অর্থ পাচার মামলায় এনু-রুপনের ৭ বছর করে জেল
অর্থ পাচার মামলায় ঢাকার গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াসহ ১১ জনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ইকবাল হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন। এছাড়া আাসামিদের ৪ কোটি টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
ঢাকার ক্রীড়াক্লাবগুলোতে ক্যাসিনো বন্ধের অভিযানের মধ্যে ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করা হয় আলোচিত ওই দুই ভাইকে।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ১২টি মামলা হয়।
গেণ্ডারিয়া থানার অর্থপাচার মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মেরাজুল হক ভূঁইয়া শিপলু, রশিদুল হক ভূঁইয়া, সহিদুল হক ভূঁইয়া, জয় গোপাল সরকার, পাভেল রহমান, তুহিন মুন্সি, আবুল কালাম, নবীর হোসেন শিকদার ও সাইফুল ইসলাম।
১১ আসামির মধ্যে এনু-রুপনসহ সাতজন কারাগারে আছেন। শিপলু, রশিদুল, সহিদুল ও পাভেল মামলার শুরু থেকে পলাতক।
২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের তৎকালীন নেতা দুই ভাই, তাদের এক কর্মচারী এবং তাদের এক বন্ধুর বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। তখন ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলছিল।
অভিযান চালিয়ে নগদ প্রায় পাঁচ কোটি টাকা, আট কেজি সোনা এবং ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তখন র্যাব জানায়, এসবই জুয়ার টাকায় তৈরি সম্পদ। তখন এনুর কর্মচারী আবুল কালাম আজাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় দুই কোটি টাকা।
এই ঘটনায় ওয়ারী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, এনু ও রুপন ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান পরিচালিত হলে তাদের অপকর্ম আড়াল করার জন্য কিছু অর্থ গোপন করার জন্য কালামের কাছে রেখেছিলেন। কালাম তা নিজের কাছে রাখেন, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অপরাধ।
ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের শেয়ারহোল্ডার এনু গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং তার ভাই রুপন ভূঁইয়া থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর দল থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়।