যুক্তরাষ্ট্রের কর ব্যবস্থা নতুন করে সাজাতে উদ্যত হয়েছেন বাইডেন
দেশের জন্য তার অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করতে এবার যুক্তরাষ্ট্রের কর ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে উদ্যত হয়েছেন জো বাইডেন। যার প্রাথমিক খসড়া বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, বিত্তশালী নাগরিকদের উপরেই এই পরিবর্তিত নীতির প্রভাব পড়তে চলেছে সবচেয়ে বেশি। প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে, ধনীদের পাশাপাশি বড় সংস্থাগুলির লগ্নি থেকে উপার্জিত লাভের উপরেও করের বোঝা যতটা বাড়তে চলেছে, তারও নজির নেই এ দেশে। এ নিয়েই দেখা দিয়েছে বিতর্ক।
সব শিশুর সঠিক পরিচর্যা, তাদের সকলের জন্য প্রি-কিন্ডারগার্টেন স্তরের শিক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব স্তরের কর্মীদের সবেতন ছুটি নেয়ার সুবিধা দেয়াসহ একাধিক পরিকল্পনা রয়েছে বাইডেন প্রশাসনের। যার জন্য প্রয়োজন প্রায় এক লক্ষ কোটি ডলার!
হোয়াইট হাউসের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই বিপুল পরিমাণ খরচ বহনের সাহাযার্থেই আয়করের মাত্রা ৩৭% থেকে বাড়িয়ে ৩৯.৬% করার প্রস্তাব আনা হবে। পাশাপাশি যাদের আয় ১০ লাখ ডলারের উপরে শুধুমাত্র তাদের ক্ষেত্রেই লগ্নি থেকে আসা লাভের উপরে করের মাত্রা ৩৯.৬% করা হতে পারে। যা বর্তমানের তুলনায় অনেকটাই বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে লগ্নির লভ্যাংশের উপর কর প্রথম থেকেই শুধু ধনীদের উপরেই চাপানো হয়। তবে ১৯২০ সালের পর থেকে সেই অঙ্কে কোনো বদল ঘটেনি। বরাবরই তা ৩৩.৮ শতাংশই ছিল। বাইডেনের এই নতুন কর নীতি বলবৎ হলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময় থেকে চলে আসা নিয়ম ভেঙে তা রীতিমতো ইতিহাস সৃষ্টি করবে!
আগামী বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের সামনে বক্তব্য রাখবেন বাইডেন। ওই দিনই এই প্রস্তাবের বিশদ বিবরণ প্রকাশ করা হবে। তবে চূড়ান্ত প্রস্তাবে বেশ কিছু বদল আনা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছেন হোয়াইট হাউসের একাধিক কর্মকর্তা।