হাতিয়ায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ২ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
ঘূর্ণিঝড় এর প্রভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলায় ২ লক্ষ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ভেসে গেছে দোকানপাট, বাড়িঘর, গবাদি পশু, ফসলি জমি। আতঙ্কে উপকূলীয় হাতিয়ার ৭ লক্ষ মানুষ। স্থায়ীভাবে বেরিবাঁধ নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। এর মধ্যেও জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ১২০০ পরিবারে মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ সহায়তা পৌঁছে দেন জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খান।
জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খান বলে, ইয়াসের প্রভাবে হাতিয়ায় জোয়ারের পানিতে বন্যা হয়েছে। উপজেলার বয়ারচর, নলেরচর ও কেরিংচরে বন্যার পানিতে আটকে পড়া ১২০০ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে হাতিয়ার সব এলাকায় মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে।
আরও বলেন, দুর্যোগ মুহূর্তে মেঘনা উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের জন্য ৩০০ টন চাল, ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, শিশুখাদ্যের জন্য ৯ লাখ ও গোখাদ্যের জন্য ৯ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৪ লাখ টাকা ও ৩০০ টন চাল মজুত রাখা হয়েছে।
ইয়াসের প্রভাবে হাতিয়ায় ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, সামান্য সহযোগিতা আমরা চাইনা, আমরা চাই স্থায়ী বাঁধ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে হাতিয়ার ৮ টি পয়েন্টে নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয় এবং পানি বন্দি হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। তবে বিকেল ৫টার পর থেকে জোয়ারের পানি নেমে যাচ্ছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কিছু বাঁধ। নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন জানান, এই ইউনিয়নে ১৭ টি গ্রামে প্রায় ৬০ হাজার লোকের বসবাস। বন্যা নিয়ন্ত্রণের বাঁধ না থাকায় চরম ঝুকির মধ্যেও বসবাস করতে হচ্ছে।