সেখানেই বাংলাদেশের অনুরোধের প্রেক্ষিতে শনিবার ইডি পিকে হালদারকে গ্রেপ্তার করে। তার পর থেকে ফের তিনি আলোচনায়।
তাকে প্রথম দফা আদালতে তুলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনি দিনের রিমান্ডে পেয়েছিল ইডি। এবার পেল আরো লম্বা সময়ের জন্য।
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে পি কে হালদারের প্রাসাদসম বাড়িসহ অনেক সম্পদের সন্ধান পেয়েছে ইডি। এই সংক্রান্ত নথি তাদের হাতে এসেছে বলে জানায় তারা। তারা জানায়, পিকে হালদার শিবশংকর হালদার নাম নিয়ে ভারতে বসবাস করছিলেন।
এই পরিচয় দিয়ে তিনি ভারতের বেশ কিছু সরকারি পরিচয়পত্র, যেমন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রেশন কার্ড, ভারতের ভোটার পরিচয়পত্র, আয়কর দপ্তরের পরিচয়পত্র পিএএন (প্যান), নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র, আধার কার্ড ইত্যাদি পরিচয়পত্র জোগাড় করেছিলেন। পিকে হালদার ও তাঁর অন্য সহযোগীরা একই কাজ করেছিলেন বলেও জানিয়েছে ইডি।
জানা গেছে, এইসব পরিচয়পত্রের সাহায্যে ভারতে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বেশ কিছু সংস্থা (কোম্পানি) পি কে হালদার ও তাঁর সহযোগীরা খুলেছিলেন। তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় জমিজমাও কিনেছিলেন। কলকাতার বিভিন্ন অভিজাত এলাকাতেও তাঁদের বেশ কিছু বাড়ি রয়েছে।