অব্যাহত রয়েছে নিম্নমানের কিট কেনার চেষ্টা
করোনা শনাক্তকরণে আবারও নিম্নমানের কিট ক্রয়ের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) দুর্নীতিপরায়ন একটি চক্র। করোনা সংক্রমণের পর থেকে চীনের সানসিউর বায়োটেক ইনক’র নিম্নমানের পিসিআর কিট সরাসরি ক্রয়ের (ডিপিএম) মাধ্যমে একটি চক্রকে শত শত কোটি টাকা লুটপাটের ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে। ফলে ঝুঁকিতে পড়েছে জনস্বাস্থ্য। এখন সমালোচনার মুখে ডিপিএম বাদ দিয়ে উন্মুক্ত দরপত্র ব্যবস্থায় (ওটিএম) ক্রয়ের নির্দেশনা দেয়া হলেও স্পেসিফিকেশনে নিম্নমানের শর্তারোপ করে সেই একই কোম্পানির আরটিপিসিআর কিট আবারও ক্রয় করার উদ্যোগ নিয়েছে চক্রটি। অবশ্য এ চক্রের কাছ থেকে বর্তমান পরিচালক আবু হেনা মোরশেদ জামান, উপ-সচিব ডা. শরীফ মুহম্মদ ফয়েজুল আলম এবং সিনিয়র সহকারি সচিব ও সমন্বয়ক মো. মাহবুব আলম বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ আছে। সিএমএসডি’র এই চক্রটি ঠিকাদারদের কাছ থেকে মালামাল দেয়ার আগেই ২৫ শতাংশ কমিশন নিয়ে নেয়। অনেক সময় ঠিকাদারদের সঙ্গে দাম এবং আগে কমিশন দেয়া নিয়ে সমস্যা হলে তারা ওই পার্টিকে অভয় দেন, আমরা ক্রয় করে দিব। আপনার কিছুই করতে হবে না। শুধু কমিশন রেখে যান। কয়েকদিন আগেও এই চক্রটি হিউম্যান মেডিকেল সার্ভিস নামে একটি আনকোরা প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি কমিশন দিতে দেরি করায় তাদের বিল আটকে দেয় বলে জানা গেছে। সাইফ নামে প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা অবশ্য স্বীকার করেছেন পরবর্তীতে বড় অঙ্কের কমিশনের বিনিময়ে বিল পেয়েছেন।