শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
স্বাস্থ্য

ডেঙ্গু : ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২৩২৭

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন • 12 অক্টোবর 2023, 07:18 বিকাল • 421 বার পঠিত
ডেঙ্গু : ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২৩২৭

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১ জন মারা গেছেন। চলতি ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ নিয়ে  মোট ১ হাজার ১৩৫ জনের মৃত্যু হলো।

গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২ হাজার ৩২৭ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এই বছর দিনে দিনে বাড়তে থাকা মশাবাহিত এই রোগে মৃত্যু ও আক্রান্ত হয়ে  হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেশ আগেই আগের সব বছরের রেকর্ড ছাড়িয়েছে।  

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২৩২৭ জনের মধ্যে ঢাকার ৪৯১ জন এবং দেশের বিভিন্ন জেলার ১ হাজার ৮৩৬ জন।

গত একদিনে মোট দুই হাজার ৩৪৪ জন ডেঙ্গুরোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৩৭ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালে থেকে এক হাজার ৮০৭ জন বাড়ি ফিরেছেন। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তার মধ্যে ৬ জন ঢাকার বাসিন্দা, ৭ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। 

এ বছর ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ১১৩৫ জনের মধ্যে ঢাকার ৭০৯ জন, ঢাকার বাইরের ৪২৬ জন। 

চলমান ২০২৩ সালে আজকের দিন মানে ১২ অক্টোবরের সকাল পর্যন্ত দেশে মোট ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৩১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। 

এর মধ্যে ঢাকার ৯০ হাজার ৫৩০ জন, ঢাকার বাইরের এক লাখ ৪৩ হাজার ১ জন। 

এই বছর মোট দুই লাখ ২৩ হাজার ৭৭৯ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার হাসপাতাল থেকে ৮৭ হাজার ১৮৩ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে এক লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৬ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট আট হাজার ৬১৭ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঢাকায় ভর্তি দুই হাজার ৬৩৮ জন, ঢাকার বাইরে পাঁচ হাজার ৯৭৯ জন। 

প্রসঙ্গত, গত ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিলেন এবং ওই বছর মোট ২৮১ জন মশাবাহিত এই রোগে মারা যান।