টিপু হত্যার অন্যতম ‘মাস্টারমাইন্ড’ গ্রেপ্তার
ঢাকার মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু হত্যাকাণ্ডে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে এই তথ্য জানায় র্যাব। নতুন চাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের ‘পরিকল্পকারী’ আছেন বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে ২৪ মার্চ ঘটিত ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত দুজনকেই রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
শুক্রবার রাত ১২টার দিকে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পাঠানো বার্তায় জানানো হয়, ‘বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর জাহিদুল ইসলাম টিপু ও সামিয়া আফরান প্রীতি হত্যাকাণ্ডের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড এবং টিপুকে অনুসরণকারীসহ চারজনকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।’
তবে ওই পরিকল্পনাকারী বা বাকি তিনজনের নাম ওই বার্তায় প্রকাশ করা হয়নি। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশের এ বিশেষায়িত ইউনিট।
র্যাবের সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণের ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ মার্চ ঢাকার শাহজাহানপুরের আমতলী এলাকায় অস্ত্রধারীর গুলিতে নিহত হন আওয়ামী লীগ নেতা টিপু। জ্যামে মাইক্রোবাসে বসে ছিলেন তিনি। এ সময় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যাকারীর গুলিতে পাশে রিকশায় বসে থাকা কলেজছাত্রী সামিয়া আফরান প্রীতিও মারা যান। গুলিতে আহত হন টিপুর গাড়ি চালক মুন্না।
ওই ঘটনায় টিপুর স্ত্রী ফারহানা ইসলাম ডলি শাহজাহানপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ওই হত্যাকাণ্ডের পর ২৭ মার্চ বগুড়া থেকে মাসুম মোহাম্মদ আকাশ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন পুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আকাশ মূল খুনি। খুন করে জয়পুরহাট সীমান্ত থেকে তিনি দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাতে ব্যর্থ হয়ে বগুড়ায় ফিরে গিয়ে গ্রেপ্তার হন।
আদালতে হাজির করে আকাশের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তবে পুলিশ জানিয়েছিল, আকাশ মূলত ভাড়াটে খুনি। চুক্তির বিনিময়ে খুন করেছেন তিনি। এই হত্যাকাণ্ডের আরো বিস্তারিত উদ্ধার করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাজধানীর কমলাপুর থেকে অস্ত্রসহ দামালকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবার ধরা পড়লেন আরো চারজন।