হাঙ্গেরিতে প্রথম চীনা বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে
হাঙ্গেরির ইইউতে প্রথম চীনা বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ বন্ধ করার অঙ্গীকার করেছে রাজনৈতিক বিরোধী দল, কারণ প্রকল্পের আর্থিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে যুক্তিতর্ক চলছে।
বুদাপেস্টের মেয়র গের্জেলি কারাকসনি, তিনি রাজধানীতে ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি ক্যাম্পাস নির্মাণের দক্ষিণপন্থী সরকারের পরিকল্পনা বন্ধ করার জন্য ‘সম্ভাব্য সকল আইনগত ও রাজনৈতিক উপায়’ ব্যবহার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সাংহাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি, যা বিশ্বের শীর্ষ ২০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান পেয়েছে, ২০২৪ সালের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু করতে চায়। এই পরিকল্পনার আওতায় ৮,০০০ শিক্ষার্থী দানিউবের তীরে একটি বিস্তৃত সুবিধায় বাস করবে এবং শিক্ষা গ্রহণ করবে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেইজিংয়ের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য মরিয়া সরকারের লোকজন এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।
জনকূটনীতি বিষয়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোলতান কোভাক্স বলেন, ক্যাম্পাস শিক্ষার মান বৃদ্ধি করবে এবং শিক্ষার্থীদের বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক জ্ঞান প্রদান করবে, যা হাঙ্গেরির অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।
জানা গেছে, চীনের বড় অংকের ঋণ নিয়ে এই ক্যাম্পাস নির্মাণ করা হবে। এটি আরও উদ্বেগ বাড়িয়েছে যে প্রকল্পটি চীনের উপর হাঙ্গেরির নির্ভরতা আরও গভীর করবে।
বুদাপেস্টভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক পলিসি সলিউশনে গাবোর গিওরি বলেন, ফুদান প্রকল্পটি চীনের সাথে হাঙ্গেরির জোটকে শক্তিশালী করার জন্য একটি বৃহত্তর সরকারি কৌশলের অংশ।
মাইকেল ইগনাটিফ একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির সভাপতি। তিনি ফুদানের আগমনকে ‘একাডেমিক স্বাধীনতার জন্য আরেকটি আঘাত’ বলে অভিহিত করেছেন।