সাততলা বস্তিতে‘অবৈধ গ্যাস ও বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে আগুন’
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে ডিফেন্সের মহাপরিচালক বলেন, ‘এখানে প্রচুর পরিমাণে অবৈধ গ্যাস ও বিদ্যুতের লাইন রয়েছে। আমরা মনে করছি, এই দুইটার থেকে যেকোনো একটি কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এখানে প্রচুর পরিমানে অবৈধ গ্যাস ও বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে মহাখালীর সাততলা বস্তিতে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা অগ্নিকাণ্ডের খবর পাই ভোর ৩টা ৫৯মিনিটে। ১৩ মিনিটের মধ্যে আমাদের প্রথম ইউনিট ৪টা ১২ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং তখন থেকে আমরা কাজ করছি। পরে ভোর ৬টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।’
বস্তিতে টিনের ঘর অনেক বেশি হওয়ায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে বলেও জানান তিনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৮টি ইউনিট কাজ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আগুনে কোন হতাহতের ঘটনা চোখে পড়েনি, কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনই বলা সম্ভব নয়, তবে শতাধিক ঘর পুড়ে গেছে।ভোর ৪টার দিকে ভয়াবহ এ আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকলে আরও বাড়ানো হয় ইউনিটের সংখ্যা। ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট আড়াই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনত সক্ষম হয়।
এর আগে ২০১২, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে ডিসেম্বরে এবং ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর মহাখালীর এই বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রতিবারই বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আর সেই ঝুঁকি এখনও রয়ে গেছে।