শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান মিয়ানমারে হাতেঃ মন্ত্রী লর্ড তারিক আহমদ

অনলাইন নিউজ পোর্টাল • 09 নভেম্বর 2020, 11:40 রাত • 192 বার পঠিত
রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান মিয়ানমারে হাতেঃ মন্ত্রী লর্ড তারিক আহমদ

যুক্তরাজ্য চায় সংঘাতের মূল কারণ সমাধান করে মিয়ানমারের নতুন সরকার রোহিঙ্গাদের তাদের জন্মস্থান রাখাইন রাজ্যে নিরাপদে, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদার সাথে ফিরিয়ে নিতে পদক্ষেপ নেবে।


যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) দক্ষিণ এশিয়া এবং কমনওয়েলথ বিষয়ক মন্ত্রী লর্ড তারিক আহমদ ইউএনবির কিছু প্রশ্নের জবাব বলেন, ‘রাখাইনজুড়ে মানুষের মধ্যে থাকা উদ্বেগ সমাধানে নতুন সরকারকে কাজ করতে হবে।’

২০১১ সালে সামরিক শাসনের অবসানের পর দ্বিতীয়বারের মতো হওয়া ৮ নভেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে রাখাইন রাজ্য ও রোহিঙ্গা ছাড়া মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ ভোট দিয়েছেন।


মিয়ানমারে এ নির্বাচনে অং সান সু চির বিশাল জয়ের আশা রয়েছে।

যুক্তরাজ্যের এ মন্ত্রী মনে করেন, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান মিয়ানমারে হাতে।

তিনি বলেন, জবাবদিহি ও বিচার নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। ‘এ সংকট সমাধানের জন্য প্রয়োজনে আমরা দীর্ঘ মেয়াদে রাজনৈতিক সহায়তাও দেব।’

তিনি আরো বলেন, তারা চান রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া, তাদের চলাফেরার স্বাধীনতার পাশাপাশি স্কুল এবং চাকরির মতো প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। এছাড়া, রাখাইন উপদেষ্টা কমিশনের দেয়া সুপারিশগুলোও বাস্তবায়ন করা হোক।

কক্সবাজার রোহিঙ্গা শিবিরের বোঝা কমিয়ে আনার জন্য এবং বর্ষাকালে ভূমিধসের কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি এড়াতে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করার পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ সরকার। বেশ কয়েকটি বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা সম্প্রতি ভাসানচর পরিদর্শন করেছেন এবং কক্সবাজার শিবিরের চেয়ে সেখানকার সুযোগ-সুবিধা অনেক ভালো বলে জানিয়েছেন।

স্থানান্তরের এ পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাইলে যুক্তরাজ্যের মন্ত্রী আহমদ বলেন, যুক্তরাজ্যের বক্তব্য পুরোপুরি স্পষ্ট- নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভাসানচরে স্থানান্তরিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘ওই দ্বীপে ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনসহ অন্যান্য নির্যাতনের ঘটনা শুনে আমরা অত্যন্ত চিন্তিত।’

বাংলাদেশ অবশ্য এসব ঘটনাকে পুরোপুরি মিথ্যা বলে অভিহিত করে এ ধরনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

যুক্তরাজ্যের মন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে বসবাস করা নিরাপদ কি না তা নির্ধারণের জন্য চরটিতে সুরক্ষা বিষয়ে সমীক্ষা চালানো নিয়ে জাতিসঙ্ঘের আহ্বানকে আমরা সমর্থন করি। এটি নির্ধারণে পূর্ণ ও বিশদ মূল্যায়ন করা দরকার।’