মাদ্রাসা অধ্যক্ষকে মারধরের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
খুলনার কয়রা উপজেলা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাসুদুর রহমানকে মারধরের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কয়রা থানার ওসি এবিএমএস দোহার কাছ থেকে জানা যায়, ওই অধ্যক্ষর স্ত্রী মামলাটি দায়ের করেন। সেই মামলায় খুলনা শহরের ভাড়া বাসা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে র্যাব বাহারুলকে গ্রেপ্তার করে। এর পর আজ শুক্রবার সকালে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এই ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।
শিক্ষক মাসুদুর কয়রার উত্তরচক আমিনীয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। জানা যায়, গত সোমবার মাদ্রাসায় কাজ করছিলেন তিনি। এই সময় বাহারুলের নেতৃত্বে কিছু লোকজন তাকে মারধর করে। এই মর্মে তিনি জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার বরাবর অভিযোগ করেন।
বৃহস্পতিবার রাতে মাসুদুরের স্ত্রী সাদিয়া সুলতানা এ ঘটনায় বাদী হয়ে বাহারুলসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে মামলা করেন। কয়রা থানার ওসি জানান, এ মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলছে।
অধ্যক্ষ মাসুদুর এখন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি সাংবাদিকদের কাছে বলেছেন, ‘‘মাদ্রাসাটি ঢাকার ইসলামিক অ্যারাবিক ইউনিভার্সিটির আওতাভুক্ত। সম্প্রতি তারা পার্শ্ববর্তী মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে এই মাদ্রাসার সভাপতি নিযুক্ত করেন। বাহারুলও এই মাদ্রাসার সভাপতি হতে আগ্রহী ছিলেন।”
বাহারুল সভাপতি হতে চেয়ে তা হতে না পেরে তাকে এ পরিস্থিতির জন্য দায়ি করেন এবং লোকজন নিয়ে তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন মাসুদুর।