শেষ সময়ে কুমিল্লায় টাকা ছড়ানোর অভিযোগ
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার পর্ব শেষ হয়েছে সোমবার রাতে। বুধবার সকালে শুরু হবে ভোট। তার আগে আলাচনায় উঠে এসেছে ‘টাকা ছড়ানার অভিযোগ’। মেয়র পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা প্রধান প্রার্থীরা পাল্টাপাল্টি এই অভিযোগ করছেন।
সোমবার প্রচারণার শেষ দিনে প্রার্থীরা যে খুব জমিয়ে প্রচারণা করেছেন তা নয়। আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত অল্প প্রচারণা করেছেন। একই কথা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের নিজাম উদ্দিন কায়সারের ক্ষেত্রে।
গত দুইবারের মেয়র বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মনিরুল হক সাক্কু তো প্রচারের মাঠেই নামেননি।
আরফানুল হক রিফাত বিকেলে মাঠে নেমেছিলেন। তিনি অবশ্য সাংবাদিকদের কাছে অন্য প্রার্থীর টাকা ছড়ানোর অভিযোগ করেন, ‘‘নির্বাচনে কয়েক কোটি কালো টাকা ছড়ানো শুরু করেছেন সাক্কু। তিনি কালো টাকা ছড়িয়ে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছেন। এমনকি সাক্কু আমার কর্মীদেরও কালো টাকা দিয়ে কেনার চেষ্টা করছেন।’’
তিনি বলেন, জনগণের সমর্থন হারিয়ে সাক্কু এখন কালো টাকার ওপর ভর করেছেন।
সাক্কু অবশ্য রিফাতের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘‘নৌকার প্রার্থী দিশেহারা হয়ে এখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করেই চলেছেন। আমি কোথাও কালো টাকা ছড়াইনি।’’
আরেক প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সারও অভিযোগ তুলেছেন। তার অভিযোগ প্রতিদ্বন্দ্বী দুজনার বিরুদ্ধেই, ‘‘নির্বাচনে কোটি কোটি কালো টাকা ছড়ানো হচ্ছে। রিফাত ও সাক্কু এসব কালো টাকা ছড়াচ্ছেন।’’
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন কুমিল্লা নাগরিক ফোরামের সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান বাবুল (হরিণ প্রতীক) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রাশেদুল ইসলামও (হাতপাখা) মেয়র পদে নির্বাচন করছেন। কিন্তু তারা সেভাবে আলোচনায় নেই। তারা প্রচারণাও তেমন চালাননি।