শীতে আদা খেলে অনেক উপকার
বাঙালির রান্নায় আদার ব্যবহার নিয়ে বলাই বাহুল্য। আবার বৃষ্টিতে ভিজে ছোটখাটো ঠান্ডা লাগা কমাতেও আদা মহৌষধি হয়ে ওঠে। গলা ব্যথা হোক বা কাশি, কিংবা বমি ভাব, এক টুকরা আদা খেলেই উপশম পাওয়া যায়। আদার মধ্যে আছে ব্যাক্টিরিয়া ও নানা ধরনের জীবাণুর সঙ্গে লড়ার ক্ষমতা। চায়ের মধ্যে আছে রকমারি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট।
>> এই আদাই আবার চায়ের মধ্যে মিশিয়ে খেলে তা আলাদা মাত্রা এনে দেয়। গলা খুশখুশ করলে এককাপ আদা চা নিমেষেই মেটাতে পারে সমস্যা।
>> বিশেষজ্ঞরা বলেন, আদা খেলে শরীরে প্রদাহের প্রভাব কমাতে কাজ করে। ফলে সংক্রমণের মাত্রা খারাপ হওয়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। এমনকি এটি হজমেও সাহায্য করে। সেই সঙ্গে পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
>>ডায়াবেটিস এবং হার্টের অসুখ থাকলেও আদা চা হতে পারে প্রতিদিনকার সঙ্গী।
>>শরীরের লিপিড এবং কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এই চা। তাতে রক্তে শর্করার মাত্রা থাকে নিয়ন্ত্রণে। সঙ্গে রক্তচাপও কমে।
>>আদায় আছে ভোলাটাইল অয়েল উপাদান। যা অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য। এই উপাদান আদাকে সর্দি-কাশি ও ফ্লু নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। তাই শীতের মৌসুমে খাবারের তালিকায় আদা যোগ করা ভীষণ জরুরি।
উল্লেখ্য, ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকলে আদা বেশি না খাওয়াই ভালো। আদা ক্ষুধা কমিয়ে ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন আদা খেলে মেদ ঝরে। তাই ওজন বাড়ানোর পরিকল্পনা করলে খুব বেশি আদা না খাওয়াই ভালো।