ফেলে রাখা চিকিৎসা সরঞ্জাম ‘ভাঙ্গারির কাছে বিক্রি ছাড়া উপায় নেই’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য খাতে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও সরকারি অর্থ অপচয়ের উদাহরণ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, যেসব চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে ফেলা রাখা হয়েছে সেগুলো ভাঙ্গারি দোকানে বিক্রি করা ছাড়া উপায় নেই।
বুধবার ঢাকায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ঘাটতি নিরসন নিয়ে গবেষণার ফল প্রকাশের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ আমলে ১১ কোটি টাকার রেডিওথেরাপি মেশিন ১৮ কোটি টাকা দিয়ে দুটি কেনা হয়েছিল। অথচ যেখানে বসানো হয়েছে, সেখানে কোনো প্রস্তুতিই (রেডি সেটআপ) ছিল না।
“কেন কেনা হয়েছিল? কারণ প্রতি মেশিনে ৪ থেকে ৬ কোটি টাকা লাভ ছিল। যার একটি পড়ে আছে ফরিদপুরে, অন্যটি খুলনায়।”
একইভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে কারিগরি লোকবল ছাড়াই এক্স-রে ও অন্যান্য টেকনোলজির সরঞ্জাম কিনে ফেলে রাখার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, “পরবর্তীতে এগুলো ভাঙ্গারির কাছে বিক্রি করা ছাড়া উপায় নেই।”
‘রোগ পরীক্ষার বাণিজ্য’ বন্ধ করার উদ্যোগের কথা তুলে ধরে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব রেখে বাইরে পাশের ক্লিনিক খোলাবেন, সরকারি দায়িত্ব রেখে সেখানে সার্জারি করবেন আর কমিশন খাবেন, রোগী আসলে বলবেন পাশের ক্লিনিকে গিয়ে টেস্ট করতে—এসব বন্ধ করতে হবে।”
এগুলো নজরে রাখার কথাও বলেন সাখাওয়াত হোসেন বকুল।