মিয়ানমার জান্তা সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হলো যুক্তরাজ্যকে
লন্ডনে মিয়ানমারের দূতাবাসে জান্তা প্রতিনিধিকে মেনে নিতে হয়েছে যুক্তরাজ্য সরকারকে। দেশটির কূটনৈতিক নীতির কারণে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হচ্ছে। যদিও বিতাড়িত রাষ্ট্রদূত কিউ জাওয়ার মিন জান্তার প্রতিনিধিকে স্বীকৃতি না দিতে যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিছেন।
স্থানীয় সময় বুধবার লন্ডনের মিয়ানমার দূতাবাসের সামনে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন। সেখানে যোগ দেন রাষ্ট্রদূত কিউ জাওয়ার মিন। অং সান সু চির মুক্তি দাবি করেন।পরে দূতাবাসে ঢুকতে গেলে কিউ জাওয়ার মিনকে আটকে দেওয়া হয়। দূতাবাসের দখল নেন সামরিক অ্যাটাশে। এই ঘটনায় দূতাবাসের বাইরে গাড়িতে সারা রাত কাটান রাষ্ট্রদূত মিন। তিনি এই ঘটনাকে ‘এক ধরনের অভ্যুত্থান’ উল্লেখ করেন।
মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর লন্ডনের রাষ্ট্রদূত কিউ জাওয়ার মিন দেশটিতে সামরিক শাসনের বিরোধিতা করেন। সু চির মুক্তি দাবি করে বিবৃতিও দেন। এ কারণে জান্তা সরকার তাকে সতর্ক করে দিতে দেশে ডেকে পাঠিয়েছিল। সাড়া না পেয়ে লন্ডন দূতাবাস থেকে তাকে সরিয়ে দিয়েছে জান্তা সরকার।
মিয়ানমার দূতাবাস থেকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়, ৭ এপ্রিল থেকে উপ রাষ্ট্রদূত চিট উইনকে দূতাবাসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মিয়ানমারের এ সিদ্ধান্ত কূটনীতিক কারণে যুক্তরাজ্যকে মেনে নিতে হচ্ছে। যুক্তরাজ্য সরকার কিউ জাওয়ার মিনকে আর মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে স্বীকৃতি দিতে পারবে না। কারণ মিয়ানমারের জান্তা সরকারের প্রতি তিনি সমর্থন প্রকাশ না করায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে জান্তা।