২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে আরো ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু
মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে আরো ৭ হাজার ২৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যু কমেছে প্রায় ১ হাজার। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৪০ লাখ ৪২ হাজার ২৮০ জনে পৌঁছেছে।
একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ২১ হাজার ৮৭০ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৬৬ হাজার। এতে মহামারির শুরু থেকে ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৭২ লাখ ৪১ হাজার ৬১৭ জনে।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এসব তথ্য জানা গেছে।
ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ৪৭ লাখ ২৬ হাজার ৭৭ জন করোনায় আক্রান্ত এবং ৬ লাখ ২২ হাজার ৮২০ জন মারা গেছেন।
আর লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১৭২ জন এবং নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ হাজার ৫০৪ জন। অপরদিকে মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এক কোটি ৯০ লাখ ৬৯ হাজার ৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৯৪৯ জনের।
করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে, আর মৃতের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮৯৯ জন এবং নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৪৭৫ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ৩ কোটি ৮ লাখ ৩৬ হাজার ২৩১ জন এবং মারা গেছেন ৪ লাখ ৮ হাজার ৭২ জন।
এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ফ্রান্সে এক লাখ ১১ হাজার ৩২১ জন, রাশিয়ায় এক লাখ ৪২ হাজার ২৫৩ জন, যুক্তরাজ্যে এক লাখ ২৮ হাজার ৩৯৯ জন, ইতালিতে এক লাখ ২৭ হাজার ৭৬৮ জন এবং মেক্সিকোতে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৭৫ জন মারা গেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।