নিরস্র ফিলিস্তিনিদের উপর আবারও হামলা চালালো অসভ্য, বর্বর ইসরায়েল
ভূমধ্যসাগরের পূর্বে ১০,৪২৯ বর্গমাইলব্যাপী ফিলিস্তিন দেশটি ছিল উসমানীয় খেলাফতের অধীন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যারা ছিল বৃটেন বিরোধী জোটে৷ তখন যুদ্ধ জয়ে ফিলিস্তিনদের সহযোগিতা পাওয়ার আশায় ১৯১৭ সালে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড বেলফোর যুদ্ধে জয়ী হলে এই ভূমিতে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে বলে আশ্বাস দেন৷ যা ইতিহাসে বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত৷ যেহেতু আরবরা ছিল ইহুদিদের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি, সেহেতু ঘোষণাটি তাদের অনুকূল বলেই তারা ধরে নেয়৷ কিন্তু এর মাঝে যে মহা ধোঁকাটি লুকিয়ে ছিল তা তারা বুঝতে পারেনি৷ ব্রিটিশ শাসনের শুরু থেকে৷ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বৃটেনের প্রয়োজনে দুর্লভ বোমা তৈরির উপকরণ কৃত্রিম ফসফরাস তৈরি করতে সক্ষম হন ইহুদি বিজ্ঞানী ড. হেইস বাইজম্যান৷ ফলে আনন্দিত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলেন কী ধরনের পুরস্কার তিনি চান? উত্তর ছিল- অর্থ নয়, আমার স্বজাতির জন্য এক টুকরো ভূমি আর তা হবে ফিলিস্তিন৷
এই মহা কূটকৌশল ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ফসল আজকের বিশ্বে বিষফোঁড়া অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েল।
যুদ্ধবিরতির পর ফিলিস্তিনিদের পশ্চিম তীরে আবারো বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে এ হিংস্র জাতি। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার খবরে জানা গেছে, শুক্রবার নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে আকাশ থেকে টিয়ার শেল ছুড়ছে তেল আবিব। এতে অন্তত ৩৭৯ ফিলিস্তিনি নাগরিক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩১ জন আহত হয়েছেন ইসরায়েলি বাহিনীর তাজা গুলিতে। অবৈধ নিরাপত্তা চৌকির বিরুদ্ধে শুক্রবার পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের একটি বিক্ষোভ মিছিলে গুলি চালালে আহত হন তারা।
জানা গেছে, পশ্চিমতীরের বেইতা শহরে ফিলিস্তিনিরা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভকারী করছিলেন এবং ইসরায়েলি বাহিনীর দিকে ঢিল ছুঁড়তে থাকেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমা’র নামাজের পর ইসরায়েলি বাহিনী মিছিল লক্ষ্য করে তাজা গুলি ও রাবারে মোড়ানো স্টিল বুলেট ছোড়ে।
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর এই গুলিবর্ষণের ঘটনায় ৩৭৯ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তাজা গুলিতে আহত হয়েছেন ৩১ জন ফিলিস্তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।