আদানির চুক্তি সংশোধন বা আদালতে যাওয়া সরকারের ‘সক্রিয়’ বিবেচনায়
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে ‘অস্বাভাবিক মূল্যে’ বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি হয়েছিল তুলে ধরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, চুক্তিটি সংশোধন কিংবা আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার বিষয়টি এখন সরকারের ‘সক্রিয়’ বিবেচনায় আছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এদিন বিকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন বসে।
অধিবেশনের সপ্তম কার্যদিবসে প্রশ্নোত্তর পর্বে শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি পর্যালোচনায় একটি জাতীয় কমিটি কাজ করেছে। সেই কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তিটি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় ‘অস্বাভাবিক’ মূল্যে করা হয়েছিল।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “ওই প্রতিবেদনের আলোকে চুক্তির বিষয়ে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের দ্বারস্থ হওয়া অথবা আদানি পাওয়ারের সাথে আলোচনা করে চুক্তি সংশোধন ইত্যাদি বিষয়সমূহ সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।”
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আদানি পাওয়ারের ২৫ বছরের বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি হয় ২০১৭ সালের নভেম্বরে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই চুক্তির মূল্য, বকেয়া পরিশোধ ও সরবরাহ নিয়ে টানাপড়েন সামনে এসেছে।