শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

ভিসা ও গ্রিন কার্ডের প্রসেসিং ফি বাড়ালো যুক্তরাষ্ট্র

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন • 04 মার্চ 2026, 11:13 দুপুর • 142 বার পঠিত
ভিসা ও গ্রিন কার্ডের প্রসেসিং ফি বাড়ালো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে অল্প সময়ের মধ্যে ভিসা এবং গ্রিন কার্ড পেতে আগ্রহী আবেদনকারীদের জন্য কিছুটা পরিস্থিতি ‘জটিল’ হতে চলেছে। মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) মার্চের ১ তারিখ থেকে প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি বাড়ানোর বিষয়ে নতুন নিয়ম কার্যকর করেছে।

এই নিয়মে এইচ-১বি ভিসা থেকে শুরু করে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড পেতে বাড়তি টাকা গুণতে হবে আবেদনকারীকে।

ইউএসসিআইএসের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে মুদ্রাস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এবং ভিসা প্রক্রিয়ায় চলমান দীর্ঘ জট কমিয়ে আনতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইউএসসিআইএস বলছে বর্ধিত ফিসহ পাওয়া ভিসা আবেদনগুলোই অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রসেসিংয়ের আওতায় আসবে। নাহলে সেগুলো সরাসরি ফেরত পাঠাবে কর্তৃপক্ষ। তবে বর্ধিত হারে ফি বাড়ানোর মানে এই নয় যে, সেটি অনুমোদনের নিশ্চয়তা পেল।

এইচ-১বি, কর্মসংস্থান ভিত্তিক গ্রিনকার্ড, এল-১ ভিসার প্রিমিয়াম ফি ২,৮০৫ ডলার থেকে বেড়ে ২,৯৬৫ ডলার হয়েছে। পারিবারিক কোটায় গ্রিনকার্ডের আবেদনের ফি বাড়ানো হয়নি।

মৌসুমী ও ধর্মীয় কর্মী এইচ-২বি ও আর-১ শ্রেণির কর্মীদের জন্য ফি ১,৬৮৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১,৭৮০ ডলার করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীর ওয়ার্ক পারমিট ওপিটি ও এসটিইএম-ওপিটি অনুমোদনের জন্য প্রিমিয়াম ফি এখনও ১,৭৮০ ডলার রাখা হয়েছে। এছাড়া এফ, জে এবং এম ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীদের স্ট‍্যাটাস পরিবর্তনের ফি বেড়ে হয়েছে ২,০৭৫ ডলার।

ও-১, পি, কিউ, ই এবং টিএন (আই-১২৯) ওয়ার্কভিসা প্রসেসিংয়ের ফিও ২৮০৫ ডলার থেকে ২৯৬৫ ডলারে বৃদ্ধি করা হয়েছে।

ইউএসসিআইএসের ওয়েবসাইটে এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে মার্চের ১ তারিখে ডাকযোগে পাঠানো আবেদনে যদি পুরোনো ফি সংযুক্ত করা হয়, তবে সেই আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হবে। ফলে আবেদনকারীর সময় নষ্ট হতে পারে।

মার্কিন আইন অনুযায়ী, প্রতি দুই বছর পরপর প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি পর্যালোচনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই ভবিষ্যতে এই ফি আরও বাড়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

মুদ্রাস্ফীতির বাজারে এই বাড়তি খরচ নিয়োগকর্তা ও অভিবাসী কর্মী-উভয় পক্ষের জন্যেই একটি বাড়তি চাপ হিসেবে দেখা দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে জট কমানোর প্রতিশ্রুতি পূরণ হলে এটি দীর্ঘমেয়াদে আবেদনকারীদের জন্য সুফল বয়ে আনতে পারে বলে মনে করছেন নিউ ইয়র্কের অভিবাসন অ্যাটর্নি অশোক কর্মকার।