ভবনের নিচে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর রক্তাক্ত লাশ
চারতলা একটি ভবনের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন আকাশ। এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাটি রাজধানী ঢাকার শুক্রাবাদের।
২৪ বছর বয়সী আকাশ রায় নামের ওই যুবা ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ থেকে স্নাতক শেষ করেছেন বলে জানা যায়। শুক্রাবাদের এক বাসায় বন্ধুদের সঙ্গে মেস করে থাকতেন তিনি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ফাঁড়ির সূত্রে জানা যায়, আকাশকে তার বন্ধুরা বুধবার সকাল সাতটার দিকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক দেখার পর জানান, আকাশ আগেই মারা গেছেন।
মৃত্যুর কারণ হিসেবে পুলিশ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। কিভাবে আকাশের মৃত্যু হলো তা তদন্ত করে দেখতে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
শুক্রাবাদের ওই বাসায় আকাশরা পাঁচ বন্ধু মিলে মেস করে থাকতেন। চার তলা ভবনের তৃতীয় তলায় থাকতেন তারা। তাকে হাসপাতোলে নিয়ে যাওয়া বন্ধুদের ধারণা, ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন আকাশ।
এক বন্ধু জানান, এদিন ভোরে ভবনটির নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় আকাশকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মুখ দিয়ে হারপিকের গন্ধ আসছিল। আর তার মোবাইল ফোনটি পাওয়া যায় বাড়ির ছাদে।
এই সূত্র মিলিয়ে বন্ধুদের ধারণা, ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন আকাশ। ছাদ থেকে লাফ দেওয়ার আগে তিনি হারপিক খেয়েছিলেন।
আকাশের বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা নামের গ্রামে। তার বাবার নাম রতন রায়। আকাশের পরিবারের সবাই গ্রামে থাকেন। পুলিশ তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।