সীতাকুণ্ডে আগুন ও বিস্ফোরণ, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭
সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন ও বিস্ফোরণের দুর্ঘটনায় মর্গে যাচ্ছে সারি সারি লাশ। আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে ৩৭টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে আগুন নেভাতে আসা ফায়ার সার্ভিসের ৫ কর্মীর লাশ। চার শতাধিকের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে পুলিশ ও ফায়ার ফাইটাররাও রয়েছেন।
এখন পর্যন্ত ৩৭টি লাশ উদ্ধারের খবর নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন।
এর আগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার জানিয়েছিলেন, বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মোট ৩৩ জনের মরদেহ মর্গে এসেছে।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন তাদের ৫ কর্মী নিহত হওয়ার খবর দিয়ে জানিয়েছেন, আরো ২১ কর্মী আহত হয়েছেন। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন কয়েকজন। আহতরা সিএমএইচে চিকিৎসাধীন।
শনিবার রাতে সীতাকুণ্ডের এই কনেটেইনার টার্মিনালে লাগা এই আগুন ও বিস্ফোরণ ভয়বাহ রূপ নিয়েছে। আগুন এখনো জ্বলছে।
সকালে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। এর আগে সকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দিন জানিয়েছিলেন, সেনাবাহিনীর ১৫০ থেকে ২০০ সদস্য আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে অংশ নেবেন।
চট্টগ্রাম নগরী থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে সীতাকুণ্ডের কদমরসুল এলাকায় বিএম ডিপো নামের কনটেইনার টার্মিনালে শনিবার রাত ১০টার দিকে আগুন লাগে। পরে কনটেইনার বিস্ফোরিত হতে থাকে। এর পর চট্টগ্রামের ফায়ার সার্ভিসের সব ইউনিট মিলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। পরে রাত ৩টার দিকে তারা তাদের কাজে সহায়তা করতে কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও ফেনী জেলার অগ্নি নির্বাপক গাড়ি পাঠাতে অনুরোধ করে। তারা সবাই মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার লড়াই চালাচ্ছেন।