জনপ্রতিনিধির ভেকু যন্ত্র গ্রাস করছে ফসলি জমি
শীত এলেই বাড়ে মাটি খেকোদের উৎপাত৷ ভেকু যন্ত্র দিয়ে কৃষি জমির মাটি কেটে দেওয়া হয় বিভিন্ন ইটভাটায়। এবারও আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের বংশী নদীর কুল ঘেঁষা দু'টি স্থানে নিষিদ্ধ ভেকু যন্ত্র লাগিয়ে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে৷
স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ইউনিয়ন পরিষদের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য খলিলসহ আরও দুই-একজন এ কাজ করছেন।
এখানে রক্ষক হয়ে ভক্ষকে রূপ নিয়েছেন এ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।
আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের রাঙ্গামাটির কাইলকাপুর ও গোয়ালবাড়ি এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, ভেকু যন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে মাটি তুলে ট্রাকে ভরে নিয়ে যাওয়ার চিত্র।
ব্যাপারীপাড়ায় দেখা গেছে, বংশী নদীর পাশে প্রায় এক বিঘা জমি থেকে আট-১০ ফুট গর্ত করে মাটি তুলে এমবি এন ব্রিকস নামের একটি ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। পাশেই কালিয়াকৈর-গোয়ালবাড়ি সড়ক, মাটির কাটার কারণে ধসে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে সড়কটি। শুধু তাই নয়, ইটখোলাতে গিয়েও সেই মাটি দেখা গেছে।
এ মাটি কাটার দায়িত্বে রয়েছেন এক ব্যক্তি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলানিউজকে তিনি বলেন, প্রতি গাড়ি (ট্রাক) মাটি বিক্রি করা হয় ১২০০ টাকা করে৷ এখানে এবার মাটি কাটা হচ্ছে। গত তিন-চারদিন ধরে মাটি কাটা হচ্ছে। জমির মালিকদের শতাংশ প্রতি তিন হাজার টাকা দেওয়া হয়।