এইচএসসির ফলে ধস: অকৃতকার্য শিক্ষার্থী বেড়েছে ৬.৭১ শতাংশ
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৩ হাজার ১১৩ শিক্ষার্থী। ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেননি।
গত বছরের চেয়ে এবার কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি। গত বার কেউ পাশ করেনি, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি।
এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। ২০২৫ সালে এই হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এই হিসেবে এবার অকৃতকার্য শিক্ষার্থী বেড়েছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।
শনিবার সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
অকৃতকার্যদের মধ্যে এক বা দুই বিষয়ে যারা ফেল করেছে, সম্ভব হলে এক মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের কথা বলেছেন তিনি।
আর শিখনের ক্ষেত্রে ঘাটতি থাকার কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ফলাফলে এভাবে নিচের দিকে নেমে আসা কখনও কাম্য নয়।
“ঘাটতি আমাদের শিখন পদ্ধতিতে রয়েছে, অভিভাবকদের রয়েছে, পরিবেশ রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে যে ঘাটতি রয়েছে, সেটাকে আমাদেরকে পুনঃনির্ধারণ করতে হবে এবং এটাকে আমাদের অ্যাড্রেস করতে হবে—এটাই আমাদের দায়িত্ব।”
ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেছেন, “আমাদের নির্বাচিত সরকারের আয়োজিত প্রথম এই এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষায় আমরা নির্মোহ মূল্যায়ন নিশ্চিত করেছি।
“প্রত্যেকের খাতায় যে পরীক্ষা যেভাবে দিয়েছে, তার উপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে চাইছি এবং এই প্রথমবারের মতন থাকছে পূর্ণাঙ্গ পুনর্নিরীক্ষা।”
বরাবরের মতই শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি মোবাইলে এসএমএস করেও উচ্চমাধ্যমিকের ফল জানা যাচ্ছে।