শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
জাতীয়

ফারজানা রুপাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি:সাগর-রুনি হত্যা মামলা

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন • 11 মার্চ 2025, 11:08 রাত • 312 বার পঠিত
ফারজানা রুপাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি:সাগর-রুনি হত্যা মামলা

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ও উপস্থাপক ফারজানা রুপাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন: আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ফারজানা রুপা বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে আছেন। সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি এটিএন বাংলা টেলিভিশনে রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মেহেরুন রুনির সঙ্গে তার পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠতা ও যোগাযোগ ছিল। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে তিনি টেলিভিশনে প্রতিবেদনও করেছিলেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মামলার অগ্রগতি: হাইকোর্টের নির্দেশে এ মামলায় একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পিবিআই মামলাটির তদন্ত করছে। তদন্তের স্বার্থে ফারজানা রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আদালতে উল্লেখ করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পটভূমি: সাগর সারোয়ার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙায় এবং মেহেরুন রুনি এটিএন বাংলায় কর্মরত ছিলেন। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ওই সময় বাসায় উপস্থিত ছিল তাদের সাড়ে চার বছরের শিশু মাহির সারোয়ার মেঘ।

মামলার আসামিরা: ঘটনার পরদিন মেহেরুন রুনির ভাই নওশের আলম রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটিতে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন- রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ, তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান। তাদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে রয়েছেন, বাকিরা কারাগারে আটক আছেন।

এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য এখনো পুরোপুরি উদঘাটিত হয়নি। তদন্ত চলমান রয়েছে, এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।