ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে নলছিটিতে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি
২৫ মে থেকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারে পানিতে প্লাবিত হয়েছে নলছিটি উপজেলার বেশকিছু গ্রাম। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে ঝালকাঠির নলছিটিতে মাছের ঘের, রাস্তা-ঘাট, পানের বরজ ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই জোয়ারে পানিতে পৌরসভাসহ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হতে শুরু করে। পরের দিন বুধবার ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে নলছিটির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন থেকে চার ফুট উচ্চতায় পানি বৃদ্ধি পায়। ফলে পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে যায়। জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে বেশ কিছু ইট ও মাটির রাস্তা ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়াও মাছের ঘের, পানের বরজসহ বিভিন্ন ধরনের মৌসুমী ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
ওই এলাকার কুতুবে রাব্বানি ও মাহাবুবসহ বেশ কয়েকজন জানান, অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে ঘেরের মাছ ভেসে গেছে। এতে তাদের ব্যাপক লোকসান হয়েছে।
পানের বরজের মালিকদের কাছ থেকে জানা গেছে, চলতি বছরে বৃষ্টি না হওয়ার কারণে এমনিতেই পানের ফলন ভালো হয়নি। আবার বন্যার পানিতে বরজ তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হলো।
নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন একাধিক জনপ্রতিনিধি। নলছিটি পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়াহেদ খান জানান, ইয়াসে পৌরসভায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সরেজমিনে দেখতে পৌরসভার কাউন্সিলরদের নিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেছি।
এ ব্যাপারে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুম্পা সিকদার বলেন, কৃষি, মৎস্য, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন মহল থেকে খবর নিয়েছি। ইয়াসে নলছিটি উপজেলায় দুই কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।