বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তারা আত্মসমর্পণ করে।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, মো. মোসলেম উদ্দিন, আশেক উল্লাহ রফিক ও মোহাম্মদ জাফর আলমসহ পুলিশ প্রধান বেনজির আহমেদ ও র্যাব কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে দস্যুদের কাছ থেকে ৯০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই হাজার ৫৬টি গুলি জমা পড়ে।
চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলায় আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে এসে গণমাধ্যমকে র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘মহেশখালী উপকূল অঞ্চলে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ মানুষ বসবাস করে। এই মানুষগুলোর জীবিকা নির্ভর করে উপকূল কেন্দ্রিক অর্থনীতির ওপর। কিন্তু এই ডাকাতদের কারণে তারা এক প্রকার জিম্মি হয়ে আছেন। ডাকাতদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে জিম্মি দশা থেকে মুক্ত হবেন সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে দিয়ে উপকূল অঞ্চলে শান্তির সুবাতাস বইবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সুন্দরবন মহেশখালীতে একাধিকবার আত্মসমর্পণের পর আমরা এবার আরেকটি আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছি। ১১টি বাহিনীর ৩৪ জন ডাকাত আত্মসমর্পণ করছেন। যাদের এর আগে আত্মসমর্পণ করা সুযোগ ছিল না তারাই এবার সুযোগ পাচ্ছেন। এই আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে এই উপকূল এলাকা ডাকাত মুক্ত হবে।’