লকডাউনের গারদে শতকোটি মানুষ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের মার্চ মাসে করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে বৈশ্বিক মহামারি আখ্যা দেওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ইংরেজি শব্দ ‘লকডাউন’ পরিচিত হয়ে ওঠে। সেই সময় ভারতকে নিয়ে এক আশঙ্কা জেগেছিল।
১৩০ কোটির বেশি মানুষের দেশটিতে দারিদ্র্যের কশাঘাতের পাশাপাশি রয়েছে যক্ষ্মার প্রকোপ। ডায়াবেটিসও যেন ঘরে ঘরে হানা দিয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবার সাতকাহন তো বলার মতো আহামরি কিছু নয়ই। পশ্চিমা দেশগুলোর নেতাদের মনে প্রশ্ন জেগেছিল, ভারত করোনা মহামারি মোকাবিলা কী করে করবে?
ভারতের সেই সময়কার ছবি ছিল বহুমাত্রিক। প্রথম দিকে অগ্রাহ্য ও অনাগ্রহ। পরের ধাপে ঔদাসীন্য ও বিহ্বলতা। একের পর এক ঘটনা, দ্বিধা–দোলাচল আর কিংকর্তব্যবিমূঢ়তার পর একটা সময় রাজনীতিকে এক ঝটকায় পেছনে ফেলে দেখা গেল, সরকারের তেড়ে ধরার তাগিদ। সেই থেকে আজকের ভারতের কোভিড পরিস্থিতির যাত্রাপথের প্রতিটি মোড়ে চোখকান খোলা রেখে হাজির থাকা সাংবাদিক অবন্তিকা ঘোষ বিলিয়নস আন্ডার লকডাউন–এর দুই মলাটের মধ্যে তুলে ধরেছেন ভারতের কোভিড উপাখ্যান। বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে বৃহস্পতিবার।