করুণ কাহিনী শোনালেন রিজেন্টের সাহেদ
করোনার চিকিৎসার নামে প্রতারণার দায়ে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। অভিযোগ আছে, অন্যায়ভাবে টাকা আয়ের। কিন্তু রিজেন্ট গ্রপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম বলেছেন, অভিযুক্তদের কাউকে তিনি চিনতেন না। মামলায় উল্লেখ করা কোনো টাকাও তিনি পাননি। এমনকি তাকে সাতক্ষীরা থেকেও গ্রেপ্তার করা হয়নি।
আজ বৃহস্পতিবার সাহেদের আইনজীবী ঢাকার একটি আদালতে আবেদন করেন। তখন আদালতের অনুমতি নিয়ে বেশ কিছু কথা বলেন সাহেদ।
একটি ঘটনা কিভাবে সবকিছু ধ্বংস করে দিতে পারে সেটাই উল্লেখ করেছেন সাহেদ। বলেছেন, ‘আমার পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। আমার ১৬ বছরের মেয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে, আমার স্ত্রী বাড়ির বাইরে যেতে পারে না।’
এর সঙ্গে তিনি আরো জানান, সহপাঠীরা প্রতারকের মেয়ে বলে ডাকায় তার মেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। তার স্ত্রীকে 'চোরের বউ' বলে অপমান করা হয়।
সাহেদ বলেন, ২০২০ সালে তার ২ হাসপাতালে তখনকার স্বাস্থ্যসচিব করোনা রোগীদের চিকিৎসার প্রস্তাব দেন। তার দাবি, এরপর কোনো ফি ছাড়াই নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়। আর দেশে তার হাসপাতালেই প্রথম করোনা রোগীদের চিকিৎসা শুরু হয়।
লাইসেন্স ছাড়াই করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ, প্রতারণা ও চিকিৎসার নামে সরকারি কোষাগারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা আছে ৬ জনের নামে। ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর মামলাটি করে আদালত।
আজ শাহেদের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক আদেশ দেবেন।