আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চানবাংলাদেশিসুবর্ণ
বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ বাংলাদেশি অধ্যাপক সুবর্ণ আইজাক বারী (৯) ২৪ অক্টোবর আফ্রিকা থেকে নিউইয়র্কে ফিরেছেন। আইজাক বারী চলতি বছরের দক্ষিণ আফ্রিকার ‘ভিঞ্চি ইনস্টিটিউট’ থেকে ‘দ্য ভিঞ্চি পুরস্কার’ বিজয়ী হন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য দ্য ভিঞ্চি ইনস্টিটিউট তাকে একটি বিশেষ বিমান দেয়। অধ্যাপক সুবর্ণ আইজাক-কে বহনকারি বিমান জোহানেসবার্গ তাম্বো বিমানবন্দরে ১৭ অক্টোবর অবতরণ করে।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ড. এইচ বি ক্লপার প্রফেসর সুবর্ণ আইজাককে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেন। সুবর্ণকে দেখতে অনেক বাংলাদেশি এবং ভারতীয় বিমানবন্দরে জড়ো হন। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোটরকেড অধ্যাপক সুবর্ণ আইজাককে ভিলাকাজি স্ট্রিটে নিয়ে যায়। পৃথিবীর অনেক রাস্তায় নোবেল বিজয়ীর বাড়ি থাকে না- এবং পৃথিবীর কোন রাস্তায় দুজন নোবেল বিজয়ীর বাড়ি নেই। তবে সোয়েটোর কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত ভিলাকাজি স্ট্রিটে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই নেতা আর্চ বিশপ ডেসমন্ড টুটু এবং নেলসন ম্যান্ডেলার বাড়ি। ভিলাকাজিতে পৌঁছে প্রফেসর সুবর্ণ আইজাক নেলসন ম্যান্ডেলার স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
পরদিন সকালে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানিরা অধ্যাপক সুবর্ণ আইজাক বারীর সঙ্গে তিন ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠক করেন। ভিঞ্চি ইনস্টিটিউটের চ্যান্সেলর ড. বেন অ্যান্ডারসন সেমিনার পরিচালনা করেন। বিকেলে, দুই শতাধিক আফ্রিকান গণমাধ্যম অধ্যাপক সুবর্ন আইজাকের সাক্ষাৎকার নেন। সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে প্রফেসর সুবর্ন আইজাক নেলসন ম্যান্ডেলার পর আফ্রিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি হয়ে ওঠেন বলে অবস্থাদৃষ্টে অনেকে মনে করেন।
অন্যথায় ,আফ্রিকার ইউনিভার্সিটিতে ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদানের এই সমাবেশে বক্তব্যকালে সুবর্ণ ঘোষণা করেন যে, তিনি ২০৪৮ সালে আমেরিকার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।