বাংলাদেশের অর্ধেক বেসরকারি ও ক্লিনিকের লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ
বাংলাদেশের ৫০ ভাগ বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ ৷ আর কমপক্ষে শতকরা ১০ ভাগ হাসপাতালের কোনো লাইসেন্সই নাই ৷ গত দুই বছরে লাইসেন্স বাতিল হয়েছে মাত্র একটি হাসপাতালের ৷ ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর কারণে যশোরের একটি ক্লিনিকের লাইসেন্স বাতিল করা হয় গত বছরের ২ নভেম্বর ৷ কিন্তু সেই ক্লিনিকটি এখন নাম বদলিয়ে পরিচালিত হচ্ছে ৷ এই তথ্য খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৷
বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের লাইসেন্স ২০১৩ সালের পর আর নবায়ন হয়নি ৷ কিন্তু এই হাসপাতালের সাথেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোরনার পরীক্ষার জন্য চুক্তি করেছিলো ৷ অধিদপ্তরের দাবি করেছে, উত্তরার এই হাসপাতালটিতে কয়েকবার অভিযান চালিয়ে তাদের সতর্ক করলেও তারা তা আমলে নেয়নি ৷ নিয়ম অনুযায়ী এখন সব বেসরকারি হাসপাতালের রেজিষ্ট্রেশন অনলাইনে বাধ্যতামূলক ৷
লাইসেন্স দেয়া হয় ১০ বেডের হাসপাতাল বা ক্লিনিক হিসেবে এক বছরের জন্য ৷ প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়ন করতে হয় ৷ ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে একই নিয়ম ৷ এই হাসপাতালের লাইসেন্স পেতে হলে কমপক্ষে তিন জন এমবিবিএস ডাক্তার, ছয় জন নার্স ও দুইজন ক্লিনার থাকতে হবে ৷ প্রত্যেকটি বেডের জন্য ৮০ বর্গফুট জায়গা থাকতে হবে ৷ অপারেশন থিয়েটার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হতে হবে ৷ আর সেখানে কি কি আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকতে হবে তাও বলা আছে৷ এরসঙ্গে ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন নাম্বার, বিআইএন নাম্বার, পরিবেশ এবং নারকোটিকস-এর লাইসেন্স লাগবে ৷ অপারেশন থিয়েটারের জন্য নারকোটিকস-এর লাইসেন্স বাধ্যতামূলক ৷ তবে আউটডোর, এমার্জেন্সি এবং অপারেশন থিয়েটার বাধ্যতামূলক নয় ৷ হাসপাতালের ধরন অনুযায়ী শর্ত থাকে ৷ আবেদনের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন উপ-পরিচালকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের টিম সরেজমিন পরিদর্শন করে লাইসেন্স দিয়ে থাকে ৷