অভিযোগ: ছাত্রলীগের এক নেতার পায়ের রগ কাটল অপর নেতা
বরিশালের গৌরনদীতে ছাত্রলীগের এক নেতার পায়ের রগ সংগঠনটির আরেক নেতা কেটে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ যার বিরুদ্ধে তিনি সাইফুল ইসলাম। তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যার পায়ের রগ কাটা গেছে তিনি ফাহিম সরদার। এখন হাসপাতালে ভর্তি।
জানা গেছে, গতকাল শনিবার উপজেলার চাঁদশী কুমারভাঙ্গা সেতুর ওপর এ ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনার দুই কেন্দ্রীয় চরিত্র ২১ বছরের ফাহিম ও ২৫ বছরের সাইফুল। ফাহিম চাঁদশী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য ও মাহিলাড়া ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। সাইফুলও ছাত্র্রলীগের সদস্য। ফাহিম এখন শের–ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার বড় ভাই রাব্বি সরদার বাদী হয়ে ১২ জন ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা–কর্মীকে আসামি করে আজ রোববার গৌরনদী মডেল থানায় মামলা করেন। এদিনই পুলিশ মামলার প্রধান আসামি সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে। তাকে
বরিশাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফাহিম সরদার তাঁর সহযোগী জাহিদুল ইসলাম (২৪), মেহেদী হাসান (২০) ও মারুফ সরদারকে (২০) নিয়ে টেক্সটাইল কলেজ এলাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। দক্ষিণ চাঁদশী কুমারভাঙ্গা সেতুর ওপর পৌঁছালে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে নীল মনি মন্ডল, সজীব মন্ডলসহ সাত–আটজন সন্ত্রাসী রড, লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা ফাহিমের শরীরের একাধিক স্থানে কুপিয়ে জখম করে বাঁ পায়ের রগ কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ওই হামলায় ফাহিমের তিন সহযোগীও আহত হন।
বরিশাল শের–ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ফাহিমের বাঁ পায়ের প্রধান রগ
বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।
চাঁদশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মেজবা উদ্দিন বলেন, আহত ফাহিম সরদার ও সাইফুল ইসলাম চাঁদশী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য।
জানা গেছে, নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফাহিমের সঙ্গে একই ইউনিয়নের সাইফুলের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। আগেও তাঁদের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।