চট্টগ্রামের গণপরিবহনে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বেড়েছে
চট্টগ্রামের গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি আরো এক দফা বেড়েছে। প্রতিদিন এই নৈরাজ্যের শিকার হচ্ছে চট্টগ্রাম শহরতলিতে বসবাসকারীরা। সকালে এক ভাড়া, বিকেলে আরেক ভাড়া, রাত হলে আরেক ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। রোদেলা দিনে এক ভাড়া, বৃষ্টি হলে আরেক ভাড়া আদায় করা হয়। গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় বক্তারা এসব অভিযোগ করেন।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি ‘যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধের পদক্ষেপ চাই’ শীর্ষক আলোচনাসভার আয়োজন করে। সভায় দ্রুত এসব হয়রানি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।
সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ মোকতার উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। তিনি বলেন, ‘ন্যায্য ভাড়ায় সঠিক সময়ে দুর্ঘটনামুক্তভাবে যাতায়াত অন্যতম অধিকার। যানবাহনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা, শ্রেণিবৈষম্য দূর করা এবং রাস্তাঘাটে নির্বিঘ্ন চলাচলে আইনে বাধ্যবাধকতা থাকলেও আমাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতায় যাত্রী অধিকার ভূলণ্ঠিত হচ্ছে।’ বক্তব্যে সুজন বিআরটিএর অনিয়ম-দুর্নীতি ও ট্রাফিক বিভাগের উদাসীনতায় সড়কে যানজট, জনজট, ফুটপাত বেদখলসহ নানা হয়রানির চিত্র তুলে ধরেন।
তিনি অনতিবিলম্বে এসব ছোট যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করে মানসম্মত ৪০০ নতুন বাস নামানোর জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি জোর দাবি জানান।