হাতির অভয়ারণ্য হচ্ছে গারো পাহাড়ি অঞ্চলে
গারো পাহাড়ি অঞ্চলে বন্যহাতির তান্ডবের কয়েকটি সচিত্র প্রতিবেদন অতি সম্প্রতি সামাজির যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর অবশেষে টনক নড়েছে সরকারের। তাই শেরপুরের গারো পাহাড়ের বনাঞ্চলে হাতির জন্য অভয়ারণ্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। উল্লেখ্য গারো পাহাড়ি অঞ্চলে বিগত ২৭ বছর ধরে চলে আসছে হাতি ও মানুষের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে সরকারি হিসেবেই গত ২৭ বছরে ৫৮ জন মানুষ ও ৩২টি হাতি মারা গেছে। আহত হয়েছে ৫ শতাধিক মানুষ। পঙ্গু হয়েছে শতাধিক অসহায় মানুষ ও বন্যহাতির তান্ডবে বাড়িঘর ভাংচুর হয়েছে অনেক। হাতিও মরেছে ৩২ টি। কোটি কোটি টাকার ফসল গেছে হাতির পেটে, পাহাড়ি অঞ্চলের শত শত মানুষ পথে বসেছে। এ অবস্থার নিরসনে বন্যপ্রাণী হত্যা বন্ধ ও পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জানমাল রক্ষার্থে স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবেও অনেক প্রতিবাদ হচ্ছে। এই অঞ্চলে হাতি-মানুষের যুদ্ধ নিরসন করতে বা কমাতে এবং পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জানমাল রক্ষা করতে বিভিন্ন সময়ে সরকারি বেসরকারিভাবে কোটি কোটি টাকায় নানা প্রকল্প গ্রহণ করেও কোনো কাজে আসেনি। ফলে দিনদিন বেড়েই চলছে হাতি ও মানুষের মৃত্যুর মিছিল। তাই হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সরকার বর্তমানে হাতির জন্য অভয়ারণ্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।