শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
ইসলাম

দ্বিনি বিষয়ে যাদের পরামর্শ নেবেন

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন • 20 এপ্রিল 2026, 12:16 দুপুর • 117 বার পঠিত
দ্বিনি বিষয়ে যাদের পরামর্শ নেবেন

মানবজীবনের সাফল্য ও মুক্তি বিশুদ্ধ ঈমানের ওপর নির্ভরশীল। তাই কোনো বিষয়ে ঈমান স্থাপনের আগে অবশ্যই তার গ্রহণযোগ্যতা বিচার করতে হবে। বিশেষত ব্যক্তি যদি শরিয়তের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ না হয়, তবে তার কথায় ঈমান সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না। 

এ ক্ষেত্রে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর পর সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য দল হলেন সাহাবায়ে কেরাম (রা.)। তাদের পর তাবেয়ি ও তাবে-তাবেয়িগণ। আর তাদের পরবর্তী যুগে মুজতাহিদ ইমামরাই সিদ্ধান্ত দান করবেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে তারা জানে যে, তোমার প্রতিপালকের কাছ থেকে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাই সত্য; এটা পরাক্রমশালী প্রশংসিত আল্লাহর পথনির্দেশ করে।’ (সুরা সাবা, আয়াত : ৬)

অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘বলুন! সব প্রশংসা আল্লাহরই এবং শান্তি তাঁর মনোনীত বান্দাদের প্রতি!’ (সুরা নামল, আয়াত : ৫৯)

তাফসিরবিদরা বলেন, উল্লিখিত আয়াতদ্বয়ে সাহাবাদের বোঝানো হয়েছে। সুতরাং ঈমান ও ইসলামের প্রশ্নে তাদের কথাই চূড়ান্ত বিবেচিত হবে।

ইমাম শাফেয়ি (রহ.) বলেন, ‘তারা (সাহাবিরা) জ্ঞান ও ইজতিহাদে, আল্লাহভীতি ও প্রজ্ঞায়, যেসব বিষয় সাধারণ জ্ঞান দ্বারা জানা যায় ও যা উদ্ভাবিত সর্ববিষয়ে আমাদের ঊর্ধ্বে। আমাদের কাছে তাদের মতামত নিজস্ব মতামতের চেয়ে উত্তম ও প্রশংসনীয়।’(আল-মাদখাল ইলাস সুনানিল কুবরা, পৃষ্ঠা ১১০)

মানবজীবনের সাফল্য ও মুক্তি বিশুদ্ধ ঈমানের ওপর নির্ভরশীল। তাই কোনো বিষয়ে ঈমান স্থাপনের আগে অবশ্যই তার গ্রহণযোগ্যতা বিচার করতে হবে। বিশেষত ব্যক্তি যদি শরিয়তের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ না হয়, তবে তার কথায় ঈমান সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাবে না।

এ ক্ষেত্রে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর পর সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য দল হলেন সাহাবায়ে কেরাম (রা.)। তাদের পর তাবেয়ি ও তাবে-তাবেয়িগণ। আর তাদের পরবর্তী যুগে মুজতাহিদ ইমামরাই সিদ্ধান্ত দান করবেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে তারা জানে যে, তোমার প্রতিপালকের কাছ থেকে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাই সত্য; এটা পরাক্রমশালী প্রশংসিত আল্লাহর পথনির্দেশ করে।’ (সুরা সাবা, আয়াত : ৬)

অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘বলুন! সব প্রশংসা আল্লাহরই এবং শান্তি তাঁর মনোনীত বান্দাদের প্রতি!’ (সুরা নামল, আয়াত : ৫৯)

তাফসিরবিদরা বলেন, উল্লিখিত আয়াতদ্বয়ে সাহাবাদের বোঝানো হয়েছে। সুতরাং ঈমান ও ইসলামের প্রশ্নে তাদের কথাই চূড়ান্ত বিবেচিত হবে।

ইমাম শাফেয়ি (রহ.) বলেন, ‘তারা (সাহাবিরা) জ্ঞান ও ইজতিহাদে, আল্লাহভীতি ও প্রজ্ঞায়, যেসব বিষয় সাধারণ জ্ঞান দ্বারা জানা যায় ও যা উদ্ভাবিত সর্ববিষয়ে আমাদের ঊর্ধ্বে। আমাদের কাছে তাদের মতামত নিজস্ব মতামতের চেয়ে উত্তম ও প্রশংসনীয়।’(আল-মাদখাল ইলাস সুনানিল কুবরা, পৃষ্ঠা ১১০)

মর্যাদায় সাহাবিদের পর তাবেয়িদের স্থান। ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রহ.) বলেন, ‘তাদের পর তাবেয়িরা তাদের স্থলাভিষিক্ত হন। আল্লাহ তাদেরকে মনোনীত করেন তার দ্বিন প্রতিষ্ঠার জন্য, বিশেষায়িত করেন তাঁর, ও সীমা, আদেশ ও নিষেধ, তাঁর রাসুলের সুন্নত ও পথনির্দেশ রক্ষার জন্য।’ (আল-জারহু ওয়াত-তাদিল : ১/৮)

হাদিসে বর্ণিত ‘খাইরুল কুরুন’ (উত্তম যুগ) তথা তাবে-তাবেয়িদের পরবর্তী যুগে মুজতাহিদ ইমাম ও আলেমরাই ঈমান ও ইসলামের ব্যাখ্যা প্রদানের অধিকার রাখেন। কেননা বিশুদ্ধ মতে তারাও নিম্নোক্ত আয়াতের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ বলেন, ‘যারা নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের (সাহাবিদের) অনুসরণ করে। আল্লাহ তাদের প্রতি প্রসন্ন এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ১০০)

উল্লেখ্য, ঈমান সংক্রান্ত বেশির ভাগ বিষয় রাসুলুল্লাহ (সা.) ও সাহাবিদের যুগেই চূড়ান্ত ও মীমাংসিত হয়ে গেছে। তাদের পরবর্তী যুগের ইমামরা শাখাগত বিষয়েও সমাধান দিয়ে গেছেন।

তাই বর্তমানে ঈমানের মৌলিক ও তার প্রধান শাখাগত বিষয়গুলোতে প্রশ্ন উত্থাপন ও বিতর্ক সৃষ্টির অবকাশ নেই।