শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
ইসলাম

সমস্ত মুমিন-মুসলমানের জন্য বায়তুল্লাহর তাওয়াফ উন্মুক্ত করুন

অনলাইন নিউজ পোর্টাল • 11 আগস্ট 2021, 11:39 দুপুর • 801 বার পঠিত
সমস্ত মুমিন-মুসলমানের জন্য বায়তুল্লাহর তাওয়াফ উন্মুক্ত করুন

আলহামদুলিল্লাহ অনেকদিন পরে বায়তুল্লাহর তাওয়াফকারীদের ব্যাপক সমাগম দেখে অন্তরটা ভোরে গেলো খুশিতে। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সব সময় বায়তুল্লাহকে মুমিন-মুসলমানদের জন্য উন্মুক্ত করে দিন।  আমিন।

 

মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ের স্পন্দন পবিত্র কাবা শরিফ। আল্লাহ তাআলা হজ ও ওমরার জন্য বাইতুল্লায় গমন এবং কাবা শরিফ তাওয়াফকে অকাট্য বিধানে পরিণত করেছেন। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাবা শরিফ তাওয়াফ ও তাঁর তাওয়াফকারীর অনেক মূল্যবান ফজিলত ও মর্যাদা ঘোষণা করেছেন।

 

পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ এমন এক ইবাদত; যা বছরব্যাপী করা যায়। ঈদের দিনে যেমন রোজা রাখা যায় না হজের সময় যেমন ওমরা পালন করা যায় না; তাওয়াফের জন্য এত দীর্ঘ সময়ের বিরতির কোনো বিধান নেই।

 

তবে শুধুমাত্র কাবা চত্ত্বরে জামাআতে নামাজ পড়া এবং খুতবা প্রদানের সময় ব্যতিত সারাক্ষণ তাওয়াফ করা যায়। হাদিসে তাওয়াফের অনেক ফজিলত ঘোষণা করা হয়েছে। যার কিছু তুলে ধরা হলো-

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি; কেউ যদি যথাযথভাবে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করে এবং (মাকামে ইবরাহিমে) দুই রাকাআত নামাজ আদায় করে; তবে সে একটি গোলাম আজাদ করার ছাওয়াব পাবে।

তাওয়াফের প্রতিটি কদমে কদমে আল্লাহ তাআলা তাওয়াফকারীর জন্য ১০টি নেকি লেখেন, ১০টি গোনাহ ক্ষমা করেন এবং ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। (মুসনাদে আহমদ, তিরমিজি, বাইহাকি, মুসতাদরেকে হামিক, মিশকাত)

তাওয়াফের মর্যাদা এত বেশি যে প্রিয়নবি অন্য বর্ণনা উল্লেখ করেন- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘হে আবদে মান্নাফের বংশধর! এ বাইতুল্লায় তাওয়াফ এবং নামাজ আদায়ে কাউকে বাঁধা দিবে না; চাই দিনে বা রাতে যে কোনো সময়ই ইচ্ছা করুক না কেন। (তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমদ)

 


‘নামাজ বা অন্যান্য ইবাদত পৃথিবীর যে কোনো স্থানেই আদায় করা যায়। কিন্তু তাওয়াফ এমন এক ইবাদত যা শুধুমাত্র পবিত্র নগরী মক্কা মুকাররমার মসজিদে হারামের অন্তর্গত কাবা শরিফের চারদিকে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে চক্কর দেয়ার মাধ্যমে আদায় করতে হয়।

 

এ কারণেই এটি অন্য সব ইবাদতের চেয়ে আলাদা স্বাতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এবং এর ফজিলত ও মর্যাদা অনেক বেশি।

 

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে বাইতুল্লাহর হজ; আরাফা, মজদালিফা, মিনায় অবস্থান ও উপস্থিতি এবং মদিনার জিয়ারাত লাভের তাওফিক দান করুন এবং তাঁর রাসুলের ইশক, মহব্বত লাভের তাওফিক দান করুন। পরকালের সফলতার সৌভাগ্য দান করুন। আমিন।