পদ্মা সেতুর সার্বিক অগ্রগতি সাড়ে ৮৫ শতাংশ
লক্ষ্যমাত্রা থেকে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও নির্ধারিত সময় ২০২২ সালের মার্চেই পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হওয়া নিয়ে কোনো সংশয় দেখছে না সেতু কর্তৃপক্ষ। তবে, কোভিড সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেও কাজ চালিয়ে যাওয়াই বড় চ্যালেঞ্জ মানছেন তারা। নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে যাওয়ার পর ইউরোপ থেকে নতুন তৈরি করে আনা ১৯২টি স্ট্রিনজার পদ্মা সেতুতে স্থাপন শুরু হয়েছে। এর আগে সেতুর কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে ঘষামাজা -রং করে এটি স্থাপন উপযোগী করা হয়। স্ট্রেনজার স্থাপনের ফলে স্ল্যাব বসানোতে নতুন গতি পাচ্ছে। এখন মূল সেতুর অগ্রগতি ৯৩ দশমিক দুই পাঁচ ভাগ এবং সার্বিক অগ্রগতি সাড়ে ৮৫ শতাংশ।
বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার স্মারক এখন পদ্মা সেতু। সেতুর নিচতলায় রেললাইনে বাকি থাকা ৯শ’ মিটার এলাকায় রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো চলছে এখন। ২ হাজার ৯শ’ ৫৯টি রেলওয়ে স্লাবের মধ্যে ২ হাজার ৬ শ’ ২০ এবং ২ হাজার ৯ শ’ ১৭টি রোডওয়ে স্লাবের মধ্যে ২ হাজার ৪ শ’ ১০টি স্থাপন হয়ে গেছে।