মাছ-মুরগী ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যের ঠিকাদার
মেসার্স জেরিন এন্টারপ্রাইজ। নাম ঠিকানাহীন একটি প্রতিষ্ঠান। কখনোই স্বাস্থ্যখাতের মতো একটি সংবেদনশীল খাতে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল না। কিন্তু গত বছরের ৩ জুন সিএমএসডি’র (সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোর ডিপো বা কেন্দ্রীয় ঔষধাগার) পরিচালক হিসেবে আবু হেনা মোরশেদ জামান দায়িত্ব নেয়ার পরপরই প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. জায়েদুল হোসেন ভূঞা’র কপাল খুলে যায়। দায়িত্ব নেয়ার ১২ দিনের মাথায় ১৫ জুন প্রতিষ্ঠানটিকে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার পিসিআর টেস্ট কিট ক্রয়ের কাজ দেয়া হয়। বাজার দরের থেকে ৫ গুণ বেশি দামে ২৩শ’ টাকা দরে ১ লাখ ৫০ হাজার স্যানশিওর বায়োটেক ব্র্যান্ডের টেস্ট কিটের কার্যাদেশ দেয়া হয়।
এক সময়ে মোবাইল ব্যবসায়ী শামীম আশরাফি। সিএমএসডি’র বর্তমান পরিচালক দায়িত্ব নেয়ার পর কপাল খুলে যায়। হয়ে যান স্বাস্থ্যখাতের ঠিকাদার। মেডিকিট করপোরেশনের নামে এ পর্যন্ত কয়েকশ’ কোটি টাকার কাজ হাতিয়ে নিয়েছেন। তবে এক্ষেত্রে তিনি ব্যবহার করেছেন সাউথ বাংলা ট্রেড, মেডিকো বাংলা, দেশ বাংলা, চায়না-বাংলা হাব নামীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে। সিএমএসডি’র উপ-সচিব ডা. শরীফ মুহম্মদ ফয়েজুল আলমের কাছের মানুষ হওয়ায় অনায়াসেই পেয়েছেন এ কাজ। শামীমের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দেশ বাংলা’র যাত্রাবাড়ীতে মাছের আড়ৎ ছিল। পাশাপাশি চায়না-বাংলা’র ব্যবসা ছিল মুরগীর ফিড আমদানি করা।