পুতিনের মেয়েদের বিরুদ্ধে ইইউ’র নিষেধাজ্ঞার ভাবনা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনে হামলার কারণে তাদের নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দুই কন্যাকে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছে।
বুধবার বার্তা এএফপি এমন একটি তালিকা হাতে পেয়েছে এবং কয়েকজন কূটনীতিক এ খবর নিশ্চিত করেছেন। খবর এএফপি’র।
কিয়েভের কাছে বেসামরিক নাগরিকদের গণহারে হত্যা করায় ইউক্রেনের ও পশ্চিমা বিশ্বের নেতারা ক্রেমলিনের বাহিনীকে দায়ী করার পর এ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচেছ। এটি ইইউ কূটনীতিকদের আলোচনার আওতায় রয়েছে।
কূটনীতিকরা এএফপি’কে বলেন, ইইউ সদস্য দেশগুলো এ সপ্তাহের শেষের দিকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ সম্পর্কিত ইইউ প্যাকেজে স্বাক্ষর করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পুতিনের দুই কন্যা
যুক্তরাষ্ট্র অবশেষে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের দুই মেয়ের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
ইউক্রেনে হামলার কারণে বুধবার হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে রাশিয়ার শীর্ষ সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক।
পুতিনের এই দুই মেয়ের নাম মারিয়া ভরোন্তোসভা ও ক্যাটেরিনা টিখোনোভা। রুশ প্রেসিডেন্টের সাবেক স্ত্রী লিউডমিলা শেকরেবনেভার গর্ভজাত সন্তান তারা।
মার্কিন অর্থ বিভাগ ক্যাটেরিনা টিখোনোভাকে একজন প্রযুক্তি এক্সিকিউটিভ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তার কাজকর্ম রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্যে সহায়ক।
মারিয়া ভরোন্তোসভা রাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত জেনেটিক রিসার্চ প্রোগ্রামে কাজ করেন। এটি ব্যক্তিগতভাবে পুতিন তত্ত্বাবধান করেন।
পুতিনের দুই মেয়ের কথা ইঙ্গিত করে এক সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি পুতিনের অনেক সম্পদ পরিবারের সদস্যদের নামের আড়ালে গোপন রাখা হয়েছে। এই কারণে আমরা তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি।’
নতুন নিষেধাজ্ঞায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের স্ত্রী ও মেয়ে এবং রুশ নিরাপত্তা কাউন্সিলের সদস্যরাও রয়েছেন। এ ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভ এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন এর আওতায় এসেছে।
এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ জানায়, এ সব ব্যক্তিবর্গ রুশ জনগণের অর্থে নিজেরা বিত্তশালী হয়েছেন। এদের কেউ কেউ ইউক্রেনে পুতিনের যুদ্ধে প্রয়োজনীয় সমর্থনও দিচ্ছেন।