৩০০ সেনাসহ দু’টি রুশ সামরিক বিমান ভূপাতিত করেছে ইউক্রেন
জাতিসংঘের ‘মিনতি’ উপেক্ষা করে প্রতিবেশী ইউক্রেনে হামলা শুরু করেছে শক্তি-সামর্থ্য-আকার সব বিচারে বহু এগিয়ে থাকা রাশিয়া। স্থানীয় সময় গত বৃহস্প হামলা চালাচ্ছে। সক্ষমতা অনুযায়ী পাল্টা আঘাত করছে ইউক্রেনও।
পাল্টাপাল্টি এতিবার সকালে ইউক্রেনের বিভিন্ন বড় শহরে একযোগে চালানো সেই হামলা থেকে রক্ষা পায়নি রাজধানী কিয়েভও। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের প্রথম দেশ হিসাবে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রপথে ইউক্রেনে সবচেয়ে বড়ই হামলার মধ্যেই নতুন দাবি সামনে এনেছে ইউক্রেন। পূর্ব ইউরোপের এই দেশটির দাবি, রাশিয়ার দুইটি বড় পরিসরের সামরিক বিমান ভূপাতিত করেছে তারা। অন্যদিকে ভূপাতিত করা এই বিমান দু’টিতে ৩০০ জন পর্যন্ত রুশ সেনা অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
এদিকে শুক্রবার রাতে ইউক্রেনের সরকার দাবি করে, প্যারাট্রুপার বহরকারী রাশিয়ার দু’টি সামরিক বিমান ভূপাতিত করেছে তারা। রাজধানী কিয়েভের উপকণ্ঠে বিমান দুইটিকে গুলি করে নামানো হয়। অবশ্য বিমান ভূপাতিতের ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য সামনে আনেনি দেশটি।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার কিয়েভের ২০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত ভ্যাসিলকিভের কাছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর আইএল-৭৬ মডেলের একটি বিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে তারা।
দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গুলি করে ভূপাতিত করা এই দু’টি সামরিক বিমানের আরোহীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। আইএল-৭৬ মডেলের এই বিমানগুলো ১৯৭৪ সালে ব্যবহার করা শুরু হয় এবং এগুলো মাঝারি পাল্লার সামরিক পরিবহন বিমান হিসেবেই পরিচিত।
চার ইঞ্জিনবিশিষ্ট এই বিমানটি পরিপূর্ণ সামরিক সরঞ্জামে সজ্জিত ১৫০ থেকে ২২৫ জন সেনা বহন করতে সক্ষম। মূলত প্যারাট্রুপারদের যুদ্ধে ময়দানে নামানো এবং যুদ্ধরত সেনাদের জন্য পুনরায় অস্ত্র সরবরাহ করার কাজে এই ধরনের বিমান ব্যবহার করা হয়ে থাকে।