রোহিঙ্গাদের ভয়ে স্কুলে যায়না স্থানীয় শিশুরা
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে চার বছর অতিক্রম করে পঞ্চম বর্ষে পা দিয়েছে। এরই মধ্যে কক্সবাজারের মানুষের মনে চাপা ক্ষোভ ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে সেখানকার লোকজন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তাদের অবস্থা এতই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যে, রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ নিয়ে আসা গাড়ির লাইন ও গাড়ির ভয়ে অনেক শিশু স্কুলে যায় না। এছাড়া শিশু অপহরণ করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের মুক্তি পণ দাবির বিষয়টি তো আছেই।
তেলিপাড়া গ্রামের এক গৃহস্থ পরিবারের আমিনা বেগম বলেন, জমিতে চার বছর হলো চাষ করতে পারছি না। সেখানে রোহিঙ্গারা বাস করছে তাই। এই জমিতে বছরে দুইবার ধান লাগাতে পারতাম। আর এখন বাধ্য হয়ে চাষাবাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। সারাক্ষণ রোহিঙ্গাদের আতঙ্কে থাকি।
একই এলাকার রোজিনা আক্তার বলেন, আমরা গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি কিছু পালতে পারছি না। সুযোগ পেলেই দিনে দুপুরে সব চুরি করে নিয়ে যায় রোহিঙ্গারা। ভয়ে থাকি কখন রোহিঙ্গারা আমার শিশুকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
টেকনাফের হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি নিজেও আমার জায়গায় তাদের থাকতে দিয়েছিলাম। মানবিক কারণে তাদের সহযোগিতা করছি। প্রায়ই রোহিঙ্গারা শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করছে। বর্তমানে তাদের প্রতি সেই সহানুভূতি আর নেই।